ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

জগন্নাথে শিক্ষিকাকে অপমান, ডিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অপমান, লাঞ্ছনা ও মর্যাদাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত পত্র দিয়ে এর প্রতিকার চেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭-৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ‘ই’ ইউনিটের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই শিক্ষিকা সেখানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেন এবং ফলাফল ও ডিউটি লিস্টে শিক্ষিকার স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও তাকে অনুপস্থিত দেখান কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম।

অনুপস্থিত দেখানোর কারণ জানতে চাইলে ডিন ওই শিক্ষিকাকে হুমকি দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন করতে পারেন না এবং নোংরাভাবে মুখোবিকৃতি করে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। এমনকি কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো মিটিংয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের কেন ডাকা হয় না জানতে চাইলে ডিন বলেন এটা তাঁর একক ইচ্ছা। এ ব্যাপারে তিনি কারো কাছে জবাব দিতে রাজি নন। এ ব্যাপারে উপাচার্যকে বললেও কোনো লাভ হবে না বলেও হুমকি দেন ওই ডিন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই শিক্ষিকা দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে এ অনুষদের কোনো বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানানো হয় না। এ অনুষদের সব কার্যক্রম ডিন একার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালনা করছেন। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি উপাচার্যকে লিখিত আকারে অবহিত করতে বলেন। তাই উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

এ বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের সঙ্গে বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমি অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। কিন্তু এখনো সেটা খোলা হয়নি। কোনো গুরুতর অপরাধ হলে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের

জগন্নাথে শিক্ষিকাকে অপমান, ডিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অপমান, লাঞ্ছনা ও মর্যাদাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত পত্র দিয়ে এর প্রতিকার চেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭-৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ‘ই’ ইউনিটের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই শিক্ষিকা সেখানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেন এবং ফলাফল ও ডিউটি লিস্টে শিক্ষিকার স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও তাকে অনুপস্থিত দেখান কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম।

অনুপস্থিত দেখানোর কারণ জানতে চাইলে ডিন ওই শিক্ষিকাকে হুমকি দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন করতে পারেন না এবং নোংরাভাবে মুখোবিকৃতি করে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। এমনকি কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো মিটিংয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের কেন ডাকা হয় না জানতে চাইলে ডিন বলেন এটা তাঁর একক ইচ্ছা। এ ব্যাপারে তিনি কারো কাছে জবাব দিতে রাজি নন। এ ব্যাপারে উপাচার্যকে বললেও কোনো লাভ হবে না বলেও হুমকি দেন ওই ডিন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই শিক্ষিকা দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে এ অনুষদের কোনো বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানানো হয় না। এ অনুষদের সব কার্যক্রম ডিন একার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালনা করছেন। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি উপাচার্যকে লিখিত আকারে অবহিত করতে বলেন। তাই উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

এ বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের সঙ্গে বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমি অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। কিন্তু এখনো সেটা খোলা হয়নি। কোনো গুরুতর অপরাধ হলে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’