ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মন্ত্রণালয়ে যোগদান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নব নিযুক্ত মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আজ রবিবার সকালে মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গত ৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় রদবদলের পর তার ওপর পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পিত হয়।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম সিরাজুল ইসলাম মাহমুদ, মাতা সাজেদা বেগম চৌধুরী।তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে সম্মানসহ বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ইসলামাবাদ কায়েদে আজম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএসসি করেন।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন-২৮২ (চট্টগ্রাম-৫) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

এছাড়াও তিনি ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মাহমুদ ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কেবিনেট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯০ এর মধ্যে জনাব মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

এই সময়কালে তিনি স্বল্পকালের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ছিলেন। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক। ফটোগ্রাফি, ক্রিকেট এবং ফ্লায়িং তার শখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মন্ত্রণালয়ে যোগদান

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নব নিযুক্ত মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আজ রবিবার সকালে মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গত ৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় রদবদলের পর তার ওপর পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পিত হয়।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম সিরাজুল ইসলাম মাহমুদ, মাতা সাজেদা বেগম চৌধুরী।তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে সম্মানসহ বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ইসলামাবাদ কায়েদে আজম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএসসি করেন।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন-২৮২ (চট্টগ্রাম-৫) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

এছাড়াও তিনি ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মাহমুদ ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কেবিনেট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯০ এর মধ্যে জনাব মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ১৯৮৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

এই সময়কালে তিনি স্বল্পকালের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ছিলেন। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক। ফটোগ্রাফি, ক্রিকেট এবং ফ্লায়িং তার শখ।