ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

জাতির পিতার নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির পিতার নির্দেশ মেনে বিমান বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩১ ডিসেম্বর রোববার সকালে যশোরে বিমান বাহিনীর শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে বঙ্গবন্ধুর নেয়া পদক্ষেপগুলো স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর গ্রহণ করা পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে দলীয় জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা। বর্তমান সরকারের মেয়াদে যশোরে এটিই হবে তার প্রথম জনসভা। যশোরে বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফর উপলক্ষে সাজ সাজ রব পড়েছে জেলা শহরে। শহরের অলিগলি ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে।

বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর একটি হবে বরিশালে এবং অপরটি সিলেটে। রবিবার যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমিতে নবীন ক্যাডেটদের রাষ্ট্রীয় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নয়টি ঘাঁটি ও স্টেশন রয়েছে রয়েছে। এগুলো হলো ঢাকার বিএএফ ঘাঁটি বাশার, বিএএফ ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু, চট্টগ্রামের বিএএফ ঘাঁটি জহুরুল হক, যশোরের বি এ এফ ঘাঁটি মতিউর রহমান, টাঙ্গাইলের বিএএফ ঘাঁটি পাহাড়কাঞ্চনপুর, বিএএফ ঘাঁটি কক্সবাজার এবং বিএএফ স্টেশন মৌলভীবাজার, বিএএফ স্টেশন বগুড়া এবং বিএএফ স্টেশন লালমনিরহাট। নতুন ঘাঁটি করা ছাড়াও বিমান বাহিনীতে নতুন নতুন যুদ্ধজাহাজ ও আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় মাত্র তিনটি বিমান নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এখন আধুনিক ও শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার করে যাওয়া প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছে সরকার। এই গোলের আলোকে বিমান বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ বিমান, পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার সংযোগ করা হয়েছে।

শিগগির বিমান বাহিনীতে মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট, উন্নত পরিবহন বিমান, অত্যাধুনিক বেসিক ট্রেনিং হেলিকপ্টার, জেট ট্রেনার এয়ারক্রাফট, সিম্যুলেটর, আন-ম্যানড এরিয়াল ভ্যাহিকেল সিস্টেম, লং অ্যান্ড শর্ট রেঞ্জ এয়ারডিফেন্স রাডার এবং মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল সংযোজনের ঘোষণাও দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় বরিশাল ও সিলেটে নতুন দুটি বিমান বাহিনী ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা করেন শেখ হাসিনা।

বিমান বাহিনী সদস্যদের দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশ ও জাতির যেকোনো প্রয়োজনে ভূমিকা রাখতে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে দেশ-বিদেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবেলা, উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণে বিমান বাহিনীর অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তাৎপর্যপূর্ণ অবসান বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।’

মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এবং স্বাধীনতার পর পর দেশ ও জাতির কল্যাণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বিমান বাহিনীকে স্বাধীনতা পদক দেয়ার কথাও তুলে ধরেনর শেখ হাসিনা। আর এজন্য বিমান বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

এর আগে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী সকালে ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশে রওয়ানা হন। বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী যশোরের বিএএফ (বাংলাদেশ এয়ারফোর্স) একাডেমিকে পৌঁছেন। এরপর তিনি একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াড্রনকে জাতীয় পতাকা তুলে দেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় প্যারেড। এরপর রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় প্যারেড।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর দুইজন এবং বিমান বাহিনীর দুইজন নারী পাইলট প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফ্লাইং ব্যাচ গ্রহণ করেন। এরপর বিভিন্ন ফ্লাইং ব্যাচকে ট্রফি এবং সম্মানসূচক তলোয়ার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে নবীন ক্যাডেটরা সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য এবং বিমানবাহিনীর কর্তব্য সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালনের শপথ নেয়। সবশেষে হয় বিমান বাহিনীর উড্ডয়ন মহড়া। বাহিনীর নানা ধরনের যুদ্ধ এবং পরিবহন বিমান তাদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করে এ সময়।

যশোরের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা। বর্তমান মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এটাই আওয়ামী লীগ সভাপতির যশোরে প্রথম জনসভা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপত্তা সংকটে রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করল কুয়েত এয়ারওয়েজ

জাতির পিতার নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির পিতার নির্দেশ মেনে বিমান বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩১ ডিসেম্বর রোববার সকালে যশোরে বিমান বাহিনীর শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে বঙ্গবন্ধুর নেয়া পদক্ষেপগুলো স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর গ্রহণ করা পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে দলীয় জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা। বর্তমান সরকারের মেয়াদে যশোরে এটিই হবে তার প্রথম জনসভা। যশোরে বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফর উপলক্ষে সাজ সাজ রব পড়েছে জেলা শহরে। শহরের অলিগলি ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে।

বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর একটি হবে বরিশালে এবং অপরটি সিলেটে। রবিবার যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমিতে নবীন ক্যাডেটদের রাষ্ট্রীয় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নয়টি ঘাঁটি ও স্টেশন রয়েছে রয়েছে। এগুলো হলো ঢাকার বিএএফ ঘাঁটি বাশার, বিএএফ ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু, চট্টগ্রামের বিএএফ ঘাঁটি জহুরুল হক, যশোরের বি এ এফ ঘাঁটি মতিউর রহমান, টাঙ্গাইলের বিএএফ ঘাঁটি পাহাড়কাঞ্চনপুর, বিএএফ ঘাঁটি কক্সবাজার এবং বিএএফ স্টেশন মৌলভীবাজার, বিএএফ স্টেশন বগুড়া এবং বিএএফ স্টেশন লালমনিরহাট। নতুন ঘাঁটি করা ছাড়াও বিমান বাহিনীতে নতুন নতুন যুদ্ধজাহাজ ও আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় মাত্র তিনটি বিমান নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এখন আধুনিক ও শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার করে যাওয়া প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছে সরকার। এই গোলের আলোকে বিমান বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ বিমান, পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার সংযোগ করা হয়েছে।

শিগগির বিমান বাহিনীতে মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট, উন্নত পরিবহন বিমান, অত্যাধুনিক বেসিক ট্রেনিং হেলিকপ্টার, জেট ট্রেনার এয়ারক্রাফট, সিম্যুলেটর, আন-ম্যানড এরিয়াল ভ্যাহিকেল সিস্টেম, লং অ্যান্ড শর্ট রেঞ্জ এয়ারডিফেন্স রাডার এবং মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল সংযোজনের ঘোষণাও দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় বরিশাল ও সিলেটে নতুন দুটি বিমান বাহিনী ঘাঁটি স্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা করেন শেখ হাসিনা।

বিমান বাহিনী সদস্যদের দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশ ও জাতির যেকোনো প্রয়োজনে ভূমিকা রাখতে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে দেশ-বিদেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবেলা, উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণে বিমান বাহিনীর অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তাৎপর্যপূর্ণ অবসান বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।’

মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এবং স্বাধীনতার পর পর দেশ ও জাতির কল্যাণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বিমান বাহিনীকে স্বাধীনতা পদক দেয়ার কথাও তুলে ধরেনর শেখ হাসিনা। আর এজন্য বিমান বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

এর আগে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী সকালে ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশে রওয়ানা হন। বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী যশোরের বিএএফ (বাংলাদেশ এয়ারফোর্স) একাডেমিকে পৌঁছেন। এরপর তিনি একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াড্রনকে জাতীয় পতাকা তুলে দেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় প্যারেড। এরপর রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় প্যারেড।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর দুইজন এবং বিমান বাহিনীর দুইজন নারী পাইলট প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফ্লাইং ব্যাচ গ্রহণ করেন। এরপর বিভিন্ন ফ্লাইং ব্যাচকে ট্রফি এবং সম্মানসূচক তলোয়ার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে নবীন ক্যাডেটরা সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য এবং বিমানবাহিনীর কর্তব্য সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালনের শপথ নেয়। সবশেষে হয় বিমান বাহিনীর উড্ডয়ন মহড়া। বাহিনীর নানা ধরনের যুদ্ধ এবং পরিবহন বিমান তাদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করে এ সময়।

যশোরের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা। বর্তমান মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এটাই আওয়ামী লীগ সভাপতির যশোরে প্রথম জনসভা।