ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে তিনি এই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানটি ঘুরে দেখেন এবং এর পাশে অবস্থিত গ্রন্থাগারটিও পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

প্রায় এক একর জায়গা জুড়ে ৯০ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভটি তৈরি করা হয়েছে, যার গায়ে লেজার কাটিং প্রযুক্তিতে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। মূল কাঠামোর সামনে রাখা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। স্মৃতিস্তম্ভের নকশায় রিলিফ ভাস্কর্যের অনন্য সমন্বয় রয়েছে; এর বাইরের দিকে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরের অংশে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে।

এই ভাস্কর্যগুলোতে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ধারাবাহিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। শহীদদের স্মৃতি রক্ষা এবং শহরের নাগরিক পরিবেশের মানোন্নয়নের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন ইশরাক হোসেন

রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

আপডেট সময় ০২:০৫:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে তিনি এই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানটি ঘুরে দেখেন এবং এর পাশে অবস্থিত গ্রন্থাগারটিও পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

প্রায় এক একর জায়গা জুড়ে ৯০ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভটি তৈরি করা হয়েছে, যার গায়ে লেজার কাটিং প্রযুক্তিতে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। মূল কাঠামোর সামনে রাখা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। স্মৃতিস্তম্ভের নকশায় রিলিফ ভাস্কর্যের অনন্য সমন্বয় রয়েছে; এর বাইরের দিকে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরের অংশে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে।

এই ভাস্কর্যগুলোতে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ধারাবাহিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। শহীদদের স্মৃতি রক্ষা এবং শহরের নাগরিক পরিবেশের মানোন্নয়নের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।