ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জগন্নাথে শিক্ষিকাকে অপমান, ডিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অপমান, লাঞ্ছনা ও মর্যাদাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত পত্র দিয়ে এর প্রতিকার চেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭-৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ‘ই’ ইউনিটের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই শিক্ষিকা সেখানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেন এবং ফলাফল ও ডিউটি লিস্টে শিক্ষিকার স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও তাকে অনুপস্থিত দেখান কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম।

অনুপস্থিত দেখানোর কারণ জানতে চাইলে ডিন ওই শিক্ষিকাকে হুমকি দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন করতে পারেন না এবং নোংরাভাবে মুখোবিকৃতি করে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। এমনকি কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো মিটিংয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের কেন ডাকা হয় না জানতে চাইলে ডিন বলেন এটা তাঁর একক ইচ্ছা। এ ব্যাপারে তিনি কারো কাছে জবাব দিতে রাজি নন। এ ব্যাপারে উপাচার্যকে বললেও কোনো লাভ হবে না বলেও হুমকি দেন ওই ডিন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই শিক্ষিকা দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে এ অনুষদের কোনো বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানানো হয় না। এ অনুষদের সব কার্যক্রম ডিন একার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালনা করছেন। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি উপাচার্যকে লিখিত আকারে অবহিত করতে বলেন। তাই উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

এ বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের সঙ্গে বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমি অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। কিন্তু এখনো সেটা খোলা হয়নি। কোনো গুরুতর অপরাধ হলে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জগন্নাথে শিক্ষিকাকে অপমান, ডিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অপমান, লাঞ্ছনা ও মর্যাদাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত পত্র দিয়ে এর প্রতিকার চেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭-৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ‘ই’ ইউনিটের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই শিক্ষিকা সেখানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেন এবং ফলাফল ও ডিউটি লিস্টে শিক্ষিকার স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও তাকে অনুপস্থিত দেখান কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম।

অনুপস্থিত দেখানোর কারণ জানতে চাইলে ডিন ওই শিক্ষিকাকে হুমকি দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন করতে পারেন না এবং নোংরাভাবে মুখোবিকৃতি করে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। এমনকি কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো মিটিংয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের কেন ডাকা হয় না জানতে চাইলে ডিন বলেন এটা তাঁর একক ইচ্ছা। এ ব্যাপারে তিনি কারো কাছে জবাব দিতে রাজি নন। এ ব্যাপারে উপাচার্যকে বললেও কোনো লাভ হবে না বলেও হুমকি দেন ওই ডিন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই শিক্ষিকা দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘কলা অনুষদের অর্থসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে এ অনুষদের কোনো বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানানো হয় না। এ অনুষদের সব কার্যক্রম ডিন একার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালনা করছেন। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি উপাচার্যকে লিখিত আকারে অবহিত করতে বলেন। তাই উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

এ বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিমের সঙ্গে বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমি অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। কিন্তু এখনো সেটা খোলা হয়নি। কোনো গুরুতর অপরাধ হলে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’