ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কুচকুচে কালো আইন প্রবর্তন হচ্ছে: সেলিম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের মানুষ কালো আইন (আইসিটি অ্যাক্ট-৫৭ ধারা) বাতিল চেয়েছিলেন কিন্তু তাদের উপর কুচকুচে কালো আইন চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবি- বাসদ- গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিজিটাল আইনকে মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। সেলিম বলেন, এ আইন সংবিধান, তথ্য অধিকার আইনসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ধ্বংস করবে। এ আইন জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, অসংখ্য কালো আইন দ্বারা গণতান্ত্রিক অধিকার ইতিমধ্যেই সংকুচিত করা হয়েছে। এখন ডিজিটাল আইনের নামে তাকে শৃংখলিত করা হচ্ছে। এ আইন মন্ত্রী এমপি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সমালোচনা করার সুযোগ কেড়ে নেয়া এবং ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে জবাবদিহীতার ঊর্ধ্বে রাখার লক্ষ্যে এ আইন করা হচ্ছে।

শুভ্রাংশু চক্রবর্তী এ আইনকে ফ্যাসীবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইন বলে উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে ডিজিটাল আইন ২০১৮ বাতিল করার দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আজিজ, ফিরোজ আহমেদ, হামিদুল হক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোশরেফা মিশু।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কুচকুচে কালো আইন প্রবর্তন হচ্ছে: সেলিম

আপডেট সময় ১০:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের মানুষ কালো আইন (আইসিটি অ্যাক্ট-৫৭ ধারা) বাতিল চেয়েছিলেন কিন্তু তাদের উপর কুচকুচে কালো আইন চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবি- বাসদ- গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিজিটাল আইনকে মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। সেলিম বলেন, এ আইন সংবিধান, তথ্য অধিকার আইনসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ধ্বংস করবে। এ আইন জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, অসংখ্য কালো আইন দ্বারা গণতান্ত্রিক অধিকার ইতিমধ্যেই সংকুচিত করা হয়েছে। এখন ডিজিটাল আইনের নামে তাকে শৃংখলিত করা হচ্ছে। এ আইন মন্ত্রী এমপি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সমালোচনা করার সুযোগ কেড়ে নেয়া এবং ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে জবাবদিহীতার ঊর্ধ্বে রাখার লক্ষ্যে এ আইন করা হচ্ছে।

শুভ্রাংশু চক্রবর্তী এ আইনকে ফ্যাসীবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইন বলে উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে ডিজিটাল আইন ২০১৮ বাতিল করার দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আজিজ, ফিরোজ আহমেদ, হামিদুল হক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোশরেফা মিশু।