ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খিলগাঁওয়ে পুলিশ কর্মকর্তার পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার নব পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতে খিলগাঁওয়ের ১৮৩ পূর্ব গোড়ানের চারতলা বাড়ির ২য় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই নববধূর নাম রাজিয়া সুলতানা রিয়া (২২)। বুধবার রাত ১২টার দিকে পুলিশের খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) নাদিয়া জুঁই দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসি নাদিয়া জুঁই জানান, পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার আমির হোসেন পাটোয়ারী ছোট ছেলে আবির হোসেনের সঙ্গে সম্প্রতি রিয়ার বিয়ে হয়। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেয়া না হলেও রিয়া শ্বশুর বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। রিয়ার পরিবার তুলনামূলকভাবে গরীব। অন্যদিকে আবিরের পরিবার ধনী। যে বাড়ি থেকে রিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেটিও আবিরের বাবা আমির হোসেন পাটোয়ারীর।

রিয়ার বাবার বরাত দিয়ে পুলিশ কর্তকর্তা নাদিয়া জুঁই জানান, বিয়ের কেনাকাটা এবং খরচ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। রিয়ার পরিবার আবিরের পরিবারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছিল না। এ নিয়ে আবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে রিয়ার পরিবারকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হচ্ছিল। বিষয়টি রিয়া মেনে নিতে পারছিলেন না।

খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, রিয়ার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে। তার বাবা রাজধানীর বনশ্রীতে থাকেন। বাসার কাজের মেয়ের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বুধবার বিকালে বাসার সবাই মর্কেটিংয়ে যান। রিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তিনি একাই বাসায় ছিলেন।

বাসার নিচতলায় অবস্থান করছিলেন কাজের মেয়ে। সন্ধ্যায় ঘনিয়ে রাত হয়ে গেলেও কাজের মেয়েকে ডাকা হচ্ছিল না। এমনকি দ্বিতীয় তলায় রিয়া যেখানে অবস্থান করছিলেন সেখানে কোনো আলো দেখা যাচ্ছিল না। তাই কাজের মেয়ে দ্বিতীয় তলায় উঠে দরোজায় নক করে। কোন সাড় না পেয়ে আশপাশের লোকদের খবর দেয়। পরে বিকল্প চাবি দিয়ে দরোজা খুলে ঘরে গিয়ে দেখা যায় রিয়া গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খিলগাঁওয়ে পুলিশ কর্মকর্তার পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার নব পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতে খিলগাঁওয়ের ১৮৩ পূর্ব গোড়ানের চারতলা বাড়ির ২য় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই নববধূর নাম রাজিয়া সুলতানা রিয়া (২২)। বুধবার রাত ১২টার দিকে পুলিশের খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) নাদিয়া জুঁই দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসি নাদিয়া জুঁই জানান, পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার আমির হোসেন পাটোয়ারী ছোট ছেলে আবির হোসেনের সঙ্গে সম্প্রতি রিয়ার বিয়ে হয়। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেয়া না হলেও রিয়া শ্বশুর বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। রিয়ার পরিবার তুলনামূলকভাবে গরীব। অন্যদিকে আবিরের পরিবার ধনী। যে বাড়ি থেকে রিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেটিও আবিরের বাবা আমির হোসেন পাটোয়ারীর।

রিয়ার বাবার বরাত দিয়ে পুলিশ কর্তকর্তা নাদিয়া জুঁই জানান, বিয়ের কেনাকাটা এবং খরচ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। রিয়ার পরিবার আবিরের পরিবারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছিল না। এ নিয়ে আবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে রিয়ার পরিবারকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হচ্ছিল। বিষয়টি রিয়া মেনে নিতে পারছিলেন না।

খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, রিয়ার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে। তার বাবা রাজধানীর বনশ্রীতে থাকেন। বাসার কাজের মেয়ের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বুধবার বিকালে বাসার সবাই মর্কেটিংয়ে যান। রিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তিনি একাই বাসায় ছিলেন।

বাসার নিচতলায় অবস্থান করছিলেন কাজের মেয়ে। সন্ধ্যায় ঘনিয়ে রাত হয়ে গেলেও কাজের মেয়েকে ডাকা হচ্ছিল না। এমনকি দ্বিতীয় তলায় রিয়া যেখানে অবস্থান করছিলেন সেখানে কোনো আলো দেখা যাচ্ছিল না। তাই কাজের মেয়ে দ্বিতীয় তলায় উঠে দরোজায় নক করে। কোন সাড় না পেয়ে আশপাশের লোকদের খবর দেয়। পরে বিকল্প চাবি দিয়ে দরোজা খুলে ঘরে গিয়ে দেখা যায় রিয়া গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।