ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান

শাহজালালে এক সপ্তাহে ১১ অভিযানে বিপুল পণ্য জব্দ

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১১টি পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, মোবাইল ও মাদকসহ বিভিন্ন পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস।

গত ১১ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন কাস্টমস হাউস, ঢাকা ১১টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে প্রায় ৯৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত বাণিজ্যিক পণ্য আনার দায়ে ১ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৫৬ টাকা শুল্ক ও কর হিসেবে আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। রোববার (১৮ অক্টোবর) এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন।

জব্দ করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে ৫৮৯ লিটার মদ ও মদজাতীয় পানীয়, ২ হাজার ৯২৩ কার্টন সিগারেট এবং ৩৫০টি ই-সিগারেট। এছাড়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ২৮৬ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম এবং ৩১৫ কেজি ওষুধও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে ৯২টি মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক সামগ্রীও রয়েছে। মূলত রাজস্ব ফাঁকি রোধ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এই অভিযানগুলো চালানো হয় বলে কাস্টমস বিভাগ জানায়।

বিমানবন্দর ব্যবহার করে ব্যাগেজ সুবিধার আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য আমদানির প্রবণতা বাড়তে থাকায় কর্তৃপক্ষ নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত ব্যাগেজের নামে অনুমোদনহীন বা নিষিদ্ধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক রয়েছেন। আইন অনুযায়ী প্রতিটি পণ্যের ধরন ও পরিমাণ যাচাই করে শুল্ক ও কর আদায় করা হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্পষ্ট করেছে যে, সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা এবং অবৈধ পণ্য চোরাচালান প্রতিরোধে শাহজালাল বিমানবন্দরে তাদের এই ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মাধ্যমে যাতে কোনো প্রকার অবৈধ বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্য দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

শাহ আমানতে রান্নার সরঞ্জামে সোনা পাচার, আটক ১

শাহজালালে এক সপ্তাহে ১১ অভিযানে বিপুল পণ্য জব্দ

আপডেট সময় ০৭:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

গত ১১ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন কাস্টমস হাউস, ঢাকা ১১টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে প্রায় ৯৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত বাণিজ্যিক পণ্য আনার দায়ে ১ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৫৬ টাকা শুল্ক ও কর হিসেবে আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। রোববার (১৮ অক্টোবর) এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন।

জব্দ করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে ৫৮৯ লিটার মদ ও মদজাতীয় পানীয়, ২ হাজার ৯২৩ কার্টন সিগারেট এবং ৩৫০টি ই-সিগারেট। এছাড়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ২৮৬ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম এবং ৩১৫ কেজি ওষুধও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে ৯২টি মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক সামগ্রীও রয়েছে। মূলত রাজস্ব ফাঁকি রোধ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এই অভিযানগুলো চালানো হয় বলে কাস্টমস বিভাগ জানায়।

বিমানবন্দর ব্যবহার করে ব্যাগেজ সুবিধার আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য আমদানির প্রবণতা বাড়তে থাকায় কর্তৃপক্ষ নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত ব্যাগেজের নামে অনুমোদনহীন বা নিষিদ্ধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক রয়েছেন। আইন অনুযায়ী প্রতিটি পণ্যের ধরন ও পরিমাণ যাচাই করে শুল্ক ও কর আদায় করা হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্পষ্ট করেছে যে, সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা এবং অবৈধ পণ্য চোরাচালান প্রতিরোধে শাহজালাল বিমানবন্দরে তাদের এই ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মাধ্যমে যাতে কোনো প্রকার অবৈধ বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্য দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে বলে জানানো হয়েছে।