ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

মেজ সন্তান সবচেয়ে বুদ্ধিমান!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

যে কোনো পরিবারের মেজ সন্তানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, বাবা-মা কাকে বেশি স্নেহ করেন, তার উত্তর হবে বড় নয়তো ছোট জনকে। আর এর কারণ হলো পরিবারের মেজ সন্তানরা নিজেদেরকে অবহেলিত এবং একা মনে করেন। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের একটি অ্যানালাইসিস গ্রুপ এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানিয়েছে ভিন্ন কথা।

৫০০০ মানুষের উপর জরিপ চালিয়ে পাওয়া তথ্য মতে, মেজ সন্তানরা ব্যক্তিগত এবং কর্ম জীবনে বেশি সফলতা লাভ করেন। মেজ সন্তানদের বেশি বুদ্ধিমান এবং সফল হওয়ার পেছনে অবশ্য বেশ কিছু কারণও আছে। বড় সন্তান অনেক বেশি মনোযোগ পায় বাবা-মায়ের। আর ছোট সন্তান পায় সহানুভূতি। এর মাঝে টিকে থাকতে হয় মেজ সন্তানের। তাই ছোট বেলা থেকেই তারা বেশি ধৈর্যশীল, সহনশীল ও ডিপ্লোম্যাটিক হয়।

টিমে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়টি মেজ সন্তান অন্যদের চাইতে বেশ ভালো পারে। বড় সন্তানটি যখন জন্ম নেয়, তখন সব কিছুই তার একার থাকে। কিন্তু মেজ সন্তানের ছোট বেলা থেকেই সব ভাগাভাগি করে নিতে হয়। এরপর ছোট সন্তানের জন্মের পরে তার সঙ্গেও নিজের সবকিছু শেয়ার করতে হয়। মিলেমিশে থাকার গুনটা তাই মেজ সন্তানের মাঝেই বেশি থাকে যা পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে সফলতা নিয়ে আসে।

ইগো’র সমস্যা মেজ সন্তানের মাঝে কম থাকে। পরিবারের মেজ সন্তান হওয়ার কারণে খুব বেশি মনোযোগ পাননা তারা। আর তাই অহেতুক ইগো বা অভিমান করার সমস্যাগুলো কাটিয়ে নিতে পারেন মেজ সন্তানরা। অল্পেই সন্তুষ্ট হওয়ার মানসিকতার কারণে ব্যক্তিগত জীবনেও মেজ সন্তানরা সফল।

বন্ধু হিসেবেও মেজ সন্তানরা দারুণ। পরিবারে মনোযোগ না পেয়ে বাইরের জগতের প্রতি বেশি আকর্ষণ থাকে তাদের। সাধারণত তারা বাইরে খুবই বন্ধুবৎসল হয়। ঘরের বাইরেই আনন্দ খুঁজে নিতে পারে তারা। ফলে তাদের অনেক ভালো বন্ধু থাকে এবং নিজেরাও বন্ধু হিসেবে খুবই ভালো হয়।
সূত্র- টাইমস অব ইন্ডিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

মেজ সন্তান সবচেয়ে বুদ্ধিমান!

আপডেট সময় ১২:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

যে কোনো পরিবারের মেজ সন্তানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, বাবা-মা কাকে বেশি স্নেহ করেন, তার উত্তর হবে বড় নয়তো ছোট জনকে। আর এর কারণ হলো পরিবারের মেজ সন্তানরা নিজেদেরকে অবহেলিত এবং একা মনে করেন। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের একটি অ্যানালাইসিস গ্রুপ এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানিয়েছে ভিন্ন কথা।

৫০০০ মানুষের উপর জরিপ চালিয়ে পাওয়া তথ্য মতে, মেজ সন্তানরা ব্যক্তিগত এবং কর্ম জীবনে বেশি সফলতা লাভ করেন। মেজ সন্তানদের বেশি বুদ্ধিমান এবং সফল হওয়ার পেছনে অবশ্য বেশ কিছু কারণও আছে। বড় সন্তান অনেক বেশি মনোযোগ পায় বাবা-মায়ের। আর ছোট সন্তান পায় সহানুভূতি। এর মাঝে টিকে থাকতে হয় মেজ সন্তানের। তাই ছোট বেলা থেকেই তারা বেশি ধৈর্যশীল, সহনশীল ও ডিপ্লোম্যাটিক হয়।

টিমে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়টি মেজ সন্তান অন্যদের চাইতে বেশ ভালো পারে। বড় সন্তানটি যখন জন্ম নেয়, তখন সব কিছুই তার একার থাকে। কিন্তু মেজ সন্তানের ছোট বেলা থেকেই সব ভাগাভাগি করে নিতে হয়। এরপর ছোট সন্তানের জন্মের পরে তার সঙ্গেও নিজের সবকিছু শেয়ার করতে হয়। মিলেমিশে থাকার গুনটা তাই মেজ সন্তানের মাঝেই বেশি থাকে যা পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে সফলতা নিয়ে আসে।

ইগো’র সমস্যা মেজ সন্তানের মাঝে কম থাকে। পরিবারের মেজ সন্তান হওয়ার কারণে খুব বেশি মনোযোগ পাননা তারা। আর তাই অহেতুক ইগো বা অভিমান করার সমস্যাগুলো কাটিয়ে নিতে পারেন মেজ সন্তানরা। অল্পেই সন্তুষ্ট হওয়ার মানসিকতার কারণে ব্যক্তিগত জীবনেও মেজ সন্তানরা সফল।

বন্ধু হিসেবেও মেজ সন্তানরা দারুণ। পরিবারে মনোযোগ না পেয়ে বাইরের জগতের প্রতি বেশি আকর্ষণ থাকে তাদের। সাধারণত তারা বাইরে খুবই বন্ধুবৎসল হয়। ঘরের বাইরেই আনন্দ খুঁজে নিতে পারে তারা। ফলে তাদের অনেক ভালো বন্ধু থাকে এবং নিজেরাও বন্ধু হিসেবে খুবই ভালো হয়।
সূত্র- টাইমস অব ইন্ডিয়া।