ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

খালেদাকে ভোট থেকে দূরে রাখতেই ফেনীর ঘটনা: জয়নাল হাজারী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক এমপি জয়নাল হাজারী মনে করেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে দূরে রাখার জন্যই ফেনীতে তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। হাজারী তার সম্পাদিত ‘হাজারিকা প্রতিদিন’ এ লেখা কলামে এ মত দেন। বহুল আলোচিত এই সাবেক এমপি আরো লিখেছেন, যখন যেখানে যে ঘটনাই ঘটুক তার একটা কারণ থাকে। অকারণে কোন কিছু স্বাভাবিকভাবে ঘটে না।

শনিবারে খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে এতে বেশকিছু সাংবাদিক মারাত্মক আহত হয়েছে।

এই হামলায় মূলত সাংবাদিকদের কেন টার্গেট করা হলো এটা পরিষ্কার নয়। তিনি ফেনী সার্কেট হাউজে বিশ্রাম নিবেন এবং সেখানে দুপুরের খাবার খাবেন এমনটাই প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। খালেদার জেলার নেতাকর্মীরা সেখানে ব্যাপকভাবে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল কিন্তু অত্যন্ত ন্যাককারজনকভাবে সার্কিট হাউজে কাউকে আসতে দেয়া হয়নি এবং বাধা দিতে গিয়ে বিএনপির বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা শরনার্থীদের অবস্থা সরেজমিনে দেখবেন এটাই ছিল তার উদ্দেশ্য। এটি একটি মহৎ উদ্দেশ্য। জননেত্রী শেখ হাসিনাও তাদের দেখে এসেছেন। তাহলে এই শুভ কাজে কেউ বাধা দিতে পারে কিনা এটি অবশ্যই একটি বড় প্রশ্ন? যতই ওবায়দুল কাদের বলুক, ওনারা ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন এবং এটা আভ্যন্তরিণ কোন্দল। এইসব কথা সচেতন জনগনকে খাওয়ানো যাবে না। সুষমা স্বরাজ এসে যখন পরিষ্কার বলে গেলেন আমরা সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাই, ঠিক সেই মূহূর্তে এই ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা গণতন্ত্রের উপর হামলা এটা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং একটি নয় একাধিক জায়গায় হামলা হয়েছে। এই ঘটনা খালেদাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবার জন্য একটি অজুহাত হিসেবে কাজ করবে। কেউ কেউ বলছেন, ঘটনা যেখানে যাই ঘটুক খালেদাকে ভোট করতেই হবে। বিষয়টি বোধ হয় পুরোপুরি ঠিক সেরকম নয়।

খালেদার উপর হামলাটি কেন? একদিকে খালেদাকে ভোটে আসতে বলবেন অন্যদিকে তাকে পেটাতে থাকবেন সেটি তো হতে পারে না। আসলে আসল কথা একটাই ভোট করে যারা কোন দিনই জিততে পারবে না ওই সমস্ত লোকগুলি খালেদা জিয়া ভোটে আসুক তারা মোটেই চায় না। সেই কারণে অবশ্যই বলা যায় ফেনীর ঘটনাটি খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে দূরে রাখার একটি অপতৎপরতা। বর্তমান সরকারের তৎপরতা থেকে পরিস্কার বোঝা যায় সরকার সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোট করতে চায়। ফলে শেখ হাসিনা মোটেই ফেনীর ঘটনাকে সুদৃষ্টিতে দেখবেন না।

ফেনীর বর্তমান এমপিরা কেহই ভোটে এমপি হয়নি এবং তারা জানে ভোট হলে তারা এমপি হবে না। সেই কারণেই কেন্দ্রের ইঙ্গিত ছাড়াই খালেদার উপর তারা হামলা করেছে। বারবার একই গোষ্ঠী বিনা ভোটে এমপি হবে এমনটি ফেনীবাসী কেবল চেয়ে চেয়ে দেখবে এমনটি হতে পারে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

