ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তলিয়ে যাবে চট্টগ্রামসহ বিশ্বের ২৯২টি শহর: নাসা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হিমবাহ আর দুই মেরুর বরফ দ্রুত হারে গলতে থাকায় আগামী ১০০ বছর অর্থাৎ ২১০০ সালের পর বাংলাদেশের বন্দরনগর চট্টগ্রাম সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নাসা দাবি করছে, এই সময়ে মুম্বাই, কলম্বো, হংকং, সাংহাই, টোকিও, লন্ডন, নিউইয়র্কসহ বিশ্বের ২৯২টি শহর তলিয়ে যাবে পানিতে।

হিমবাহ ও দুই মেরুর বরফ দ্রুত হারে গলার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার অংশে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ ও ভারত।

উষ্ণায়নের জন্য পৃথিবীর সমুদ্রতল কতটা উঠতে পারে ১০ ও ১০০ বছরে তার পূর্বাভাস দিতে গ্র্যাডিয়েন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাপিং (জিএফএম) প্রযুক্তি এনেছে নাসার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরি (জেপিএল)। আগামী ১০০ বছর পর বিশ্বের কোন কোন শহর পানির নিচে চলে যেতে পারে তার একটি সম্ভাব্য চিত্র প্রকাশ করে নাসা।

নাসার সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, সমুদ্রের পানির স্তর আর ১ মিটার বাড়লেই ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তত ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা সমুদ্রে তলিয়ে যাবে।

ভারতের ম্যাঙ্গালোর শহর
উষ্ণায়নের ফলে ম্যাঙ্গালোরে সমুদ্রের পানির স্তর ১০০ বছর পর বাড়বে ১৫.৯৮ সেন্টিমিটার। এতে একেবারেই তলিয়ে যাবে ম্যাঙ্গালোর শহর। আগামী শতাব্দীতে কোনো চিহ্নই থাকবে না এই শহরের।

ভারতের বাণিজ্য নগরী মুম্বাই
ভারতের প্রাণ মুম্বাইও বাঁচবে না এই ধ্বংসের হাত থেকে। নাসা জানায়, যে হারে সমুদ্রের পানির স্তর বাড়ছে, তাতে ১০০ বছর পর পানিতে তলিয়ে যাবে ভারতের মুম্বাই নগরী। তলিয়ে যাবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বন্দর শহর কাকিনাড়াও।

বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম
নাসার অন্যতম গবেষক বিজ্ঞানী সুরেন্দ্র অধিকারী বলছেন, এই ধ্বংসে তালিকায় পড়বে বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। হারিয়ে যাবে পানির অতলে।

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো
১০০ বছর পর সমুদ্রে পুরোপুরি ডুবে যাবে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো।

বাদ যাবে না হংকং-সাংহাই
গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ আর তার লাগোয়া এলাকাগুলোর অবস্থাও হবে করুণ। নাসার গবেষণায়, সমুদ্রের পানির স্তর যেভাবে হু হু করে বেড়ে চলছে, তাতে করে ব্রিটিশদের হাত থেকে পাকাপাকিভাবে নিজেদের করে নেয়া সাধের হংকং আগামী ১০০ বছর পর পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

একই সঙ্গে হারিয়ে যাবে চীনের অন্যতম ব্যস্ত বন্দর শহর সাংহাই।

হতভাগা জাপান
নাগাসাকি-হিরোশিমা ও ভূমিকম্পে নাস্তানাবুদ হওয়া জাপানও এই ক্ষতের বাইরে থাকবে না। দ্রুত হিমবাহ আর দুই মেরুর বরফ গলার ফলে ১০০ বছর পর সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে জাপানের রাজধানী শহর টোকিও।

রেহাই পাবে না নিউইয়র্ক ও লন্ডন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যতই উন্নতি করুক প্রকৃতির এই বিপরর‌্যয় থেকে রেহাই পাবে না বিশ্বমোড়ল আমেরিকার স্ট্যাচু অব লিবার্টি শহর নিউ ইয়র্ক। ১০০ বছর পর পানিতে তলিয়ে যাবে এই মেটাসিটি।

নাসার সেই প্রযুক্তি বলছে, ২১০০ সালে সমুদ্রতল উঠে আসবে ০.৫১ মিটার থেকে ১.৩১ মিটার। তার ফলে জলের অতলে তলিয়ে যাবে সাহেব-বাবুদের দেশ ব্রিটেনের লন্ডন শহরটিও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

