ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

কুচকুচে কালো আইন প্রবর্তন হচ্ছে: সেলিম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের মানুষ কালো আইন (আইসিটি অ্যাক্ট-৫৭ ধারা) বাতিল চেয়েছিলেন কিন্তু তাদের উপর কুচকুচে কালো আইন চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবি- বাসদ- গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিজিটাল আইনকে মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। সেলিম বলেন, এ আইন সংবিধান, তথ্য অধিকার আইনসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ধ্বংস করবে। এ আইন জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, অসংখ্য কালো আইন দ্বারা গণতান্ত্রিক অধিকার ইতিমধ্যেই সংকুচিত করা হয়েছে। এখন ডিজিটাল আইনের নামে তাকে শৃংখলিত করা হচ্ছে। এ আইন মন্ত্রী এমপি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সমালোচনা করার সুযোগ কেড়ে নেয়া এবং ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে জবাবদিহীতার ঊর্ধ্বে রাখার লক্ষ্যে এ আইন করা হচ্ছে।

শুভ্রাংশু চক্রবর্তী এ আইনকে ফ্যাসীবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইন বলে উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে ডিজিটাল আইন ২০১৮ বাতিল করার দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আজিজ, ফিরোজ আহমেদ, হামিদুল হক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোশরেফা মিশু।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

কুচকুচে কালো আইন প্রবর্তন হচ্ছে: সেলিম

আপডেট সময় ১০:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের মানুষ কালো আইন (আইসিটি অ্যাক্ট-৫৭ ধারা) বাতিল চেয়েছিলেন কিন্তু তাদের উপর কুচকুচে কালো আইন চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবি- বাসদ- গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিজিটাল আইনকে মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। সেলিম বলেন, এ আইন সংবিধান, তথ্য অধিকার আইনসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ধ্বংস করবে। এ আইন জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, অসংখ্য কালো আইন দ্বারা গণতান্ত্রিক অধিকার ইতিমধ্যেই সংকুচিত করা হয়েছে। এখন ডিজিটাল আইনের নামে তাকে শৃংখলিত করা হচ্ছে। এ আইন মন্ত্রী এমপি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সমালোচনা করার সুযোগ কেড়ে নেয়া এবং ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে জবাবদিহীতার ঊর্ধ্বে রাখার লক্ষ্যে এ আইন করা হচ্ছে।

শুভ্রাংশু চক্রবর্তী এ আইনকে ফ্যাসীবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইন বলে উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে ডিজিটাল আইন ২০১৮ বাতিল করার দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আজিজ, ফিরোজ আহমেদ, হামিদুল হক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোশরেফা মিশু।