ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

কন্যা দায়গ্রস্থা বিধবা মাকে দায় মুক্ত করলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কন্যা দায়গ্রস্থা একজন মা।বিধাতা নিয়েছে স্বামী,আর মেঘনায় কয়েকবার নিয়েছে বাড়ী।সব হারিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পথের যাত্রী হন তিনি। জীবনের চাকা ঘোরাতে ঘোরাতে অবশেষে ঠিকানা হলো উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদœামনসা আশ্রয়ণে।মেয়ে পিয়ারা। সামাজিক নিরাপত্তা আর ভবিষ্যতের নিশ্চিয়তায় মেয়েকে বিয়ে দিলেন।নিত্যসাথী অভাব আর অনটন তাকে ছায়ার মতো ঘিরে রেখেছে।তাই তুলে দিতে পারছে না বিবাহিত মেয়েকে।সমাজপতিদের কাথে সাহায্যের জন্য হর্ণে হয়ে ঘুরছে।সব চেষ্টাই ব্যর্থ।প্রতিবেশীর উপদেশে ছুটে আসলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও,র কাছে।কন্যা দায়গ্রস্থ নুরজাহানের ফরিয়াদ শুনলেন তিনি। ইউএনও,র কাছে সরকারী ফান্ড নেই। এটা তো বুঝবে না নুরজাহান। নির্বাহি কর্মকর্তা পাবলিক হেয়ারিং করছেন।এই ফাঁকে মেয়েকে উঠিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি লিষ্ট করলেন । একজন অফিস সহায়ককে মাধ্যমে ওই জিনিষগুলো কিনে আনলেন। এমন সময় অফিসে ঢুকলেন সমাজসেবক জাফর উল্যাহ চৌধুরী,জনৈক চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিষয়টি শুনে তারা ও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। যখন নুরজাহানের হাতে ওই জিনিষগুলো তুলে দেওয়া হলো,তার বিষন্ন মুখে নির্ভারতার ছাপ ফুটে উঠল।
নুরজাহান বেগম বলেন,স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্ট করে মেয়েকে বড় করি।আরও কঠিন বিপদে পড়ি পিয়ারার বিবাহের পর।ইউএনও স্যার বিবাহের সব জিনিষ কিনে দিয়েছে।মেয়েকে তুলে দেওয়ার পর আমি মরে ও শান্তি পাব ।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ আঃ কুদদূস বলেন,নুরজাহানের কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। আমি ও প্রত্যন্ত এলাকার সন্তান ।তাই পিতৃহীন অসহায় মেয়েটি তুলে দেওয়ার জন্য আমার বেতন থেকে কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

কন্যা দায়গ্রস্থা বিধবা মাকে দায় মুক্ত করলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও

আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কন্যা দায়গ্রস্থা একজন মা।বিধাতা নিয়েছে স্বামী,আর মেঘনায় কয়েকবার নিয়েছে বাড়ী।সব হারিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পথের যাত্রী হন তিনি। জীবনের চাকা ঘোরাতে ঘোরাতে অবশেষে ঠিকানা হলো উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদœামনসা আশ্রয়ণে।মেয়ে পিয়ারা। সামাজিক নিরাপত্তা আর ভবিষ্যতের নিশ্চিয়তায় মেয়েকে বিয়ে দিলেন।নিত্যসাথী অভাব আর অনটন তাকে ছায়ার মতো ঘিরে রেখেছে।তাই তুলে দিতে পারছে না বিবাহিত মেয়েকে।সমাজপতিদের কাথে সাহায্যের জন্য হর্ণে হয়ে ঘুরছে।সব চেষ্টাই ব্যর্থ।প্রতিবেশীর উপদেশে ছুটে আসলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও,র কাছে।কন্যা দায়গ্রস্থ নুরজাহানের ফরিয়াদ শুনলেন তিনি। ইউএনও,র কাছে সরকারী ফান্ড নেই। এটা তো বুঝবে না নুরজাহান। নির্বাহি কর্মকর্তা পাবলিক হেয়ারিং করছেন।এই ফাঁকে মেয়েকে উঠিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি লিষ্ট করলেন । একজন অফিস সহায়ককে মাধ্যমে ওই জিনিষগুলো কিনে আনলেন। এমন সময় অফিসে ঢুকলেন সমাজসেবক জাফর উল্যাহ চৌধুরী,জনৈক চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিষয়টি শুনে তারা ও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। যখন নুরজাহানের হাতে ওই জিনিষগুলো তুলে দেওয়া হলো,তার বিষন্ন মুখে নির্ভারতার ছাপ ফুটে উঠল।
নুরজাহান বেগম বলেন,স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্ট করে মেয়েকে বড় করি।আরও কঠিন বিপদে পড়ি পিয়ারার বিবাহের পর।ইউএনও স্যার বিবাহের সব জিনিষ কিনে দিয়েছে।মেয়েকে তুলে দেওয়ার পর আমি মরে ও শান্তি পাব ।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ আঃ কুদদূস বলেন,নুরজাহানের কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। আমি ও প্রত্যন্ত এলাকার সন্তান ।তাই পিতৃহীন অসহায় মেয়েটি তুলে দেওয়ার জন্য আমার বেতন থেকে কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করলাম।