ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

ইন্দোনেশিয়ায় ২ বছরে দোররার শিকার ৫ শতাধিক

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ায় গত দুই বছরে দোররা দণ্ডের শিকার হয়েছেন ৫ শতাধিক মানুষ। এই বর্বর শাস্তির নিন্দা জানিয়ে তা বন্ধ করতে দেশটির প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বিবিসি।

ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র আচেহ প্রদেশেই ইসলামি শরীয়াহ মেনে চলা হয়। ২০০৬ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে এক শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে সেখানে দোররা আইন অনুমোদন করা হয়।

কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে সমকামিতা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিতে শরীয়া পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রদেশে ২০১৫ সালের অক্টোবরে সমকামিতার জন্য ১শ দোররা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জন্য ৩০ দোররা মারার বিধান চালু হয়। কানুন জিনায়াত নামে নতুন একটি ইসলামিক ক্রিমিনাল কোডের আওতায় এই দণ্ডের বিধান শুরু হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করে বলেছে, জুয়া ও মদ্যপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনা এসব আইনগুলো মুসলিমদের পাশাপাশি অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। গত বছর এক খ্রিস্টান নারীকে মদ বিক্রির জন্য দোররা মারা হয়।

ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেইতেও দোররা মারার বিধান চালু রয়েছে। ইসলামিক বিধান হলেও এ ধরণের শাস্তিকে নির্যাতন হিসেবে বিবেচনা করে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

ইন্দোনেশিয়ায় ২ বছরে দোররার শিকার ৫ শতাধিক

আপডেট সময় ০২:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ায় গত দুই বছরে দোররা দণ্ডের শিকার হয়েছেন ৫ শতাধিক মানুষ। এই বর্বর শাস্তির নিন্দা জানিয়ে তা বন্ধ করতে দেশটির প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বিবিসি।

ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র আচেহ প্রদেশেই ইসলামি শরীয়াহ মেনে চলা হয়। ২০০৬ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে এক শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে সেখানে দোররা আইন অনুমোদন করা হয়।

কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে সমকামিতা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিতে শরীয়া পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রদেশে ২০১৫ সালের অক্টোবরে সমকামিতার জন্য ১শ দোররা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জন্য ৩০ দোররা মারার বিধান চালু হয়। কানুন জিনায়াত নামে নতুন একটি ইসলামিক ক্রিমিনাল কোডের আওতায় এই দণ্ডের বিধান শুরু হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করে বলেছে, জুয়া ও মদ্যপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনা এসব আইনগুলো মুসলিমদের পাশাপাশি অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। গত বছর এক খ্রিস্টান নারীকে মদ বিক্রির জন্য দোররা মারা হয়।

ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেইতেও দোররা মারার বিধান চালু রয়েছে। ইসলামিক বিধান হলেও এ ধরণের শাস্তিকে নির্যাতন হিসেবে বিবেচনা করে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।