ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক ৪৫তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত তালিকা থেকে ১ হাজার ৮০৭ জনের নাম থাকলেও, গত ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত গেজেটে ঠাঁই পেয়েছেন ১ হাজার ৭০২ জন। অর্থাৎ মোট ১০৫ জন নিয়োগ পাননি। এর মধ্যে ৪৯ জন শারীরিক পরীক্ষা বা অন্যান্য প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। বাকি ৫৬ জনকে ভেরিফিকেশন বা গোয়েন্দা যাচাইয়ের পর বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চূড়ান্ত এই তালিকা প্রকাশের পর থেকে চাকরিপ্রত্যাশীরা অনিশ্চয়তা ও চরম হতাশায় ভুগছেন। তবে ১১ মাস আগে যখন পিএসসি সুপারিশ করেছিল, তখন সেই তালিকায় নাম ছিল ১ হাজার ৮০৭ জনের। অর্থাৎ পিএসসির মনোনীত ৫৭ জনের নাম প্রজ্ঞাপনে ছিল না। বিসিএসে ‘রিপিট ক্যাডার’ বন্ধে যে উদ্যোগ পিএসসির, ৫০তম থেকেই মিলতে পারে সুফল।

বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম শুভ্র দেবনাথ, যিনি ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) ও ৪৫তম বিসিএস—উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। গত ২২ জানুয়ারি ৪৮তম বিসিএসের গেজেট থেকেও তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। শুভ্র দেবনাথ বলেন, মেধার মূল্যায়নে বাদ পড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। ৪৬তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারেও তিনি সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তবে এখন সেখান থেকেও বাদ পড়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কী কারণে শুভ্র দেবনাথকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে, সেটি জানেন না তিনি। শুভ্র দেবনাথ বলেন, ‘কারা আমার সঙ্গে শত্রুতা করছে, কেন করছে, আমি কিছুই জানি না।

নিয়োগবঞ্চিতদের মধ্যে অন্তত ৯ জন সনাতন ধর্মাবলম্বী।

তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য ক্যাডারের শুভ্র দেবনাথ, কুশল দাস, বুদ্ধদেব কর, সৌরভ মণি সরকার ও সুব্রত তালুকদার। এছাড়া প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নন্দী ও পার্থ সরকার, কৃষি ক্যাডারে চন্দন বিশ্বাস এবং পুলিশ ক্যাডারে চিন্ময় বর্মণ রয়েছেন। পার্থ সরকার জানান, অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিসহ পড়ার সুযোগ থাকলেও বিসিএসে যোগ দেওয়ার আশায় তিনি তা ছেড়েছিলেন। এখন বিদেশ যাওয়ার সুযোগ হারানোর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের কাছে মুখ দেখাতে পারছেন না বলে তিনি জানান। পার্থ সরকার ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভেটেরিনারি মেডিসিন থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার আগে ২০২৪ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিসহ পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন; কিন্তু বিদেশ যাওয়া বাদ দিয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন; কিন্তু ১৪ অক্টোবর যখন গেজেট হয়, তখন তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। পার্থ সরকার বলেন, ‘জীবনে কখনো এতটা খারাপ লাগেনি। চিন্ময় বলেন, ‘কার কাছে যাব, কীভাবে পরিবারকে সান্ত্বনা দেব, কিছুই বুঝতে পারছি না। বিদেশে যাওয়ার সুযোগও হাতছাড়া করেছিলাম। পরিবার ও বন্ধুমহলের সবাই জানতে চায় কী হয়েছে, কেন বাদ পড়লাম।

পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত চিন্ময় বর্মণের বাবা পেশায় মৎস্যজীবী। মেধাতালিকায় ৭৬তম স্থান অর্জন করা এই প্রার্থী জানান, তার পরিবার চরম ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একই অবস্থা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী এইচ এম ফেরদাউস খানের। শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ফেরদাউস বলেন, গেজেট থেকে বাদ পড়ায় সমাজ তাকে সন্দেহের চোখে দেখছে, যেন তিনি কোনো অপরাধ করেছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীও এই নিয়োগবঞ্চিতদের তালিকায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. মেহেদী হাসান ও মৎস্য ক্যাডারের মনিরুজ্জামান জানান, তাদের কখনো কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। তারা বৈষম্যমুক্ত সমাজ চেয়েছিলেন, অথচ এখন নিজেরাই সরকারি নিয়োগে বৈষম্যের শিকার বলে মনে করছেন।

নিয়োগবঞ্চিত ৫৬ জন প্রার্থী গত শনিবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর সাথে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তারা বিষয়টির পুনর্মূল্যায়নের অনুরোধ জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন এবং তাদের আলাদা আবেদন করার পরামর্শ দেন। সেই অনুযায়ী তারা রোববার জনপ্রশাসন সচিব বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁদের বাদ দেওয়ার বিষয়টি যাতে আবার বিবেচনা করা হয়, আবেদনে সেটি নিয়ে তাঁরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। অভাবের পরিবারে বেড়ে উঠেছেন কষ্ট সয়ে।

দাবি আদায়ে সোমবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। মঙ্গলবারও একই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একজন মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, বুধবার থেকে তারা আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবেন।

উল্লেখ্য, ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ক্ষেত্রেও পিএসসি ৬৬৮ জনকে মনোনয়ন দিলেও শেষ পর্যন্ত ৬১১ জন নিয়োগ পেয়েছিলেন। এছাড়া রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলে ১ অক্টোবর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

আপডেট সময় ১১:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক ৪৫তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত তালিকা থেকে ১ হাজার ৮০৭ জনের নাম থাকলেও, গত ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত গেজেটে ঠাঁই পেয়েছেন ১ হাজার ৭০২ জন। অর্থাৎ মোট ১০৫ জন নিয়োগ পাননি। এর মধ্যে ৪৯ জন শারীরিক পরীক্ষা বা অন্যান্য প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। বাকি ৫৬ জনকে ভেরিফিকেশন বা গোয়েন্দা যাচাইয়ের পর বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চূড়ান্ত এই তালিকা প্রকাশের পর থেকে চাকরিপ্রত্যাশীরা অনিশ্চয়তা ও চরম হতাশায় ভুগছেন। তবে ১১ মাস আগে যখন পিএসসি সুপারিশ করেছিল, তখন সেই তালিকায় নাম ছিল ১ হাজার ৮০৭ জনের। অর্থাৎ পিএসসির মনোনীত ৫৭ জনের নাম প্রজ্ঞাপনে ছিল না। বিসিএসে ‘রিপিট ক্যাডার’ বন্ধে যে উদ্যোগ পিএসসির, ৫০তম থেকেই মিলতে পারে সুফল।

বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম শুভ্র দেবনাথ, যিনি ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) ও ৪৫তম বিসিএস—উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। গত ২২ জানুয়ারি ৪৮তম বিসিএসের গেজেট থেকেও তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। শুভ্র দেবনাথ বলেন, মেধার মূল্যায়নে বাদ পড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। ৪৬তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারেও তিনি সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তবে এখন সেখান থেকেও বাদ পড়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কী কারণে শুভ্র দেবনাথকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে, সেটি জানেন না তিনি। শুভ্র দেবনাথ বলেন, ‘কারা আমার সঙ্গে শত্রুতা করছে, কেন করছে, আমি কিছুই জানি না।

নিয়োগবঞ্চিতদের মধ্যে অন্তত ৯ জন সনাতন ধর্মাবলম্বী।

তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য ক্যাডারের শুভ্র দেবনাথ, কুশল দাস, বুদ্ধদেব কর, সৌরভ মণি সরকার ও সুব্রত তালুকদার। এছাড়া প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নন্দী ও পার্থ সরকার, কৃষি ক্যাডারে চন্দন বিশ্বাস এবং পুলিশ ক্যাডারে চিন্ময় বর্মণ রয়েছেন। পার্থ সরকার জানান, অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিসহ পড়ার সুযোগ থাকলেও বিসিএসে যোগ দেওয়ার আশায় তিনি তা ছেড়েছিলেন। এখন বিদেশ যাওয়ার সুযোগ হারানোর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের কাছে মুখ দেখাতে পারছেন না বলে তিনি জানান। পার্থ সরকার ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভেটেরিনারি মেডিসিন থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার আগে ২০২৪ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিসহ পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন; কিন্তু বিদেশ যাওয়া বাদ দিয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন; কিন্তু ১৪ অক্টোবর যখন গেজেট হয়, তখন তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। পার্থ সরকার বলেন, ‘জীবনে কখনো এতটা খারাপ লাগেনি। চিন্ময় বলেন, ‘কার কাছে যাব, কীভাবে পরিবারকে সান্ত্বনা দেব, কিছুই বুঝতে পারছি না। বিদেশে যাওয়ার সুযোগও হাতছাড়া করেছিলাম। পরিবার ও বন্ধুমহলের সবাই জানতে চায় কী হয়েছে, কেন বাদ পড়লাম।

পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত চিন্ময় বর্মণের বাবা পেশায় মৎস্যজীবী। মেধাতালিকায় ৭৬তম স্থান অর্জন করা এই প্রার্থী জানান, তার পরিবার চরম ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একই অবস্থা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী এইচ এম ফেরদাউস খানের। শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ফেরদাউস বলেন, গেজেট থেকে বাদ পড়ায় সমাজ তাকে সন্দেহের চোখে দেখছে, যেন তিনি কোনো অপরাধ করেছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীও এই নিয়োগবঞ্চিতদের তালিকায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. মেহেদী হাসান ও মৎস্য ক্যাডারের মনিরুজ্জামান জানান, তাদের কখনো কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। তারা বৈষম্যমুক্ত সমাজ চেয়েছিলেন, অথচ এখন নিজেরাই সরকারি নিয়োগে বৈষম্যের শিকার বলে মনে করছেন।

নিয়োগবঞ্চিত ৫৬ জন প্রার্থী গত শনিবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর সাথে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তারা বিষয়টির পুনর্মূল্যায়নের অনুরোধ জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন এবং তাদের আলাদা আবেদন করার পরামর্শ দেন। সেই অনুযায়ী তারা রোববার জনপ্রশাসন সচিব বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁদের বাদ দেওয়ার বিষয়টি যাতে আবার বিবেচনা করা হয়, আবেদনে সেটি নিয়ে তাঁরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। অভাবের পরিবারে বেড়ে উঠেছেন কষ্ট সয়ে।

দাবি আদায়ে সোমবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। মঙ্গলবারও একই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একজন মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, বুধবার থেকে তারা আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবেন।

উল্লেখ্য, ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ক্ষেত্রেও পিএসসি ৬৬৮ জনকে মনোনয়ন দিলেও শেষ পর্যন্ত ৬১১ জন নিয়োগ পেয়েছিলেন। এছাড়া রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলে ১ অক্টোবর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন।