ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডাক্তার সাহেবরা আমাকে বাংলাদেশে মরতে দেন: প্রিয়ভাষিণী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালে ৮ নভেম্বর ভর্তি হয়েছিলেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। সেখান থেকে দু’দিন বাসায় রাখার পর গত বৃহস্পতিবার তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে আনা হয়। ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর চিকিৎসক জানান, আপাত যা দেখা যাচ্ছে তাই সব নয়। উনার অবস্থা খারাপ। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।

ক্লান্ত শরীরে ফেরদৌসীর কণ্ঠে বেরিয়ে এতো বলিষ্ঠ কিছু বাক্য- ‘আমার দেশ বেস্ট, আমার দেশের ডক্টর বেস্ট, আমার দেশের ট্রিটমেন্ট বেস্ট, আমার বেস্ট আত্মীয়-স্বজন, আমার বেস্ট বন্ধুবান্ধব সবই এখানে। বিদেশেতো আমার কিছু নেই। সেখানে আমি কেন যাবো?’

চিকিৎসক জানান, উনাকে (ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী) যখন ল্যাব এইড হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ড থেকে বলা হয়েছে যে আপনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান, তখন তিনি চুপ করে শুনলেন। সব চিকিৎসক অবাক হয়ে দেখলেন, হঠাৎ করে তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আর একটু স্থির থেকে তিনি গান গেয়ে উঠলেন- ‘এই দেশেতে জন্ম যেনো, এই দেশেতে মরি।’ এরপর সাবলীলভাবে বললেন, ‘ডাক্তার সাহেবরা আমাকে বাংলাদেশে মরতে দেন।’

সেই অভিজ্ঞ চিকিৎসা নিজেও অনেকটাই আবেগ্লাপ্লুত হয়ে বললেন, ‘উনার চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ অনেকে যেভাবে খরচ বহন করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন তাতে উনি চাইলে যেকোনো সময় বিদেশ যেতে পারেন চিকিৎসা করাতে। কিন্তু এদেশ ছেড়ে তিনি যাবেন না। উনি বিদেশ যাবেন না।’

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী মেয়ে ফুলেশ্বরী বলেন, ‘উনার পেসমেকার বসানো হয়েছে। ডায়াবেটিক হাই। কিডনি বিকল। ৪ বার হার্ট ফেইল করেছে চলতি মাসে। এক পা ভাঙ্গা। একটা ট্রমার মধ্যে চলে গেছেন উনি।’ ‘যখন ইচ্ছা চুপ করে থাকেন। কথা বলেন না। আমি চাই, আমার সাথে একটু কথা বলুক। একটা দুইটা শব্দ বলেন-এই,’ যোগ করেন ফুলেশ্বরী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডাক্তার সাহেবরা আমাকে বাংলাদেশে মরতে দেন: প্রিয়ভাষিণী

আপডেট সময় ০৩:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালে ৮ নভেম্বর ভর্তি হয়েছিলেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। সেখান থেকে দু’দিন বাসায় রাখার পর গত বৃহস্পতিবার তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে আনা হয়। ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর চিকিৎসক জানান, আপাত যা দেখা যাচ্ছে তাই সব নয়। উনার অবস্থা খারাপ। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।

ক্লান্ত শরীরে ফেরদৌসীর কণ্ঠে বেরিয়ে এতো বলিষ্ঠ কিছু বাক্য- ‘আমার দেশ বেস্ট, আমার দেশের ডক্টর বেস্ট, আমার দেশের ট্রিটমেন্ট বেস্ট, আমার বেস্ট আত্মীয়-স্বজন, আমার বেস্ট বন্ধুবান্ধব সবই এখানে। বিদেশেতো আমার কিছু নেই। সেখানে আমি কেন যাবো?’

চিকিৎসক জানান, উনাকে (ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী) যখন ল্যাব এইড হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ড থেকে বলা হয়েছে যে আপনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান, তখন তিনি চুপ করে শুনলেন। সব চিকিৎসক অবাক হয়ে দেখলেন, হঠাৎ করে তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আর একটু স্থির থেকে তিনি গান গেয়ে উঠলেন- ‘এই দেশেতে জন্ম যেনো, এই দেশেতে মরি।’ এরপর সাবলীলভাবে বললেন, ‘ডাক্তার সাহেবরা আমাকে বাংলাদেশে মরতে দেন।’

সেই অভিজ্ঞ চিকিৎসা নিজেও অনেকটাই আবেগ্লাপ্লুত হয়ে বললেন, ‘উনার চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ অনেকে যেভাবে খরচ বহন করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন তাতে উনি চাইলে যেকোনো সময় বিদেশ যেতে পারেন চিকিৎসা করাতে। কিন্তু এদেশ ছেড়ে তিনি যাবেন না। উনি বিদেশ যাবেন না।’

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী মেয়ে ফুলেশ্বরী বলেন, ‘উনার পেসমেকার বসানো হয়েছে। ডায়াবেটিক হাই। কিডনি বিকল। ৪ বার হার্ট ফেইল করেছে চলতি মাসে। এক পা ভাঙ্গা। একটা ট্রমার মধ্যে চলে গেছেন উনি।’ ‘যখন ইচ্ছা চুপ করে থাকেন। কথা বলেন না। আমি চাই, আমার সাথে একটু কথা বলুক। একটা দুইটা শব্দ বলেন-এই,’ যোগ করেন ফুলেশ্বরী।