অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে নানা বক্তব্যের কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন প্রধান বিচারপতি। দায়িত্ব নেয়ার পর এজলাসে নানা মন্তব্যের কারণে আলোচনায় আসেন তিনি। নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচারবিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার শুনানিতে নির্বাহী বিভাগ নিয়ে তির্যক মন্তব্যের কারণে বিভিন্ন সময়ে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছেন তিনি। মামলার বাইরে গিয়ে প্রধান বিচারপতির নানা বক্তব্য রাজনীতিতেও আলোড়ন তোলে।
নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধি গেজেট প্রকাশ নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিচারবিভাগের টানাপড়েন দৃশ্যমান হয়। নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা পুরোপুরি বিভাগের আয়ত্তে আনতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খর্ব করার পক্ষে ছিলেন এস কে সিনহা।
সবশেষ সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে আপত্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের জেরে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। বিভিন্ন মহল থেকে পদত্যাগের দাবিও ওঠে। সুপ্রিমকোর্ট থেকে এস কে সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, শৃঙ্খলাভঙ্গের সুর্নিদিষ্ট ১১টি অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগের সুনির্দিষ্ট জবাব না পাওয়ায় প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বিচারকাজে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান অপর বিচারপতিরা।
এমন প্রেক্ষাপটে অসুস্থতার জন্য গেল ২ অক্টোবর একমাস দশদিনের ছুটিতে অস্ট্রেলিয়া যান প্রধান বিচারপতি। তার ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা প্রধান বিচারপতির দায়িত্বপালন করছেন। এখন সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















