ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল অনেক ঘরবাড়ি

বোনের তালাক ঠেকাতে কাকরাইলে মা-ছেলের নৃশংস হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন-চার মাস আগে তৃতীয় স্ত্রী শারমীন আক্তার মুক্তাকে তালাক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ী আবদুল করিম। স্বামীর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান মুক্তা। এই পরিস্থিতিতে তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তার ধারণা, প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারের পরামর্শেই তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন করিম।

শামসুন্নাহারকে মেরে ফেললেই টিকে যাবে বোনের সংসার। তাই সে পরিকল্পিতভাবে কাকরাইলের বাসায় গিয়ে মা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর থেকে গ্রেফতারের পর জনিকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের ভিআইপি রোডের ৭৯/১ নম্বর ভবন মায়াকাননের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে শামসুন্নাহার এবং চতুর্থ তলার সিঁড়িতে তার ছেলে শাওনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার সময় গৃহকর্তা আবদুল করিম বাড়িতে ছিলেন না। তার বড় দুই ছেলে বিদেশে থাকেন।

কাকরাইলে জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামি জনিকে গ্রেফতারের পর শনিবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ছায়াতদন্তে নেমে র‌্যাব জানতে পারে, এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি জনি হত্যায় সরাসরি জড়িত। এরপর তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা শুরু হয়। শনিবার সকালে গোপালগঞ্জে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

জোড়া খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার রাতেই করিম ও মুক্তাকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার তাদের ছয়দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলায় তারা দু’জন ছাড়াও জনিকে আসামি করেছিলেন নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বোনের তালাক ঠেকাতে কাকরাইলে মা-ছেলের নৃশংস হত্যা

আপডেট সময় ০১:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন-চার মাস আগে তৃতীয় স্ত্রী শারমীন আক্তার মুক্তাকে তালাক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ী আবদুল করিম। স্বামীর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান মুক্তা। এই পরিস্থিতিতে তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তার ধারণা, প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারের পরামর্শেই তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন করিম।

শামসুন্নাহারকে মেরে ফেললেই টিকে যাবে বোনের সংসার। তাই সে পরিকল্পিতভাবে কাকরাইলের বাসায় গিয়ে মা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর থেকে গ্রেফতারের পর জনিকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের ভিআইপি রোডের ৭৯/১ নম্বর ভবন মায়াকাননের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে শামসুন্নাহার এবং চতুর্থ তলার সিঁড়িতে তার ছেলে শাওনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার সময় গৃহকর্তা আবদুল করিম বাড়িতে ছিলেন না। তার বড় দুই ছেলে বিদেশে থাকেন।

কাকরাইলে জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামি জনিকে গ্রেফতারের পর শনিবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ছায়াতদন্তে নেমে র‌্যাব জানতে পারে, এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি জনি হত্যায় সরাসরি জড়িত। এরপর তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা শুরু হয়। শনিবার সকালে গোপালগঞ্জে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

জোড়া খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার রাতেই করিম ও মুক্তাকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার তাদের ছয়দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলায় তারা দু’জন ছাড়াও জনিকে আসামি করেছিলেন নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী।