ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন দায়িত্বে ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি নেপালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও কারফিউ জারি, প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের শান্তির বার্তা বাঁশখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিতে এক যুবক নিহত ঢাকা মেডিকেলে ৮ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রোগীর মৃত্যু বেলুচিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩২ বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর

দশ মাসে ২৯২৬ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬০৮ আহত ৭৭৮৬

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সারা দেশে গত দশ মাসে দুই হাজার ৯২৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় তিন হাজার ৬০৮ জন নিহত ও সাত হাজার ৭৮৬ জন আহত হয়েছেন। নিহতের তালিকায় ৪২৩ জন নারী ও ৪৬৫টি শিশু রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আজ বুধবার বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ২২টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এনসিপিএসআরআরের তথ্য মতে, গত দশ মাসের মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে সর্বাধিক ৩৭২টি দুর্ঘটনায় ৫৬ নারী ও ৫৮ শিশুসহ মোট ৪৭২ জন নিহত ও এক হাজার ৯৪ জন আহত হয়েছেন। সব চেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে আগস্টে। এ মাসে ২১৭টি দুর্ঘটনায় ২৫ নারী ও ৩১ শিশুসহ মোট ২৭৯ জনের প্রাণহানি ঘটে এবং আহত হন ৫০৩ জন।

কমিটির তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটলেও জুন মাস থেকে তা কমতে শুরু করে। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা আবারো বেড়ে যায়। জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, তাদের পর্যবেক্ষণে বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য নয়টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেগুলো হচ্ছে- বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি, স্থানীয়ভাবে তৈরি দেশীয় ইঞ্জিনচালিত ক্ষুদ্রযানে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, বিধি লঙ্ঘন করে ওভারলোডিং ও ওভারটেকিং, জনবহুল এলাকাসহ দূরপাল্লার সড়কে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও বেহাল সড়ক, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব এবং অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর যথাযথ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং সাধারণ মানুষের অসচেতনতাকেই দায়ী করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন দায়িত্বে ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি

দশ মাসে ২৯২৬ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬০৮ আহত ৭৭৮৬

আপডেট সময় ০৭:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সারা দেশে গত দশ মাসে দুই হাজার ৯২৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় তিন হাজার ৬০৮ জন নিহত ও সাত হাজার ৭৮৬ জন আহত হয়েছেন। নিহতের তালিকায় ৪২৩ জন নারী ও ৪৬৫টি শিশু রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আজ বুধবার বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ২২টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এনসিপিএসআরআরের তথ্য মতে, গত দশ মাসের মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে সর্বাধিক ৩৭২টি দুর্ঘটনায় ৫৬ নারী ও ৫৮ শিশুসহ মোট ৪৭২ জন নিহত ও এক হাজার ৯৪ জন আহত হয়েছেন। সব চেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে আগস্টে। এ মাসে ২১৭টি দুর্ঘটনায় ২৫ নারী ও ৩১ শিশুসহ মোট ২৭৯ জনের প্রাণহানি ঘটে এবং আহত হন ৫০৩ জন।

কমিটির তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটলেও জুন মাস থেকে তা কমতে শুরু করে। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা আবারো বেড়ে যায়। জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, তাদের পর্যবেক্ষণে বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য নয়টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেগুলো হচ্ছে- বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি, স্থানীয়ভাবে তৈরি দেশীয় ইঞ্জিনচালিত ক্ষুদ্রযানে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, বিধি লঙ্ঘন করে ওভারলোডিং ও ওভারটেকিং, জনবহুল এলাকাসহ দূরপাল্লার সড়কে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও বেহাল সড়ক, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব এবং অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর যথাযথ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং সাধারণ মানুষের অসচেতনতাকেই দায়ী করেন তিনি।