ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’:জামায়াত নেতার পোস্টাল ব্যালট ডাকাতি হতে দেখা যাচ্ছে: তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি : জামায়াত আমির বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিট দেওয়ার মালিক আল্লাহ ও জনগণ : মির্জা আব্বাস ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম

রসিক নির্বাচনে জনগণ আ.লীগের চারিত্রিক মুখোশ খুলে দেবে: টুকু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে বিএনপি সরে যাবে না বরং শেষ পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রংপুর সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ইকবাল হাসান টুকু। রবিবার রংপুর মহানগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিএনপির নেতা।

২০১২ সালে রসিকের প্রথম নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বর্তমান বিএনপির দলীয় প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা। কিন্তু সেনা মোতায়েন না হওয়ায় ভোটের আগের রাতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এবারও তিনি সেনা মোতায়েন নিয়ে সরব। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম নুরুল হুদা ৭ ডিসেম্বর রংপুরে এসে বাবলার দাবি নাকচ করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইকবাল হাসান টুকু রংপুর সিটি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘তবু আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকতে চাই। নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেখতে চাই সরকার আসলে কী করে। তারা নির্বাচনে কারচুপি করে কি না।’

বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো হয়নি। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থীরা যেভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদের নির্বাচন কমিশন কিছুই বলে না। অথচ আমাদের প্রার্থী হোটেলে বসে চা পান করলেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়।’

বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থীর সম্ভাব্য পুলিং এজেন্টদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন টুকু। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে তারা ভোট না পেলেও জয়ী হবে। শুধু তাই নয় ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট থাকলে পরিণতি খারাপ হবে।’

আসলে সরকার প্রথম থেকে চাইছিল না বিএনপি রংপুর সিটি নির্বাচনে অংশ নিক-এমন দাবি করে টুকু বলেন, ‘তার পরেও আমরা নির্বাচনে অংশ নেবার সিদ্ধান্ত নিই। তখন সরকার আমাদের প্রার্থী কাওছার জামান বাবলাকে বারবার ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেবার চেষ্টা করে। কিন্তু হাইকোর্টে তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়।’

আওয়ামী লীগ একক দল হিসেবে নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চেয়েছিল মন্তব্য করে টুকু বলেন, ‘কিন্তু সে সুযোগ তাদের (আ.লীগ) দেয়া হবে না। দেশের জনগণ তাদের চারিত্রিক মুখোশ খুলে দেবে।’

সাংবাদিক সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিজু, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’:জামায়াত নেতার

রসিক নির্বাচনে জনগণ আ.লীগের চারিত্রিক মুখোশ খুলে দেবে: টুকু

আপডেট সময় ১০:২৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে বিএনপি সরে যাবে না বরং শেষ পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রংপুর সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ইকবাল হাসান টুকু। রবিবার রংপুর মহানগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিএনপির নেতা।

২০১২ সালে রসিকের প্রথম নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বর্তমান বিএনপির দলীয় প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা। কিন্তু সেনা মোতায়েন না হওয়ায় ভোটের আগের রাতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এবারও তিনি সেনা মোতায়েন নিয়ে সরব। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম নুরুল হুদা ৭ ডিসেম্বর রংপুরে এসে বাবলার দাবি নাকচ করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইকবাল হাসান টুকু রংপুর সিটি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘তবু আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকতে চাই। নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেখতে চাই সরকার আসলে কী করে। তারা নির্বাচনে কারচুপি করে কি না।’

বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো হয়নি। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থীরা যেভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদের নির্বাচন কমিশন কিছুই বলে না। অথচ আমাদের প্রার্থী হোটেলে বসে চা পান করলেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়।’

বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থীর সম্ভাব্য পুলিং এজেন্টদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন টুকু। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে তারা ভোট না পেলেও জয়ী হবে। শুধু তাই নয় ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট থাকলে পরিণতি খারাপ হবে।’

আসলে সরকার প্রথম থেকে চাইছিল না বিএনপি রংপুর সিটি নির্বাচনে অংশ নিক-এমন দাবি করে টুকু বলেন, ‘তার পরেও আমরা নির্বাচনে অংশ নেবার সিদ্ধান্ত নিই। তখন সরকার আমাদের প্রার্থী কাওছার জামান বাবলাকে বারবার ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেবার চেষ্টা করে। কিন্তু হাইকোর্টে তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়।’

আওয়ামী লীগ একক দল হিসেবে নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চেয়েছিল মন্তব্য করে টুকু বলেন, ‘কিন্তু সে সুযোগ তাদের (আ.লীগ) দেয়া হবে না। দেশের জনগণ তাদের চারিত্রিক মুখোশ খুলে দেবে।’

সাংবাদিক সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিজু, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ প্রমুখ।