ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়: নাসির

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বছর ছয়েক আগে তেড়েফুরেই এসেছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা পেয়েই নিজের নামটি বসিয়ে দেন নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটারদের তালিকায়। নাম হয়ে ওঠে মি. ফিনিশার। প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে দলকে পথ দেখাতে বেশ পটু হয়ে ওঠেন নাসির হোসেন। কিন্তু এই ধারায় বেশি পথ পাড়ি দেওয়া হয়নি ডানহাতি এই অলরাউন্ডারের। ২০১৫ সালের শেষের দিকে এসে বাংলাদেশ দলে একেবারেই অনিয়মিত হওয় পড়েন নাসির। দলে জায়গা পাওয়াটাই হয়ে ওঠে স্বপ্নের মতো। ২০১৫ সালের নভেম্বরের পর বাংলাদেশের হয়ে মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেছেন নাসির। সেই দশা এখনো কাটেনি তার। এখনো দলে অনিয়মিত নাসির। তবে শুরু থেকেই পাওয়া জনপ্রিয়তা ঠিকই আছে তার।

যদিও এই জনপ্রিয়তার কারণেই নাকি নাসিরকে নিয়ে এত আলোচনা। এমন ব্যাখ্যা নাসিরেরই। দলে জায়গা হোক আর না হোক নাসির ঠিকই আলোচনায় থাকেন। কখনো ভক্তদের আলোচনায়। আবার কখনো ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনায়। শৃংখলাভঙ্গ, অনিয়মসহ আরো কিছু বিষয়ে নাম জড়িয়েছে তার। নাসির অবশ্য এসবে কান দেন না। তার মতে যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও থাকে। বাংলাদেশের হয়ে ১৭ টেস্ট, ৫৯ ওয়ানডে ও ৩১ টি-টোয়েন্টি খেলা ২৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার বোরবার মিরপুরে অনুশীলন শেষে বলেন, ‘যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়। এটা সত্য কথা। আপনি আমাকে এক চোখে দেখবেন, আরেকজন আমাকে আরেক চোখে দেখবে। আমার চোখ দিয়ে তো আমি সবাইকে এক চোখে দেখতে পারবো না।’

মি. ফিনিশারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বা প্রত্রিকায় আলোচনা-সমালোচনা দেখা যায়। কিন্তু নাসির নাকি পত্রিকাই পড়েন না। ফেসবুকও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, ‘সত্যি বলতে আমি পেপার পড়ি না। ফেসবুক থাকা না থাকা একই কথা। শুধু তো সবার ব্যক্তিগত নিউজ আর নিউজ। আপনি যখন খেলাধুলা করেন তখন এসব নিউজ আপনার মাথায় থাকে না। খেলার বাইরে মাঝে মাঝে আসে কথাগুলো। খেলার মধ্যে এসব জিনিস আসে না।’ নাসিরকে দলে না নিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলেন ক্রিকেটমোদীরা। প্রায় প্রতি সিরিজের আগেই নাসির নাসির রব ওঠে। ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া এমন ভালোবাসাকে বড় করে দেখেন মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের প্রাথমিক দলে থাকা নাসিরও ভক্তদের বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে চান।

নাসির বলছেন, ‘আমি জানি না কেন মানুষ আমাকে ভালোবাসে। এটা মানুষের কাছ থেকে আমার বড় পাওয়া। এ জিনিসটা সবাই পায় না। আমি তাদের কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমার ওপর যে বিশ্বাস রাখে, অনেক আশা করে, আমি চেষ্টা করবো সেই বিশ্বাস ও আশাটা রাখার জন্য।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কাতার-জর্ডান

যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়: নাসির

আপডেট সময় ০৬:১৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বছর ছয়েক আগে তেড়েফুরেই এসেছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা পেয়েই নিজের নামটি বসিয়ে দেন নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটারদের তালিকায়। নাম হয়ে ওঠে মি. ফিনিশার। প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে দলকে পথ দেখাতে বেশ পটু হয়ে ওঠেন নাসির হোসেন। কিন্তু এই ধারায় বেশি পথ পাড়ি দেওয়া হয়নি ডানহাতি এই অলরাউন্ডারের। ২০১৫ সালের শেষের দিকে এসে বাংলাদেশ দলে একেবারেই অনিয়মিত হওয় পড়েন নাসির। দলে জায়গা পাওয়াটাই হয়ে ওঠে স্বপ্নের মতো। ২০১৫ সালের নভেম্বরের পর বাংলাদেশের হয়ে মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেছেন নাসির। সেই দশা এখনো কাটেনি তার। এখনো দলে অনিয়মিত নাসির। তবে শুরু থেকেই পাওয়া জনপ্রিয়তা ঠিকই আছে তার।

যদিও এই জনপ্রিয়তার কারণেই নাকি নাসিরকে নিয়ে এত আলোচনা। এমন ব্যাখ্যা নাসিরেরই। দলে জায়গা হোক আর না হোক নাসির ঠিকই আলোচনায় থাকেন। কখনো ভক্তদের আলোচনায়। আবার কখনো ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনায়। শৃংখলাভঙ্গ, অনিয়মসহ আরো কিছু বিষয়ে নাম জড়িয়েছে তার। নাসির অবশ্য এসবে কান দেন না। তার মতে যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও থাকে। বাংলাদেশের হয়ে ১৭ টেস্ট, ৫৯ ওয়ানডে ও ৩১ টি-টোয়েন্টি খেলা ২৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার বোরবার মিরপুরে অনুশীলন শেষে বলেন, ‘যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়। এটা সত্য কথা। আপনি আমাকে এক চোখে দেখবেন, আরেকজন আমাকে আরেক চোখে দেখবে। আমার চোখ দিয়ে তো আমি সবাইকে এক চোখে দেখতে পারবো না।’

মি. ফিনিশারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বা প্রত্রিকায় আলোচনা-সমালোচনা দেখা যায়। কিন্তু নাসির নাকি পত্রিকাই পড়েন না। ফেসবুকও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, ‘সত্যি বলতে আমি পেপার পড়ি না। ফেসবুক থাকা না থাকা একই কথা। শুধু তো সবার ব্যক্তিগত নিউজ আর নিউজ। আপনি যখন খেলাধুলা করেন তখন এসব নিউজ আপনার মাথায় থাকে না। খেলার বাইরে মাঝে মাঝে আসে কথাগুলো। খেলার মধ্যে এসব জিনিস আসে না।’ নাসিরকে দলে না নিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলেন ক্রিকেটমোদীরা। প্রায় প্রতি সিরিজের আগেই নাসির নাসির রব ওঠে। ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া এমন ভালোবাসাকে বড় করে দেখেন মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের প্রাথমিক দলে থাকা নাসিরও ভক্তদের বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে চান।

নাসির বলছেন, ‘আমি জানি না কেন মানুষ আমাকে ভালোবাসে। এটা মানুষের কাছ থেকে আমার বড় পাওয়া। এ জিনিসটা সবাই পায় না। আমি তাদের কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমার ওপর যে বিশ্বাস রাখে, অনেক আশা করে, আমি চেষ্টা করবো সেই বিশ্বাস ও আশাটা রাখার জন্য।’