ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্লেব্যাক থেকে বিদায় নিলেন অরিজিৎ, জানালেন একাধিক কারণ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা গতকালের ঘটনার পরে অসহিষ্ণুতা দেখতে পাচ্ছি: নাহিদ ইসলাম কাজ দেওয়ার নামে রাশিয়ায় নিয়ে পাঠানো হয় যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনও পক্ষ নেবে না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত দীর্ঘ ১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে হামলার শিকার কংগ্রেস সদস্য ইলহান শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড নওগাঁয় বিএনপির প্রচারণা চালিয়ে চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী নিহত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন: শিল্পমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রশাংসা কুড়িয়েছেন। তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন। তারা তো রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সামাজিক আন্দোলন করতে পারে। এটাও মানবাধিকারের আওতায় পারে।’

ঝালকাঠিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বরিশাল আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে শনিবার তিনি এই কথা বলেন। পরে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য সরকারের আমলে বাংলাদেশ কখনও খাদ্যে উদ্বৃত্ত রাখতে পারেনি। স্বয়ংসম্পূর্ণতাও অর্জন করতে পারেনি। বিএনপি জোট সরকারের আমলে সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল। কিন্তু আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন সারের দাবি জানাতে হয় না। তার আগেই কৃষকরা সার পেয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য যেভাবে সাড়া দেশে তাণ্ডবলীলা চালানো হয়েছিল, পেট্রোল বোমা মেরে গণহত্যা চালানো হয়েছিল, সাড়া দেশে গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল তখনও কৃষকরা সময়মত সার পেয়েছে। এর আগে ১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন স্মরণ কালের ভয়াভয় বন্যা হয়েছিল যেটা তিন মাস স্থায়ী ছিল, তখন সাড়া দুনিয়া বলেছিল দুই কোটি লোক না খেয়ে মারা যাবে। কিন্তু শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় একটি লোকও না খেয়ে মারা যায়নি। তখনও কৃষকরা সময় মত সার-ওষুধ পেয়েছে।’ সেখানে সদর উপজেলার ৬৮৪ জন কৃষকের মধ্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্লেব্যাক থেকে বিদায় নিলেন অরিজিৎ, জানালেন একাধিক কারণ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন: শিল্পমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রশাংসা কুড়িয়েছেন। তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন। তারা তো রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সামাজিক আন্দোলন করতে পারে। এটাও মানবাধিকারের আওতায় পারে।’

ঝালকাঠিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বরিশাল আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে শনিবার তিনি এই কথা বলেন। পরে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য সরকারের আমলে বাংলাদেশ কখনও খাদ্যে উদ্বৃত্ত রাখতে পারেনি। স্বয়ংসম্পূর্ণতাও অর্জন করতে পারেনি। বিএনপি জোট সরকারের আমলে সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল। কিন্তু আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন সারের দাবি জানাতে হয় না। তার আগেই কৃষকরা সার পেয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য যেভাবে সাড়া দেশে তাণ্ডবলীলা চালানো হয়েছিল, পেট্রোল বোমা মেরে গণহত্যা চালানো হয়েছিল, সাড়া দেশে গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল তখনও কৃষকরা সময়মত সার পেয়েছে। এর আগে ১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন স্মরণ কালের ভয়াভয় বন্যা হয়েছিল যেটা তিন মাস স্থায়ী ছিল, তখন সাড়া দুনিয়া বলেছিল দুই কোটি লোক না খেয়ে মারা যাবে। কিন্তু শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় একটি লোকও না খেয়ে মারা যায়নি। তখনও কৃষকরা সময় মত সার-ওষুধ পেয়েছে।’ সেখানে সদর উপজেলার ৬৮৪ জন কৃষকের মধ্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।