ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

গাজীপুরে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনচালক নিহত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের বক্তারপুর এলাকার রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষের পর বন্ধ থাকা ট্রেন চলাচল ছয় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে। ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় সহকারী ট্রেন চালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০ জনের মতো ট্রেন যাত্রী। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকের ওই দুর্ঘটনায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ধূমকেতু, সুন্দরবন, একতা, রংপুর এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী। ছয় ঘণ্টা পর সকাল আটটার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দুর্ঘটনায় নিহত নূর আলম শরীফ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শশা গ্রামের মমিন শরীফের ছেলে। তিনি ট্রেনের সহকারী চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর ইব্রাহিম চৌধুরী জানান, রাত দুইটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি কালিয়াকৈরের বক্তারপুর রেলক্রসিংয়ে পৌঁছলে রয়েল গ্রুপের একটি বিকল ট্রাকের সঙ্গে ট্রেনটির সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রেনের সহকারী চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হয় অন্তত ৫০ ট্রেনযাত্রী। পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সাতটি বগি রেখে চারটি বগি নিয়ে ট্রেনটি খাড়াজোড়া এলাকায় পৌঁছে।

দুর্ঘটনার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনের বগিগুলো সরিয়ে নেয়া হলে ছয় ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাইপাস সড়কের রেলক্রসিংয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিবাহী ট্রাকটি বিকল আটকে যায়। ট্রেন আসতে দেখে ট্রাকের চালক ও হেলপার গাড়ি থেকে নেমে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ভয়াবহ সংঘর্ষে ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে লাফ দিতে গিয়ে আহত হন।

লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রেনটি থামাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম। ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পরই ট্রেনের ব্রেকসিগন্যাল ও হাওয়া বের হয়ে যায় এবং পিলার এসে ট্রেনের ওপর পড়ে। এ সময় ট্রেনের চালক নূর আলম শরীফ ট্রেনের ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশের মধ্যে আটকা পড়ে মারা যান।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

গাজীপুরে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনচালক নিহত

আপডেট সময় ০১:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের বক্তারপুর এলাকার রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষের পর বন্ধ থাকা ট্রেন চলাচল ছয় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে। ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় সহকারী ট্রেন চালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০ জনের মতো ট্রেন যাত্রী। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকের ওই দুর্ঘটনায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ধূমকেতু, সুন্দরবন, একতা, রংপুর এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী। ছয় ঘণ্টা পর সকাল আটটার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দুর্ঘটনায় নিহত নূর আলম শরীফ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শশা গ্রামের মমিন শরীফের ছেলে। তিনি ট্রেনের সহকারী চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর ইব্রাহিম চৌধুরী জানান, রাত দুইটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি কালিয়াকৈরের বক্তারপুর রেলক্রসিংয়ে পৌঁছলে রয়েল গ্রুপের একটি বিকল ট্রাকের সঙ্গে ট্রেনটির সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রেনের সহকারী চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হয় অন্তত ৫০ ট্রেনযাত্রী। পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সাতটি বগি রেখে চারটি বগি নিয়ে ট্রেনটি খাড়াজোড়া এলাকায় পৌঁছে।

দুর্ঘটনার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনের বগিগুলো সরিয়ে নেয়া হলে ছয় ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাইপাস সড়কের রেলক্রসিংয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিবাহী ট্রাকটি বিকল আটকে যায়। ট্রেন আসতে দেখে ট্রাকের চালক ও হেলপার গাড়ি থেকে নেমে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ভয়াবহ সংঘর্ষে ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে লাফ দিতে গিয়ে আহত হন।

লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রেনটি থামাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম। ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পরই ট্রেনের ব্রেকসিগন্যাল ও হাওয়া বের হয়ে যায় এবং পিলার এসে ট্রেনের ওপর পড়ে। এ সময় ট্রেনের চালক নূর আলম শরীফ ট্রেনের ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশের মধ্যে আটকা পড়ে মারা যান।’