ঢাকা ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কানহীন ৫ শিশুর কান গজাল ল্যাবরেটরিতে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক কান নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। এ কারণে সমস্যার অন্ত ছিল না। এর কূলকিনারা করতে পারছিলেন না মা-বাবা। অবশেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে নতুন আরেকটি গান গজানোর দুঃসাহসিক উদ্যোগ নেন তারা।

চিকিৎসকের সাহায্যে একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিবার। গবেষকরা তিন মাসের মধ্যে শিশুর শরীরে নতুন আরেকটি কান গজানোর ব্যবস্থা করেন। এমন যুগান্তকারী অসাধ্য সাধন করেছেন চীনের একদল গবেষক। শিশুর যে কানটি অপুষ্ট ছিল। সেখান থেকে কোষ সংগ্রহ করেন তারা।

এর পর ল্যাবরেটরিতে শিশুটির বয়স অনুযায়ী নকল কানের একটি ছাঁচ তৈরি করেন তারা। তাতে শিশুর অপুষ্টকানের কোষ রেখে তার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান। যাকে বলে মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়ার সাহায্যেই জীবিত কোষ থেকে ধীরে ধীরে গঠত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ কান। তারপর সেটি অপারেশন করে শিশুর অপুষ্ট কানের অংশে প্রতিস্থাপিত করেন চিকিৎসকরা।

শুধু একজন নয় এ রকমভাবে প্রায় পাঁচটি শিশুর কান ল্যাবরেটরিতে গজিয়েছেন গবেষকরা। তার পর সেই কানগুলো অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়। এখন একেবারে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুদের নতুন কান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কানহীন ৫ শিশুর কান গজাল ল্যাবরেটরিতে

আপডেট সময় ০৩:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এক কান নিয়ে জন্মেছিল শিশুটি। এ কারণে সমস্যার অন্ত ছিল না। এর কূলকিনারা করতে পারছিলেন না মা-বাবা। অবশেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে নতুন আরেকটি গান গজানোর দুঃসাহসিক উদ্যোগ নেন তারা।

চিকিৎসকের সাহায্যে একদল গবেষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির পরিবার। গবেষকরা তিন মাসের মধ্যে শিশুর শরীরে নতুন আরেকটি কান গজানোর ব্যবস্থা করেন। এমন যুগান্তকারী অসাধ্য সাধন করেছেন চীনের একদল গবেষক। শিশুর যে কানটি অপুষ্ট ছিল। সেখান থেকে কোষ সংগ্রহ করেন তারা।

এর পর ল্যাবরেটরিতে শিশুটির বয়স অনুযায়ী নকল কানের একটি ছাঁচ তৈরি করেন তারা। তাতে শিশুর অপুষ্টকানের কোষ রেখে তার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান। যাকে বলে মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়ার সাহায্যেই জীবিত কোষ থেকে ধীরে ধীরে গঠত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ কান। তারপর সেটি অপারেশন করে শিশুর অপুষ্ট কানের অংশে প্রতিস্থাপিত করেন চিকিৎসকরা।

শুধু একজন নয় এ রকমভাবে প্রায় পাঁচটি শিশুর কান ল্যাবরেটরিতে গজিয়েছেন গবেষকরা। তার পর সেই কানগুলো অস্ত্রোপচার করে বসানো হয়। এখন একেবারে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে শিশুদের নতুন কান।