ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান সালাহউদ্দিন আহমদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে হাসিনার পরিণতি হবে, হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার : জ্বালানি উপদেষ্টা বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে-বউয়ের কবর, এই জামিন দিয়ে কী হবে: সাদ্দামের মা কারাবন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তারেক রহমানের জনসভাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার

বিএনপি প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিলো: ড.হাছান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যই প্রমান করে তারা প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিলো বলে অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ আয়োজিত “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, আমাদের স্বাধীনতা ও বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর গতকালের বক্তব্যই প্রমান করে তারা প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল। সুতরাং যারা ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালত (বিচারক) পরিবর্তন আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় সুপ্রিম কোটের আপিল বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচার চলবে। যেখানে মন্ত্রীরা আবেদন করে আদালতে সময় পায় না, সেখানে খালেদা জিয়া ১৫০ বার সময় পেয়েছে। তাকে যথেষ্ট সম্মান বাংলাদেশের আদালত করেছে।

বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে ইউনেস্কো ইতিহাস বিকৃতিকারিদের গালে চপেটাঘাত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা ইতিহাসের খলনায়ককে মাহনায়ক করতে চেয়েছিলেন। তাদের গালে চপেটাঘাত করেছে ইউনেস্কো।

জিয়াউর রহমান কখনো স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেননি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জিয়া বেচে থাকতে কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করেননি। কিন্তু জিয়া মারা যাওয়ার পর তার দল যারা করছে তারা তাকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চাইছে। বাংলাদেশের মানুষ জিয়া নামের মানুষটিকে চিনত না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া যদি পাকিস্থানের কোলাবেরেটর না হত যেখানে কোন মুক্তিযোদ্ধাকে এক বেলা খাওয়ানোর অপরাধে, বাড়িতে ঘুমাতে দেওয়ার অপরাধে এমনকি পানি খাওয়ানোর অপরাধে নির্যাতন করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে, ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে জিয়াউর রহমান রনাঙ্গনে যুদ্ধ করে আর বেগম জিয়াকে বউ আদরে পাকিস্থানি ক্যান্টনমেন্টে রাখে। এতে এটিই প্রমান হয় দুজনই ছিল কোলাবেরেটর। সুতরাং কোলাবেরেটর আইনে দুজনেরই বিচার হওয়া প্রয়োজন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এ্যাড. আসাদুজ্জামান দূর্জয়ের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, জি এম আতিকুর রহমানসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি

বিএনপি প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিলো: ড.হাছান

আপডেট সময় ০৫:৪১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যই প্রমান করে তারা প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিলো বলে অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ আয়োজিত “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, আমাদের স্বাধীনতা ও বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর গতকালের বক্তব্যই প্রমান করে তারা প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল। সুতরাং যারা ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালত (বিচারক) পরিবর্তন আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় সুপ্রিম কোটের আপিল বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচার চলবে। যেখানে মন্ত্রীরা আবেদন করে আদালতে সময় পায় না, সেখানে খালেদা জিয়া ১৫০ বার সময় পেয়েছে। তাকে যথেষ্ট সম্মান বাংলাদেশের আদালত করেছে।

বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে ইউনেস্কো ইতিহাস বিকৃতিকারিদের গালে চপেটাঘাত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা ইতিহাসের খলনায়ককে মাহনায়ক করতে চেয়েছিলেন। তাদের গালে চপেটাঘাত করেছে ইউনেস্কো।

জিয়াউর রহমান কখনো স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেননি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জিয়া বেচে থাকতে কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করেননি। কিন্তু জিয়া মারা যাওয়ার পর তার দল যারা করছে তারা তাকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চাইছে। বাংলাদেশের মানুষ জিয়া নামের মানুষটিকে চিনত না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া যদি পাকিস্থানের কোলাবেরেটর না হত যেখানে কোন মুক্তিযোদ্ধাকে এক বেলা খাওয়ানোর অপরাধে, বাড়িতে ঘুমাতে দেওয়ার অপরাধে এমনকি পানি খাওয়ানোর অপরাধে নির্যাতন করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে, ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে জিয়াউর রহমান রনাঙ্গনে যুদ্ধ করে আর বেগম জিয়াকে বউ আদরে পাকিস্থানি ক্যান্টনমেন্টে রাখে। এতে এটিই প্রমান হয় দুজনই ছিল কোলাবেরেটর। সুতরাং কোলাবেরেটর আইনে দুজনেরই বিচার হওয়া প্রয়োজন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এ্যাড. আসাদুজ্জামান দূর্জয়ের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, জি এম আতিকুর রহমানসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।