ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ যাবাহন ও ফুটপাত যানজোটের প্রধান কারণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ যাবাহন ও ফুটপাত যানজোটের প্রধান কারণ

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ যানবাহন, অব্যবস্থপনায় ফুটপাত দখলের কারনে রাজশাহীতে যানজোটের ভোগান্তি। নষ্ট হচ্ছে সময় ব্যায় হচ্ছে অর্থ তদুপরি অকাল মৃতু। গত কয়েক বছরে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় রাজশাহী নগরীতেই কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন এসআইও মারা গেছেন অটোরিকশার ধাক্কায়। আবার হাসপাতালে রোগী দেখতে এসে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেও অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ হারাতে হয়েছে পথচারীকে।

জেলা শহর ও ৯টি উপজেলার সদরে অবৈধ্য ফুটপাত দখলসহ নিষিদ্ধ ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ভ্যান, ভটভটি, নছিমন যানজোটের প্রধান কারণ। যারকারনে অফিস,আদালত, এবং স্কুল কলেজের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী সময় মত গন্তব্যে পৈাছতে পারছে না। তবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) ও মহানগর পুলিশ অটোরিকশা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু শ্রমিক নেতাদের চাপে সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয় ওই দুটি সংস্থা।
রাজশাহী জেলার ঢাকা ও রাজশাহী মহাসড়ক পুঠিয়া বানেশ্বর, কাটাখালি, তালায়মারী, এবং নগরীর সাহেববাজার, রেলগেট, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী কলেজ গেট, সোনাদীঘির মোড় যানজোটের প্রবনতা অনেক বেশি। এসব এলাকায় ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজোটে পড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ পথচারীসহ স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের।

জেলার বানেশ্বর ও সিটিহাট সবচেয়ে বড় হাট । সপ্তাহে দুদিন ওই হাট গুলোর অব্যাবস্থপনার করনে প্রধান সড়ক চলাচলে অযোগ্য হয়ে যায়। স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশ কর্তব্য পালনে চেষ্টা করলেও বেশির ভাগ সময় উৎকোচ নিয়ে ব্যাস্ত সময় কাটায় তারা। অবৈধ ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ভ্যান, ভটভটি, নছিমনের চালক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চালকরা জানায়, অর্থের বিনিময়ে তাদের যানবাহন গুলো চালায়। ট্রাফিক পুলিশ, চেইন মাষ্টারসহ রাস্তায় বিভিন্ন চাদা দিয়ে তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারীরা এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রত্যেক উপজেলা প্রশাসন অলস সময় কাটাচ্ছেন। শহর বন্দর ব্যাস্ত সবায় জানে কিন্ত উপজেলা সদর গুলোর ফুটপাত দখল, সরকারী জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, যত্রতত্র গাড়ি র্পাকিং নিরশনে সাধারন জনগনের কিছুটা হলেও ভোগান্তি কম হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ যাবাহন ও ফুটপাত যানজোটের প্রধান কারণ

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ যাবাহন ও ফুটপাত যানজোটের প্রধান কারণ

রাজশাহীতে নিষিদ্ধ যানবাহন, অব্যবস্থপনায় ফুটপাত দখলের কারনে রাজশাহীতে যানজোটের ভোগান্তি। নষ্ট হচ্ছে সময় ব্যায় হচ্ছে অর্থ তদুপরি অকাল মৃতু। গত কয়েক বছরে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় রাজশাহী নগরীতেই কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন এসআইও মারা গেছেন অটোরিকশার ধাক্কায়। আবার হাসপাতালে রোগী দেখতে এসে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেও অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ হারাতে হয়েছে পথচারীকে।

জেলা শহর ও ৯টি উপজেলার সদরে অবৈধ্য ফুটপাত দখলসহ নিষিদ্ধ ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ভ্যান, ভটভটি, নছিমন যানজোটের প্রধান কারণ। যারকারনে অফিস,আদালত, এবং স্কুল কলেজের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী সময় মত গন্তব্যে পৈাছতে পারছে না। তবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) ও মহানগর পুলিশ অটোরিকশা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু শ্রমিক নেতাদের চাপে সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয় ওই দুটি সংস্থা।
রাজশাহী জেলার ঢাকা ও রাজশাহী মহাসড়ক পুঠিয়া বানেশ্বর, কাটাখালি, তালায়মারী, এবং নগরীর সাহেববাজার, রেলগেট, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী কলেজ গেট, সোনাদীঘির মোড় যানজোটের প্রবনতা অনেক বেশি। এসব এলাকায় ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজোটে পড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ পথচারীসহ স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের।

জেলার বানেশ্বর ও সিটিহাট সবচেয়ে বড় হাট । সপ্তাহে দুদিন ওই হাট গুলোর অব্যাবস্থপনার করনে প্রধান সড়ক চলাচলে অযোগ্য হয়ে যায়। স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশ কর্তব্য পালনে চেষ্টা করলেও বেশির ভাগ সময় উৎকোচ নিয়ে ব্যাস্ত সময় কাটায় তারা। অবৈধ ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ভ্যান, ভটভটি, নছিমনের চালক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চালকরা জানায়, অর্থের বিনিময়ে তাদের যানবাহন গুলো চালায়। ট্রাফিক পুলিশ, চেইন মাষ্টারসহ রাস্তায় বিভিন্ন চাদা দিয়ে তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারীরা এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রত্যেক উপজেলা প্রশাসন অলস সময় কাটাচ্ছেন। শহর বন্দর ব্যাস্ত সবায় জানে কিন্ত উপজেলা সদর গুলোর ফুটপাত দখল, সরকারী জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, যত্রতত্র গাড়ি র্পাকিং নিরশনে সাধারন জনগনের কিছুটা হলেও ভোগান্তি কম হয়।