ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

লালমনিরহাট মুক্ত দিবসে নানা আয়োজন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আজ ৬ ডিসেম্বর। লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলা হানাদার বাহিনী হাত থেকে শত্রুমুক্ত হয়। এর আগে পাক হানাদার বাহিনী ৩ মার্চ লালমনিরহাট দখল করে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস।

দিবসটি উৎযাপনে বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি হাইস্কুল পাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় অংশ নেয় মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী, বেসরকারি সামাজিক সংস্থা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ।

এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযেদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ আরো নানা আয়োজন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বীরমুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহরকে পাক হানাদার মুক্ত করতে তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ পরিচালনা করে। মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক হানাদার বাহিনী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও তাদের দোসর অবাঙ্গালিরা দুটি স্পেশাল ট্রেনযোগে রংপুর ও সৈয়দপুরে পালিয়ে যায়। ফলে লালমনিরহাট জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর’৭১ সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে রিকশাস্ট্যান্ডে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের যোগসাজসে গণহত্যা চালানো হয়। এসময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, বুদ্ধিজীবীসহ ৩৭৩ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। পরে গণহত্যায় নিহত লোকদের রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি ডোবায় ফেলে দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

লালমনিরহাট মুক্ত দিবসে নানা আয়োজন

আপডেট সময় ০৫:৩২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আজ ৬ ডিসেম্বর। লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলা হানাদার বাহিনী হাত থেকে শত্রুমুক্ত হয়। এর আগে পাক হানাদার বাহিনী ৩ মার্চ লালমনিরহাট দখল করে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস।

দিবসটি উৎযাপনে বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি হাইস্কুল পাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় অংশ নেয় মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী, বেসরকারি সামাজিক সংস্থা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ।

এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযেদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ আরো নানা আয়োজন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বীরমুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহরকে পাক হানাদার মুক্ত করতে তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ পরিচালনা করে। মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক হানাদার বাহিনী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও তাদের দোসর অবাঙ্গালিরা দুটি স্পেশাল ট্রেনযোগে রংপুর ও সৈয়দপুরে পালিয়ে যায়। ফলে লালমনিরহাট জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর’৭১ সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে রিকশাস্ট্যান্ডে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের যোগসাজসে গণহত্যা চালানো হয়। এসময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, বুদ্ধিজীবীসহ ৩৭৩ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। পরে গণহত্যায় নিহত লোকদের রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি ডোবায় ফেলে দেয়া হয়।