ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা শূন্য হলো বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্প

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নয় দফায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সোমবার সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হস্তান্তরের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের উদ্যোগে প্রথম দফায় ২১ জানুয়ারি ২৮৩ জনকে হস্তান্তরের মাধ্যমে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূণ্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর পর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় দফায় ৩৭০ জন, তৃতীয় দফায় ৮৯৬ জন, চতুর্থ দফায় ৮৬১ জন, পঞ্চম দফায় ৮৬৫ জন, ষষ্ঠ দফায় ৮৩৭ জন, সপ্তম দফায় ৮১১ জন, অষ্টম দফায় ৮৩৭ জন এবং নবম দফায় ৮২৫ জনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে বান্দরবানে এখনো আরও দুইটি আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে। তারমধ্যে দোছড়ি ইউনিয়নের বাহিরমাঠ রোহিঙ্গা আশ্রয় ক্যাম্পে ৭৮ পরিবারের লোকসংখ্যা ৩৬২ জন এবং ঘুমধুম ইউনিয়নের কোনাপাড়ায় নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় কেন্দ্রে এক হাজার পাঁচশ’ রোহিঙ্গা পরিবারে লোকসংখ্যা প্রায় আট হাজার জন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সরওয়ার কামাল জানান, টানা ৯ দিনের চেষ্টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের ছয় হাজার ৫৮৫ জন রোহিঙ্গাকে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সাপমারাঝিরি ও বড়ছনখোলা দুটি আশ্রয় ক্যাম্প রোহিঙ্গা শূন্য। পর্যায়ক্রমে ঘুমধুম ও দোছড়ি ইউনিয়নের অবশিষ্ট দুটি আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদেরও সরিয়ে নেয়া হবে।

বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে.কর্নেল আনোয়ারুল আযীম জানান, সাপমারাঝিরির পর বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটিও রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পগুলোতে নতুন রোহিঙ্গাদের বসতি গড়ে তোলার কোনো সুযোগ নেই। ক্যাম্পের আশপাশে বিজিবির প্রহড়া বাড়ানো হয়েছে।

সীমান্ত পেরিয়ে নতুন কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করলে তাদের সরাসরি কুতুপালং ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা শূন্য হলো বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্প

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নয় দফায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সোমবার সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হস্তান্তরের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের উদ্যোগে প্রথম দফায় ২১ জানুয়ারি ২৮৩ জনকে হস্তান্তরের মাধ্যমে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূণ্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর পর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় দফায় ৩৭০ জন, তৃতীয় দফায় ৮৯৬ জন, চতুর্থ দফায় ৮৬১ জন, পঞ্চম দফায় ৮৬৫ জন, ষষ্ঠ দফায় ৮৩৭ জন, সপ্তম দফায় ৮১১ জন, অষ্টম দফায় ৮৩৭ জন এবং নবম দফায় ৮২৫ জনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে বান্দরবানে এখনো আরও দুইটি আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে। তারমধ্যে দোছড়ি ইউনিয়নের বাহিরমাঠ রোহিঙ্গা আশ্রয় ক্যাম্পে ৭৮ পরিবারের লোকসংখ্যা ৩৬২ জন এবং ঘুমধুম ইউনিয়নের কোনাপাড়ায় নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় কেন্দ্রে এক হাজার পাঁচশ’ রোহিঙ্গা পরিবারে লোকসংখ্যা প্রায় আট হাজার জন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সরওয়ার কামাল জানান, টানা ৯ দিনের চেষ্টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের ছয় হাজার ৫৮৫ জন রোহিঙ্গাকে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সাপমারাঝিরি ও বড়ছনখোলা দুটি আশ্রয় ক্যাম্প রোহিঙ্গা শূন্য। পর্যায়ক্রমে ঘুমধুম ও দোছড়ি ইউনিয়নের অবশিষ্ট দুটি আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদেরও সরিয়ে নেয়া হবে।

বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে.কর্নেল আনোয়ারুল আযীম জানান, সাপমারাঝিরির পর বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটিও রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পগুলোতে নতুন রোহিঙ্গাদের বসতি গড়ে তোলার কোনো সুযোগ নেই। ক্যাম্পের আশপাশে বিজিবির প্রহড়া বাড়ানো হয়েছে।

সীমান্ত পেরিয়ে নতুন কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করলে তাদের সরাসরি কুতুপালং ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।