ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইন্দোনেশিয়ায় ২ বছরে দোররার শিকার ৫ শতাধিক

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ায় গত দুই বছরে দোররা দণ্ডের শিকার হয়েছেন ৫ শতাধিক মানুষ। এই বর্বর শাস্তির নিন্দা জানিয়ে তা বন্ধ করতে দেশটির প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বিবিসি।

ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র আচেহ প্রদেশেই ইসলামি শরীয়াহ মেনে চলা হয়। ২০০৬ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে এক শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে সেখানে দোররা আইন অনুমোদন করা হয়।

কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে সমকামিতা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিতে শরীয়া পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রদেশে ২০১৫ সালের অক্টোবরে সমকামিতার জন্য ১শ দোররা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জন্য ৩০ দোররা মারার বিধান চালু হয়। কানুন জিনায়াত নামে নতুন একটি ইসলামিক ক্রিমিনাল কোডের আওতায় এই দণ্ডের বিধান শুরু হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করে বলেছে, জুয়া ও মদ্যপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনা এসব আইনগুলো মুসলিমদের পাশাপাশি অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। গত বছর এক খ্রিস্টান নারীকে মদ বিক্রির জন্য দোররা মারা হয়।

ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেইতেও দোররা মারার বিধান চালু রয়েছে। ইসলামিক বিধান হলেও এ ধরণের শাস্তিকে নির্যাতন হিসেবে বিবেচনা করে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইন্দোনেশিয়ায় ২ বছরে দোররার শিকার ৫ শতাধিক

আপডেট সময় ০২:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ায় গত দুই বছরে দোররা দণ্ডের শিকার হয়েছেন ৫ শতাধিক মানুষ। এই বর্বর শাস্তির নিন্দা জানিয়ে তা বন্ধ করতে দেশটির প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বিবিসি।

ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র আচেহ প্রদেশেই ইসলামি শরীয়াহ মেনে চলা হয়। ২০০৬ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে এক শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে সেখানে দোররা আইন অনুমোদন করা হয়।

কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে সমকামিতা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিতে শরীয়া পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রদেশে ২০১৫ সালের অক্টোবরে সমকামিতার জন্য ১শ দোররা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জন্য ৩০ দোররা মারার বিধান চালু হয়। কানুন জিনায়াত নামে নতুন একটি ইসলামিক ক্রিমিনাল কোডের আওতায় এই দণ্ডের বিধান শুরু হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করে বলেছে, জুয়া ও মদ্যপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনা এসব আইনগুলো মুসলিমদের পাশাপাশি অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। গত বছর এক খ্রিস্টান নারীকে মদ বিক্রির জন্য দোররা মারা হয়।

ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেইতেও দোররা মারার বিধান চালু রয়েছে। ইসলামিক বিধান হলেও এ ধরণের শাস্তিকে নির্যাতন হিসেবে বিবেচনা করে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।