ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা: জেসন গিলেস্পি

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ তার হৃদয়ে গেঁথে থাকারই কথা। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট চট্টগ্রামে খেলেছিলেন বলে নয়; ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ডাবল সেঞ্চুরিই যে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। তার মূল পরিচয় পেসার। তবে ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের কাঁদিয়ে মহাকাব্যিক ডাবল সেঞ্চুরি করে বসেন এই দীর্ঘদেহী পেসার। কার কথা বলা হচ্ছে হয়তো আন্দাজ হয়ে গেছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশ এবং টাইগার দর্শকদের প্রতি মুগ্ধতা ঝরেছে তার কণ্ঠে। ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা বলে জানিয়েছেন গিলেস্পি। সেইসঙ্গে প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশি সমর্থকদেরও।

চট্টগ্রাম টেস্টে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলতে নেমে ৪২৫ বলে ২৬টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে ২০১ রানের নান্দনিক ইনিংস উপহার দেন গিলেস্পি। এরপর আর সাদা পোশাকে খেলা হয়নি এই দীর্ঘদেহী বোলারের।আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে টেস্ট খেলতে আসছে অজিরা। বেতন-ভাতা ও রাজস্ব বণ্টন ইস্যুতে বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে স্টিভেন স্মিথদের বাংলাদেশে আসা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে গিলেস্পি টিম অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট খেলা দেখা নিয়ে মুখিয়ে আছেন।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গিলেস্পি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে তাদের দারুণ সফর দেখতে আমি মুখিয়ে আছি। আসা করি তারা খেলতে যাবে।’

এরপর বাংলাদেশের প্রশংসা করে গিলেস্পি বলেছেন, ‘ক্রিকেট খেলার জন্য এটা (বাংলাদেশ) দারুণ জায়গা। এখানকার দর্শকরা ‘পাগল’ এবং সবসময় নিজের দলকে সমর্থন দেয়ার জন্য পাশে থাকে। আর তারা অন্যান্য দলের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। (বাংলাদেশি সমর্থকরা) অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দেরও ভালোবাসে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা: জেসন গিলেস্পি

আপডেট সময় ১২:২৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ তার হৃদয়ে গেঁথে থাকারই কথা। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট চট্টগ্রামে খেলেছিলেন বলে নয়; ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ডাবল সেঞ্চুরিই যে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। তার মূল পরিচয় পেসার। তবে ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের কাঁদিয়ে মহাকাব্যিক ডাবল সেঞ্চুরি করে বসেন এই দীর্ঘদেহী পেসার। কার কথা বলা হচ্ছে হয়তো আন্দাজ হয়ে গেছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশ এবং টাইগার দর্শকদের প্রতি মুগ্ধতা ঝরেছে তার কণ্ঠে। ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা বলে জানিয়েছেন গিলেস্পি। সেইসঙ্গে প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশি সমর্থকদেরও।

চট্টগ্রাম টেস্টে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলতে নেমে ৪২৫ বলে ২৬টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে ২০১ রানের নান্দনিক ইনিংস উপহার দেন গিলেস্পি। এরপর আর সাদা পোশাকে খেলা হয়নি এই দীর্ঘদেহী বোলারের।আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে টেস্ট খেলতে আসছে অজিরা। বেতন-ভাতা ও রাজস্ব বণ্টন ইস্যুতে বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে স্টিভেন স্মিথদের বাংলাদেশে আসা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে গিলেস্পি টিম অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট খেলা দেখা নিয়ে মুখিয়ে আছেন।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গিলেস্পি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে তাদের দারুণ সফর দেখতে আমি মুখিয়ে আছি। আসা করি তারা খেলতে যাবে।’

এরপর বাংলাদেশের প্রশংসা করে গিলেস্পি বলেছেন, ‘ক্রিকেট খেলার জন্য এটা (বাংলাদেশ) দারুণ জায়গা। এখানকার দর্শকরা ‘পাগল’ এবং সবসময় নিজের দলকে সমর্থন দেয়ার জন্য পাশে থাকে। আর তারা অন্যান্য দলের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। (বাংলাদেশি সমর্থকরা) অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দেরও ভালোবাসে।’