ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

হঠকারিতা চান না খালেদা, ঢাকায় আন্দোলন চাইলেন নেতারা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

৮ ফেব্রুয়ারির দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চাইলেও কোনো ধরনের হঠকারিতা চান না বেগম খালেদা জিয়া। দলের নেতাদেরকে বিএনপি চেয়ারপারসন তাগিদ দিয়েছেন ঐক্যবদ্ধ থাকার। সরকারি দলের লোভ লালসায় কেউ যেন না পড়ে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেছেন তিনি।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির রায়ের পাঁচ দিন আগে শনিবার রাজধানীতে দলের নির্বাহী কমিটির সভায় রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এই বিএনপি চেয়ারপারস এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন নেতারা। অন্যদিকে সারাদেশ থেকে আসা নির্বাহী কমিটির নেতারা বলছেন, আন্দোলন হলে তারা মাঠে থাকবেন, তবে এবার ঢাকায় আন্দোলন দেখতে চান। কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে রাজপথে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের জোর দাবি উঠেছে সেখানে।

শনিবার বেলা ১১টার পর শুরু হওয়া নির্বাহী কমিটির সভায় শুরুতে শোক প্রস্তাব এবং পরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং পরে বেগম খালেদা জিয়া বক্তব্য দেন। এই পর্বে সেখানে ছিলেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এরপর চলে রুদ্ধদ্বার বৈঠক। এই পর্বে নির্বাহী কমিটির মোট ৪২ জন সদস্য বক্তব্য রাখেন। এ বিষয়ে রবিবার ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানাবেন মির্জা ফখরুল।

নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, সেখানকার বিভিন্ন নেতা বিভিন্ন কথা বলেছেন। একজন বলেছেন, খালেদা জিয়ার সাজা হলে স্বেচ্ছা কারাবরণের কথা, একাধিক নেতা দাবি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের সক্রিয় ভূমিকার। এই পর্বে খালেদা জিয়া দলের তাদেরকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আমি সকালেও বলেছি, এখনও আবার বলছি, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি এবং থাকব।’

খালেদা জিয়া বলেন, দেশের মানুষদের বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভয়ভীতি লালসার কাছে মাথা নত করা যাবে না। অন্যায়ের কাছে আপস করা যাবে না। সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। সেজন্য তারা পাগল হয়ে যা ইচ্ছে তাই বলছে, করছে। কিন্তু আমাদের অত্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে চলতে হবে।’

দলের মধ্যে কেউ যদি কোন হঠকারীতা করেন তার বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা হঠকারীদের চাই না। চাই শান্তিপূর্ণভাবে কে কেমন দেখাতে পারে তার ওপর ভবিষ্যতে অনেক কিছু নির্ভর করবে। প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধে না জড়াতে নেতাদের নির্দেশ দিয়ে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘তারা (প্রশাসনের কর্মকর্তারা) দেশের সেবক। তাদের বিরুদ্ধে না গিয়ে কাজ করতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই।’

সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী জেলে গিয়েছেন জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এখন সরকার বিএনপি ও দলটির নেতাকর্মীদের কিছুই করতে পারবে না। এই সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) দীর্ঘদিন বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু আজকের মত এত চমৎকার, সুন্দর, গঠনমূলক, নির্দেশনামূলক বক্তব্য আমি পাইনি। আমার মত সারাদেশের নেতাকর্মীরা এমন বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হবেন আশা করি। তার আজকের বক্তব্যে সব বিষয় এসেছে কিছুই বাদ যায়নি।’

ঢাকার রাজপথে নেতাদের চাইল তৃণমূল

আগামী দিনের আন্দোলনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আরও বেশি কৌশলী ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলার নেতারা।

বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আপনাকে (খালেদা জিয়া) অন্তরীণ করা হলে আপনার অনুপস্থিতিতে দলের নেতা নির্বাচনে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ছাড়া যেসব নেতা নির্বাচনের যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তা হবে আত্মঘাতী। এটা তাদের জীবনের জন্য হবে ঝুঁকিপূর্ণ।’

কুমিল্লা উত্তরে সভাপতি হাজী ইয়াসীন বলেন, ‘তিনশ আসনে প্রার্থীদের অন্তত ১০ হাজার লোক নিয়ে রাজপথে দাঁড়াতে হবে।’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মুজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘আপনার (খালেদা জিয়া) নামে শপথ নিচ্ছি আপনাকে মিথ্যা মামলা অন্তরীণ করা হলে আপনার সঙ্গে আমরাও জেলে যাব। আর বাইরে থাকলে আন্দোলনে জয়ী হয়ে আপনাকে মুক্ত করা হবে।।’

নোয়াখালীর জেলা সভাপতি আবদুর রহমান বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে আমরা নোয়াখালী জেলা অচল করে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে সময় ঢাকা জাগতে পারেনি। তাদের (কেন্দ্রীয় নেতারা) মাঠে নামতে হবে।’

কিশোরগঞ্জ বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলমও ৮ ফেব্রুয়ারির রায়কে ঘিরে কেন্দ্রীয় নেতাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রখার দাবি জানান। বলেন, ঢাকার নেতারা মাঠে না নামলেও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমরা আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে আশাবাদী। বিশেষ করে তিনি তরুণদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব দেয়ার যে কথা বলেছেন তাতে সারাদেশের তরুণদের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করেছে। আজকে একটি গঠনমূলক সভা হয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

