ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।