ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চালু হলো রাজশাহী রেশম কারখানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে চালু হয়েছে রাজশাহী রেশম কারখানা। সোমবার সকালে কারখানার একটি লুমে পরীক্ষামূলকভাবে রেশম কাপড় উৎপাদনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। উদ্বোধনের সময় বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মূলধন না থাকার অযুহাতে ২০০২ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি সরকার কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করে। সেদিনের পর কারখানার লুমের চাকা ঘোরে নি। পরে সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা কারখানাটি চালুর উদ্যোগ নেন।

সম্প্রতি তিনি রেশম কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে বন্ধ লুমগুলো চালুর উপযোগী করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এরপর শুরু হয় পুরনো লুমগুলোর মেরামতের কাজ। একটি লুম চালানোর উপযোগী হলে সংসদ সদস্য বাদশা গিয়ে সেটি পরীক্ষা করে দেখেন।

রাজশাহী রেশম কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী দেড় মাসের ভেতর কারখানার অন্তত পাঁচটি লুম চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে কারখানার সব লুমই চালু করা হবে। এর ফলে রেশমের হারানো ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে রাজশাহীতে। কারখানায় এখন মোট ৬৩টি লুম আছে।

এর মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করার আগে উৎপাদন চলতো পুরনো ৩৫টি লুমে। নতুন ২৮টি লুম চালুর আগেই কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বন্ধের আগে কারখানাটি বছরে এক লাখ ৬ হাজার মিটার রেশম কাপড় উৎপাদন করতো। এখন ৬৩টি লুম চালু হলে বছরে কাপড় উৎপাদন হবে দুই লাখ ৮৭ হাজার মিটার।

রেশম বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ করার আগে কারখানাটিতে ৩শ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করতেন। বন্ধের পর সব শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে যারা এখনও কাজ করতে পারেন, তাদের কারখানায় কাজের সুযোগ দেয়া হবে। লুমগুলো চালুর সঙ্গে সঙ্গে পর্যায়ক্রমে এসব কর্মীদের ডাকা হবে।

রাজশাহী নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় ১৯৬১ সালে সাড়ে ১৫ বিঘা জমির ওপর স্থাপিত হয় রাজশাহী রেশম কারখানা। বন্ধ ঘোষণার পর অনেক আন্দোলন করেও কারখানাটি চালু করতে পারেনি স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন পর আবার সেই রেশম কারখানায় শুরু হলো রেশম কাপড়ের উৎপাদন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চালু হলো রাজশাহী রেশম কারখানা

আপডেট সময় ০৩:০২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে চালু হয়েছে রাজশাহী রেশম কারখানা। সোমবার সকালে কারখানার একটি লুমে পরীক্ষামূলকভাবে রেশম কাপড় উৎপাদনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। উদ্বোধনের সময় বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মূলধন না থাকার অযুহাতে ২০০২ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি সরকার কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করে। সেদিনের পর কারখানার লুমের চাকা ঘোরে নি। পরে সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা কারখানাটি চালুর উদ্যোগ নেন।

সম্প্রতি তিনি রেশম কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে বন্ধ লুমগুলো চালুর উপযোগী করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এরপর শুরু হয় পুরনো লুমগুলোর মেরামতের কাজ। একটি লুম চালানোর উপযোগী হলে সংসদ সদস্য বাদশা গিয়ে সেটি পরীক্ষা করে দেখেন।

রাজশাহী রেশম কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী দেড় মাসের ভেতর কারখানার অন্তত পাঁচটি লুম চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে কারখানার সব লুমই চালু করা হবে। এর ফলে রেশমের হারানো ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে রাজশাহীতে। কারখানায় এখন মোট ৬৩টি লুম আছে।

এর মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করার আগে উৎপাদন চলতো পুরনো ৩৫টি লুমে। নতুন ২৮টি লুম চালুর আগেই কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বন্ধের আগে কারখানাটি বছরে এক লাখ ৬ হাজার মিটার রেশম কাপড় উৎপাদন করতো। এখন ৬৩টি লুম চালু হলে বছরে কাপড় উৎপাদন হবে দুই লাখ ৮৭ হাজার মিটার।

রেশম বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ করার আগে কারখানাটিতে ৩শ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করতেন। বন্ধের পর সব শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে যারা এখনও কাজ করতে পারেন, তাদের কারখানায় কাজের সুযোগ দেয়া হবে। লুমগুলো চালুর সঙ্গে সঙ্গে পর্যায়ক্রমে এসব কর্মীদের ডাকা হবে।

রাজশাহী নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় ১৯৬১ সালে সাড়ে ১৫ বিঘা জমির ওপর স্থাপিত হয় রাজশাহী রেশম কারখানা। বন্ধ ঘোষণার পর অনেক আন্দোলন করেও কারখানাটি চালু করতে পারেনি স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন পর আবার সেই রেশম কারখানায় শুরু হলো রেশম কাপড়ের উৎপাদন।