হঠকারিতা চান না খালেদা, ঢাকায় আন্দোলন চাইলেন নেতারা

আপডেট সময় ১০:৪১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

৮ ফেব্রুয়ারির দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চাইলেও কোনো ধরনের হঠকারিতা চান না বেগম খালেদা জিয়া। দলের নেতাদেরকে বিএনপি চেয়ারপারসন তাগিদ দিয়েছেন ঐক্যবদ্ধ থাকার। সরকারি দলের লোভ লালসায় কেউ যেন না পড়ে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেছেন তিনি।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির রায়ের পাঁচ দিন আগে শনিবার রাজধানীতে দলের নির্বাহী কমিটির সভায় রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এই বিএনপি চেয়ারপারস এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন নেতারা। অন্যদিকে সারাদেশ থেকে আসা নির্বাহী কমিটির নেতারা বলছেন, আন্দোলন হলে তারা মাঠে থাকবেন, তবে এবার ঢাকায় আন্দোলন দেখতে চান। কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে রাজপথে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের জোর দাবি উঠেছে সেখানে।

শনিবার বেলা ১১টার পর শুরু হওয়া নির্বাহী কমিটির সভায় শুরুতে শোক প্রস্তাব এবং পরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং পরে বেগম খালেদা জিয়া বক্তব্য দেন। এই পর্বে সেখানে ছিলেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এরপর চলে রুদ্ধদ্বার বৈঠক। এই পর্বে নির্বাহী কমিটির মোট ৪২ জন সদস্য বক্তব্য রাখেন। এ বিষয়ে রবিবার ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানাবেন মির্জা ফখরুল।

নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, সেখানকার বিভিন্ন নেতা বিভিন্ন কথা বলেছেন। একজন বলেছেন, খালেদা জিয়ার সাজা হলে স্বেচ্ছা কারাবরণের কথা, একাধিক নেতা দাবি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের সক্রিয় ভূমিকার। এই পর্বে খালেদা জিয়া দলের তাদেরকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আমি সকালেও বলেছি, এখনও আবার বলছি, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি এবং থাকব।’

খালেদা জিয়া বলেন, দেশের মানুষদের বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভয়ভীতি লালসার কাছে মাথা নত করা যাবে না। অন্যায়ের কাছে আপস করা যাবে না। সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। সেজন্য তারা পাগল হয়ে যা ইচ্ছে তাই বলছে, করছে। কিন্তু আমাদের অত্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে চলতে হবে।’

দলের মধ্যে কেউ যদি কোন হঠকারীতা করেন তার বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা হঠকারীদের চাই না। চাই শান্তিপূর্ণভাবে কে কেমন দেখাতে পারে তার ওপর ভবিষ্যতে অনেক কিছু নির্ভর করবে। প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধে না জড়াতে নেতাদের নির্দেশ দিয়ে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘তারা (প্রশাসনের কর্মকর্তারা) দেশের সেবক। তাদের বিরুদ্ধে না গিয়ে কাজ করতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই।’

সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী জেলে গিয়েছেন জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এখন সরকার বিএনপি ও দলটির নেতাকর্মীদের কিছুই করতে পারবে না। এই সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) দীর্ঘদিন বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু আজকের মত এত চমৎকার, সুন্দর, গঠনমূলক, নির্দেশনামূলক বক্তব্য আমি পাইনি। আমার মত সারাদেশের নেতাকর্মীরা এমন বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হবেন আশা করি। তার আজকের বক্তব্যে সব বিষয় এসেছে কিছুই বাদ যায়নি।’

ঢাকার রাজপথে নেতাদের চাইল তৃণমূল

আগামী দিনের আন্দোলনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আরও বেশি কৌশলী ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলার নেতারা।

বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আপনাকে (খালেদা জিয়া) অন্তরীণ করা হলে আপনার অনুপস্থিতিতে দলের নেতা নির্বাচনে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ছাড়া যেসব নেতা নির্বাচনের যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তা হবে আত্মঘাতী। এটা তাদের জীবনের জন্য হবে ঝুঁকিপূর্ণ।’

কুমিল্লা উত্তরে সভাপতি হাজী ইয়াসীন বলেন, ‘তিনশ আসনে প্রার্থীদের অন্তত ১০ হাজার লোক নিয়ে রাজপথে দাঁড়াতে হবে।’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মুজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘আপনার (খালেদা জিয়া) নামে শপথ নিচ্ছি আপনাকে মিথ্যা মামলা অন্তরীণ করা হলে আপনার সঙ্গে আমরাও জেলে যাব। আর বাইরে থাকলে আন্দোলনে জয়ী হয়ে আপনাকে মুক্ত করা হবে।।’

নোয়াখালীর জেলা সভাপতি আবদুর রহমান বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে আমরা নোয়াখালী জেলা অচল করে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে সময় ঢাকা জাগতে পারেনি। তাদের (কেন্দ্রীয় নেতারা) মাঠে নামতে হবে।’

কিশোরগঞ্জ বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলমও ৮ ফেব্রুয়ারির রায়কে ঘিরে কেন্দ্রীয় নেতাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রখার দাবি জানান। বলেন, ঢাকার নেতারা মাঠে না নামলেও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমরা আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে আশাবাদী। বিশেষ করে তিনি তরুণদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব দেয়ার যে কথা বলেছেন তাতে সারাদেশের তরুণদের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করেছে। আজকে একটি গঠনমূলক সভা হয়েছে।’