খালেদাকে ভোট থেকে দূরে রাখতেই ফেনীর ঘটনা: জয়নাল হাজারী

আপডেট সময় ১০:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক এমপি জয়নাল হাজারী মনে করেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে দূরে রাখার জন্যই ফেনীতে তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। হাজারী তার সম্পাদিত ‘হাজারিকা প্রতিদিন’ এ লেখা কলামে এ মত দেন। বহুল আলোচিত এই সাবেক এমপি আরো লিখেছেন, যখন যেখানে যে ঘটনাই ঘটুক তার একটা কারণ থাকে। অকারণে কোন কিছু স্বাভাবিকভাবে ঘটে না।

শনিবারে খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে এতে বেশকিছু সাংবাদিক মারাত্মক আহত হয়েছে।

এই হামলায় মূলত সাংবাদিকদের কেন টার্গেট করা হলো এটা পরিষ্কার নয়। তিনি ফেনী সার্কেট হাউজে বিশ্রাম নিবেন এবং সেখানে দুপুরের খাবার খাবেন এমনটাই প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। খালেদার জেলার নেতাকর্মীরা সেখানে ব্যাপকভাবে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল কিন্তু অত্যন্ত ন্যাককারজনকভাবে সার্কিট হাউজে কাউকে আসতে দেয়া হয়নি এবং বাধা দিতে গিয়ে বিএনপির বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা শরনার্থীদের অবস্থা সরেজমিনে দেখবেন এটাই ছিল তার উদ্দেশ্য। এটি একটি মহৎ উদ্দেশ্য। জননেত্রী শেখ হাসিনাও তাদের দেখে এসেছেন। তাহলে এই শুভ কাজে কেউ বাধা দিতে পারে কিনা এটি অবশ্যই একটি বড় প্রশ্ন? যতই ওবায়দুল কাদের বলুক, ওনারা ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন এবং এটা আভ্যন্তরিণ কোন্দল। এইসব কথা সচেতন জনগনকে খাওয়ানো যাবে না। সুষমা স্বরাজ এসে যখন পরিষ্কার বলে গেলেন আমরা সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাই, ঠিক সেই মূহূর্তে এই ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা গণতন্ত্রের উপর হামলা এটা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং একটি নয় একাধিক জায়গায় হামলা হয়েছে। এই ঘটনা খালেদাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবার জন্য একটি অজুহাত হিসেবে কাজ করবে। কেউ কেউ বলছেন, ঘটনা যেখানে যাই ঘটুক খালেদাকে ভোট করতেই হবে। বিষয়টি বোধ হয় পুরোপুরি ঠিক সেরকম নয়।

খালেদার উপর হামলাটি কেন? একদিকে খালেদাকে ভোটে আসতে বলবেন অন্যদিকে তাকে পেটাতে থাকবেন সেটি তো হতে পারে না। আসলে আসল কথা একটাই ভোট করে যারা কোন দিনই জিততে পারবে না ওই সমস্ত লোকগুলি খালেদা জিয়া ভোটে আসুক তারা মোটেই চায় না। সেই কারণে অবশ্যই বলা যায় ফেনীর ঘটনাটি খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে দূরে রাখার একটি অপতৎপরতা। বর্তমান সরকারের তৎপরতা থেকে পরিস্কার বোঝা যায় সরকার সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোট করতে চায়। ফলে শেখ হাসিনা মোটেই ফেনীর ঘটনাকে সুদৃষ্টিতে দেখবেন না।

ফেনীর বর্তমান এমপিরা কেহই ভোটে এমপি হয়নি এবং তারা জানে ভোট হলে তারা এমপি হবে না। সেই কারণেই কেন্দ্রের ইঙ্গিত ছাড়াই খালেদার উপর তারা হামলা করেছে। বারবার একই গোষ্ঠী বিনা ভোটে এমপি হবে এমনটি ফেনীবাসী কেবল চেয়ে চেয়ে দেখবে এমনটি হতে পারে না।