ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম গ্রেফতার সাপাহার সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী রোনালদোর জোড়া আঘাত, পর্তুগালের ৫-০ গোলের বড় জয় ভারত থেকে আমদানি ৯.৬২ বিলিয়ন ডলার, রপ্তানি ১.৭৬ বিলিয়ন মারা গেছেন কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল সেই কবির হোসেন বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী:মাহদী আমিন

লালমনিরহাট মুক্ত দিবসে নানা আয়োজন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আজ ৬ ডিসেম্বর। লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলা হানাদার বাহিনী হাত থেকে শত্রুমুক্ত হয়। এর আগে পাক হানাদার বাহিনী ৩ মার্চ লালমনিরহাট দখল করে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস।

দিবসটি উৎযাপনে বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি হাইস্কুল পাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় অংশ নেয় মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী, বেসরকারি সামাজিক সংস্থা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ।

এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযেদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ আরো নানা আয়োজন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বীরমুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহরকে পাক হানাদার মুক্ত করতে তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ পরিচালনা করে। মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক হানাদার বাহিনী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও তাদের দোসর অবাঙ্গালিরা দুটি স্পেশাল ট্রেনযোগে রংপুর ও সৈয়দপুরে পালিয়ে যায়। ফলে লালমনিরহাট জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর’৭১ সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে রিকশাস্ট্যান্ডে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের যোগসাজসে গণহত্যা চালানো হয়। এসময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, বুদ্ধিজীবীসহ ৩৭৩ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। পরে গণহত্যায় নিহত লোকদের রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি ডোবায় ফেলে দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার

লালমনিরহাট মুক্ত দিবসে নানা আয়োজন

আপডেট সময় ০৫:৩২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আজ ৬ ডিসেম্বর। লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলা হানাদার বাহিনী হাত থেকে শত্রুমুক্ত হয়। এর আগে পাক হানাদার বাহিনী ৩ মার্চ লালমনিরহাট দখল করে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত দিবস।

দিবসটি উৎযাপনে বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি হাইস্কুল পাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় অংশ নেয় মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী, বেসরকারি সামাজিক সংস্থা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ।

এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযেদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ আরো নানা আয়োজন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বীরমুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহরকে পাক হানাদার মুক্ত করতে তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ পরিচালনা করে। মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক হানাদার বাহিনী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও তাদের দোসর অবাঙ্গালিরা দুটি স্পেশাল ট্রেনযোগে রংপুর ও সৈয়দপুরে পালিয়ে যায়। ফলে লালমনিরহাট জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর’৭১ সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে রিকশাস্ট্যান্ডে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের যোগসাজসে গণহত্যা চালানো হয়। এসময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, বুদ্ধিজীবীসহ ৩৭৩ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। পরে গণহত্যায় নিহত লোকদের রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি ডোবায় ফেলে দেয়া হয়।