তলিয়ে যাবে চট্টগ্রামসহ বিশ্বের ২৯২টি শহর: নাসা

আপডেট সময় ১২:১৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হিমবাহ আর দুই মেরুর বরফ দ্রুত হারে গলতে থাকায় আগামী ১০০ বছর অর্থাৎ ২১০০ সালের পর বাংলাদেশের বন্দরনগর চট্টগ্রাম সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নাসা দাবি করছে, এই সময়ে মুম্বাই, কলম্বো, হংকং, সাংহাই, টোকিও, লন্ডন, নিউইয়র্কসহ বিশ্বের ২৯২টি শহর তলিয়ে যাবে পানিতে।

হিমবাহ ও দুই মেরুর বরফ দ্রুত হারে গলার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার অংশে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ ও ভারত।

উষ্ণায়নের জন্য পৃথিবীর সমুদ্রতল কতটা উঠতে পারে ১০ ও ১০০ বছরে তার পূর্বাভাস দিতে গ্র্যাডিয়েন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাপিং (জিএফএম) প্রযুক্তি এনেছে নাসার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরি (জেপিএল)। আগামী ১০০ বছর পর বিশ্বের কোন কোন শহর পানির নিচে চলে যেতে পারে তার একটি সম্ভাব্য চিত্র প্রকাশ করে নাসা।

নাসার সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, সমুদ্রের পানির স্তর আর ১ মিটার বাড়লেই ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তত ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা সমুদ্রে তলিয়ে যাবে।

ভারতের ম্যাঙ্গালোর শহর
উষ্ণায়নের ফলে ম্যাঙ্গালোরে সমুদ্রের পানির স্তর ১০০ বছর পর বাড়বে ১৫.৯৮ সেন্টিমিটার। এতে একেবারেই তলিয়ে যাবে ম্যাঙ্গালোর শহর। আগামী শতাব্দীতে কোনো চিহ্নই থাকবে না এই শহরের।

ভারতের বাণিজ্য নগরী মুম্বাই
ভারতের প্রাণ মুম্বাইও বাঁচবে না এই ধ্বংসের হাত থেকে। নাসা জানায়, যে হারে সমুদ্রের পানির স্তর বাড়ছে, তাতে ১০০ বছর পর পানিতে তলিয়ে যাবে ভারতের মুম্বাই নগরী। তলিয়ে যাবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বন্দর শহর কাকিনাড়াও।

বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম
নাসার অন্যতম গবেষক বিজ্ঞানী সুরেন্দ্র অধিকারী বলছেন, এই ধ্বংসে তালিকায় পড়বে বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। হারিয়ে যাবে পানির অতলে।

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো
১০০ বছর পর সমুদ্রে পুরোপুরি ডুবে যাবে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো।

বাদ যাবে না হংকং-সাংহাই
গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ আর তার লাগোয়া এলাকাগুলোর অবস্থাও হবে করুণ। নাসার গবেষণায়, সমুদ্রের পানির স্তর যেভাবে হু হু করে বেড়ে চলছে, তাতে করে ব্রিটিশদের হাত থেকে পাকাপাকিভাবে নিজেদের করে নেয়া সাধের হংকং আগামী ১০০ বছর পর পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

একই সঙ্গে হারিয়ে যাবে চীনের অন্যতম ব্যস্ত বন্দর শহর সাংহাই।

হতভাগা জাপান
নাগাসাকি-হিরোশিমা ও ভূমিকম্পে নাস্তানাবুদ হওয়া জাপানও এই ক্ষতের বাইরে থাকবে না। দ্রুত হিমবাহ আর দুই মেরুর বরফ গলার ফলে ১০০ বছর পর সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে জাপানের রাজধানী শহর টোকিও।

রেহাই পাবে না নিউইয়র্ক ও লন্ডন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যতই উন্নতি করুক প্রকৃতির এই বিপরর‌্যয় থেকে রেহাই পাবে না বিশ্বমোড়ল আমেরিকার স্ট্যাচু অব লিবার্টি শহর নিউ ইয়র্ক। ১০০ বছর পর পানিতে তলিয়ে যাবে এই মেটাসিটি।

নাসার সেই প্রযুক্তি বলছে, ২১০০ সালে সমুদ্রতল উঠে আসবে ০.৫১ মিটার থেকে ১.৩১ মিটার। তার ফলে জলের অতলে তলিয়ে যাবে সাহেব-বাবুদের দেশ ব্রিটেনের লন্ডন শহরটিও।