ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্বকাপ খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ হাদি হত্যার দায় স্বীকার, জবানবন্দি রুবেলের পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই আমরা রাজনীতিতে এসেছি: জামায়াত নেত্রী দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো জানুয়ারিতে জাতীয়তাবাদের কথা বলে একটি দল বিদেশি নাগরিকদের প্রার্থী করছে: আসিফ মাহমুদ দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে হত্যা নির্বাচনী প্রচারের সামগ্রিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক: প্রধান উপদেষ্টা আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায় জামায়াত: রেজাউল করিম ‘নির্বাচিত হলে এমপিদের পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবছর দিতে হবে’:শফিকুর রহমান

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।