ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল অনেক ঘরবাড়ি

বিকেএসপির সাত কোচের শিক্ষাসনদ জাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ব্যবহার করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সাত কোচ চাকরি নিয়েছে। জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে এই সাত কোচের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষে বুধবার মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

অভিযুক্তরা হলেন বিকেএসপির সাবেক চিফ স্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী, সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা), জুডোর বর্তমান কোচ মো. আবু বকর ছিদ্দিক, বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো.আবু সুফিয়ান চিশতী, জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী ও সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা চাকরি নেওয়ার সময় জাল শিক্ষাসনদ ব্যবহার করেছেন। ২০১৬ সালে এ ব্যাপারে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-২ এর উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

দুদক সূত্র আরও জানায়,বিকেএসপির সাবেক চিফ শ্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী বিএসসি পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ও ইস্তফা দেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর। সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বিএসএস (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি জয়েন করেন ২০১৬ সালে ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১১ মে। ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা) বি.এ পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারিতে চাকরিতে যোগদান করে এখনও বহাল আছেন।

জুডোর বর্তমান কোচ মো.আবু বকর ছিদ্দিক বি.এ (অনার্স) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো. আবু সুফিয়ান চিশতীর বি.এ (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগদান করেন ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই। জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসএস পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যোগদান করে ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১২ জুন। সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন বিএসসি (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বিকেএসপির সাত কোচের শিক্ষাসনদ জাল

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ব্যবহার করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সাত কোচ চাকরি নিয়েছে। জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে এই সাত কোচের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষে বুধবার মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

অভিযুক্তরা হলেন বিকেএসপির সাবেক চিফ স্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী, সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা), জুডোর বর্তমান কোচ মো. আবু বকর ছিদ্দিক, বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো.আবু সুফিয়ান চিশতী, জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী ও সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা চাকরি নেওয়ার সময় জাল শিক্ষাসনদ ব্যবহার করেছেন। ২০১৬ সালে এ ব্যাপারে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-২ এর উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

দুদক সূত্র আরও জানায়,বিকেএসপির সাবেক চিফ শ্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী বিএসসি পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ও ইস্তফা দেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর। সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বিএসএস (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি জয়েন করেন ২০১৬ সালে ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১১ মে। ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা) বি.এ পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারিতে চাকরিতে যোগদান করে এখনও বহাল আছেন।

জুডোর বর্তমান কোচ মো.আবু বকর ছিদ্দিক বি.এ (অনার্স) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো. আবু সুফিয়ান চিশতীর বি.এ (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগদান করেন ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই। জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসএস পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যোগদান করে ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১২ জুন। সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন বিএসসি (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল।