ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া জোরদার হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিএনপি এখন একটা কৃত্রিম বিরোধ বা সংকট তৈরি করছে: নাহিদ ইসলাম বিসিএস ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ নকলের রূপ পালটিয়েছে, এখন ডিজিটালি হচ্ছে নকল: শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: জামায়াত আমির বিএনপি এখন মেজরিটি, সংসদে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে: হাসনাত ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, তাঁকে পদচ্যুত করা দরকার: সিআইএর সাবেক পরিচালক ইসরাইলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি এরদোগানের

কানহীন ৫ শিশুর কান গজাল ল্যাবরেটরিতে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক কান নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। এ কারণে সমস্যার অন্ত ছিল না। এর কূলকিনারা করতে পারছিলেন না মা-বাবা। অবশেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে নতুন আরেকটি গান গজানোর দুঃসাহসিক উদ্যোগ নেন তারা।

চিকিৎসকের সাহায্যে একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিবার। গবেষকরা তিন মাসের মধ্যে শিশুর শরীরে নতুন আরেকটি কান গজানোর ব্যবস্থা করেন। এমন যুগান্তকারী অসাধ্য সাধন করেছেন চীনের একদল গবেষক। শিশুর যে কানটি অপুষ্ট ছিল। সেখান থেকে কোষ সংগ্রহ করেন তারা।

এর পর ল্যাবরেটরিতে শিশুটির বয়স অনুযায়ী নকল কানের একটি ছাঁচ তৈরি করেন তারা। তাতে শিশুর অপুষ্টকানের কোষ রেখে তার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান। যাকে বলে মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়ার সাহায্যেই জীবিত কোষ থেকে ধীরে ধীরে গঠত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ কান। তারপর সেটি অপারেশন করে শিশুর অপুষ্ট কানের অংশে প্রতিস্থাপিত করেন চিকিৎসকরা।

শুধু একজন নয় এ রকমভাবে প্রায় পাঁচটি শিশুর কান ল্যাবরেটরিতে গজিয়েছেন গবেষকরা। তার পর সেই কানগুলো অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়। এখন একেবারে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুদের নতুন কান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া জোরদার হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

কানহীন ৫ শিশুর কান গজাল ল্যাবরেটরিতে

আপডেট সময় ০৩:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক কান নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। এ কারণে সমস্যার অন্ত ছিল না। এর কূলকিনারা করতে পারছিলেন না মা-বাবা। অবশেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে নতুন আরেকটি গান গজানোর দুঃসাহসিক উদ্যোগ নেন তারা।

চিকিৎসকের সাহায্যে একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিবার। গবেষকরা তিন মাসের মধ্যে শিশুর শরীরে নতুন আরেকটি কান গজানোর ব্যবস্থা করেন। এমন যুগান্তকারী অসাধ্য সাধন করেছেন চীনের একদল গবেষক। শিশুর যে কানটি অপুষ্ট ছিল। সেখান থেকে কোষ সংগ্রহ করেন তারা।

এর পর ল্যাবরেটরিতে শিশুটির বয়স অনুযায়ী নকল কানের একটি ছাঁচ তৈরি করেন তারা। তাতে শিশুর অপুষ্টকানের কোষ রেখে তার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান। যাকে বলে মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়ার সাহায্যেই জীবিত কোষ থেকে ধীরে ধীরে গঠত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ কান। তারপর সেটি অপারেশন করে শিশুর অপুষ্ট কানের অংশে প্রতিস্থাপিত করেন চিকিৎসকরা।

শুধু একজন নয় এ রকমভাবে প্রায় পাঁচটি শিশুর কান ল্যাবরেটরিতে গজিয়েছেন গবেষকরা। তার পর সেই কানগুলো অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়। এখন একেবারে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুদের নতুন কান।