ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হবে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসর: ডেপুটি স্পিকার ‘সংসদে একজন রাজনৈতিক নেতার অন্ধকার জীবন নিয়ে আলোচনা হোক, আমি চাই না’:স্পিকার কোনো এমপি ঋণখেলাপি নন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুনঃতপশিলের কথা সবার জানা- রুমিন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি একবেলা না খেয়ে হলেও প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে হবে: এনসিপি এমপি মুজাহিদ শক্তিশালী ইরানের পক্ষ থেকে এই চুক্তি একটি বার্তা: পেজেশকিয়ান সাভারে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে ফুটপাতে হকার উচ্ছেদ অভিযান

কানহীন ৫ শিশুর কান গজাল ল্যাবরেটরিতে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক কান নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। এ কারণে সমস্যার অন্ত ছিল না। এর কূলকিনারা করতে পারছিলেন না মা-বাবা। অবশেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে নতুন আরেকটি গান গজানোর দুঃসাহসিক উদ্যোগ নেন তারা।

চিকিৎসকের সাহায্যে একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিবার। গবেষকরা তিন মাসের মধ্যে শিশুর শরীরে নতুন আরেকটি কান গজানোর ব্যবস্থা করেন। এমন যুগান্তকারী অসাধ্য সাধন করেছেন চীনের একদল গবেষক। শিশুর যে কানটি অপুষ্ট ছিল। সেখান থেকে কোষ সংগ্রহ করেন তারা।

এর পর ল্যাবরেটরিতে শিশুটির বয়স অনুযায়ী নকল কানের একটি ছাঁচ তৈরি করেন তারা। তাতে শিশুর অপুষ্টকানের কোষ রেখে তার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান। যাকে বলে মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়ার সাহায্যেই জীবিত কোষ থেকে ধীরে ধীরে গঠত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ কান। তারপর সেটি অপারেশন করে শিশুর অপুষ্ট কানের অংশে প্রতিস্থাপিত করেন চিকিৎসকরা।

শুধু একজন নয় এ রকমভাবে প্রায় পাঁচটি শিশুর কান ল্যাবরেটরিতে গজিয়েছেন গবেষকরা। তার পর সেই কানগুলো অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়। এখন একেবারে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুদের নতুন কান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করেন বাবা

কানহীন ৫ শিশুর কান গজাল ল্যাবরেটরিতে

আপডেট সময় ০৩:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক কান নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। এ কারণে সমস্যার অন্ত ছিল না। এর কূলকিনারা করতে পারছিলেন না মা-বাবা। অবশেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে নতুন আরেকটি গান গজানোর দুঃসাহসিক উদ্যোগ নেন তারা।

চিকিৎসকের সাহায্যে একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিবার। গবেষকরা তিন মাসের মধ্যে শিশুর শরীরে নতুন আরেকটি কান গজানোর ব্যবস্থা করেন। এমন যুগান্তকারী অসাধ্য সাধন করেছেন চীনের একদল গবেষক। শিশুর যে কানটি অপুষ্ট ছিল। সেখান থেকে কোষ সংগ্রহ করেন তারা।

এর পর ল্যাবরেটরিতে শিশুটির বয়স অনুযায়ী নকল কানের একটি ছাঁচ তৈরি করেন তারা। তাতে শিশুর অপুষ্টকানের কোষ রেখে তার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান। যাকে বলে মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়ার সাহায্যেই জীবিত কোষ থেকে ধীরে ধীরে গঠত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ কান। তারপর সেটি অপারেশন করে শিশুর অপুষ্ট কানের অংশে প্রতিস্থাপিত করেন চিকিৎসকরা।

শুধু একজন নয় এ রকমভাবে প্রায় পাঁচটি শিশুর কান ল্যাবরেটরিতে গজিয়েছেন গবেষকরা। তার পর সেই কানগুলো অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়। এখন একেবারে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুদের নতুন কান।