ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার

দশম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ২৮৪ দিন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেছেন, ‘দশম সংসদে এ পর্যন্ত কার্যদিবস হয়েছে ৩৪২টি। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন ২৮৪ দিন। আর বিল পাস হয়েছে ১৩১টি। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন ২০৪ দিন।’

সোমবার জাতীয় সংসদের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ।

ফিরোজ বলেন, ‘বিগত নবম সংসদের কার্যদিবস ছিল ৪১৮ দিন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন ৩৩৬ দিন। আর বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন মাত্র ১০ দিন।’

চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন তুলে ধরে প্রধান হুইপ বলেন, ‘এ চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন করেছে। জাতিকে অনেক কিছু দিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবেও এ সংসদ সমৃদ্ধ হয়েছে। আইপিইউ ও সিপিএ এর মতো দুটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা সিপিএ’র চেয়ারপারসন ও আইপিইউ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পেরেছি। অর্থাৎ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছিল, গণতন্ত্র আছে এবং গণতন্ত্র থাকবে বলে আমরা এ দুটি জায়গা থেকে সমর্থন পেয়েছি।’

ফিরোজ বলেন, ‘অথচ এ সংসদ নির্বাচনের পরে নিন্দুকেরা অনেক কিছু বলেছিল। তারা বলেছিল- ভোটারবিহীন সংসদ, এ সংসদে মানুষের অংশগ্রহণ ছিল না, জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই- এমন অনেক কথা বলেছিল। বিশ্বের কাছে তারা অনেক ধর্না দিয়েছে। এত কিছু পেরিয়ে আমরা সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করতে পেরেছি সেদিন যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচন না হত তাহলে হয়তো অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আসতো। সেই জন্য নির্বাচনের পর সারাবিশ্ব আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।’

দশম সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এ সংসদে বিরোধী দল কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তারা শুধু বিরোধিতা করেনি। বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে। বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা যেমন সমালোচনা করেছে আমরাও সেরকম সমালোচনা করেছি।’

‘এ সংসদে আমাদের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে তারা সংসদে কথা বলছেন। তারা সরকারের কঠিন সমালোচনা করেছেন। আমরা তার জবাব দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকটি কথার নোট নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।’

সংসদের কোরাম সংকট প্রসঙ্গে প্রধান হুইপ বলেন, ‘অনেকেই পত্রিকায় লিখেন সংসদে কোরাম হয় না। সংসদে কোরাম সবসময় থাকে। মন্ত্রীরা সবসময় এ সংসদের ভেতরে তাদের অফিসে থেকে এলাকার কাজ করেন। হয়তো সংসদে এমপি সাহেবরা কম, কিন্তু তারা লবিতে থাকেন। তারা মন্ত্রীর রুমে গিয়ে এলাকার কাজ করেন। এ সংসদে তারা অছেন, তারা ছিলেন এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তারা আরও বেশি বেশি করে থাকবেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ডের দাম ১ বিলিয়ন ডলার, ট্রাম্পের হয়ে ডেনমার্ককে পুতিনের খোঁচা

দশম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ২৮৪ দিন

আপডেট সময় ১০:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেছেন, ‘দশম সংসদে এ পর্যন্ত কার্যদিবস হয়েছে ৩৪২টি। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন ২৮৪ দিন। আর বিল পাস হয়েছে ১৩১টি। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন ২০৪ দিন।’

সোমবার জাতীয় সংসদের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ।

ফিরোজ বলেন, ‘বিগত নবম সংসদের কার্যদিবস ছিল ৪১৮ দিন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন ৩৩৬ দিন। আর বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন মাত্র ১০ দিন।’

চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন তুলে ধরে প্রধান হুইপ বলেন, ‘এ চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন করেছে। জাতিকে অনেক কিছু দিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবেও এ সংসদ সমৃদ্ধ হয়েছে। আইপিইউ ও সিপিএ এর মতো দুটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা সিপিএ’র চেয়ারপারসন ও আইপিইউ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পেরেছি। অর্থাৎ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছিল, গণতন্ত্র আছে এবং গণতন্ত্র থাকবে বলে আমরা এ দুটি জায়গা থেকে সমর্থন পেয়েছি।’

ফিরোজ বলেন, ‘অথচ এ সংসদ নির্বাচনের পরে নিন্দুকেরা অনেক কিছু বলেছিল। তারা বলেছিল- ভোটারবিহীন সংসদ, এ সংসদে মানুষের অংশগ্রহণ ছিল না, জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই- এমন অনেক কথা বলেছিল। বিশ্বের কাছে তারা অনেক ধর্না দিয়েছে। এত কিছু পেরিয়ে আমরা সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করতে পেরেছি সেদিন যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচন না হত তাহলে হয়তো অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আসতো। সেই জন্য নির্বাচনের পর সারাবিশ্ব আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।’

দশম সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এ সংসদে বিরোধী দল কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তারা শুধু বিরোধিতা করেনি। বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে। বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা যেমন সমালোচনা করেছে আমরাও সেরকম সমালোচনা করেছি।’

‘এ সংসদে আমাদের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে তারা সংসদে কথা বলছেন। তারা সরকারের কঠিন সমালোচনা করেছেন। আমরা তার জবাব দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকটি কথার নোট নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।’

সংসদের কোরাম সংকট প্রসঙ্গে প্রধান হুইপ বলেন, ‘অনেকেই পত্রিকায় লিখেন সংসদে কোরাম হয় না। সংসদে কোরাম সবসময় থাকে। মন্ত্রীরা সবসময় এ সংসদের ভেতরে তাদের অফিসে থেকে এলাকার কাজ করেন। হয়তো সংসদে এমপি সাহেবরা কম, কিন্তু তারা লবিতে থাকেন। তারা মন্ত্রীর রুমে গিয়ে এলাকার কাজ করেন। এ সংসদে তারা অছেন, তারা ছিলেন এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তারা আরও বেশি বেশি করে থাকবেন।’