ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ইরানের হৃদয় ভেঙে ইতিহাস গড়ে নকআউটে মিশর হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইউরোপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের তুরাগে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আহত ছেলে

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।