ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশ পুনর্গঠন এবং একটি বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীতে এক আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি তরুণদের এই দায়িত্ব নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে নিজের বাসভবন থেকে বেরিয়ে তিনি চার ঘণ্টায় মোট ১৩টি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। তবে শুধু আন্দোলন করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রাজধানীর বাতাস ক্রমেই দূষিত হয়ে পড়ছে। এর ফলে বিশেষ করে শিশুরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম, যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

তবে আন্দোলনের চেয়েও বড় দায়িত্ব হলো দেশ পুনর্গঠনের কাজে অংশ নেওয়া। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি দুটি প্রধান অনুরোধ রাখেন—আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগানো। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এটা তোমাদেরই দেশ, এর দায়ভার তোমাদেরই নিতে হবে।” শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি বলেন, “তোমাদের কাছে আমার দুটি আবেদন—দেশকে পরিষ্কার রাখবে এবং বেশি বেশি গাছ লাগাবে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।”। তাই আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষকে সুস্থ রাখা। “এখন তোমাদের আমাকে ছাড়িয়ে যেতে হবে।

শনিবারের এই পরিদর্শনের তালিকায় ছিল উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, সরকারি বাংলা কলেজ, শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, কলাবাগান এবং আজিমপুরের সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন এলাকা।

পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন স্থানের অব্যবস্থাপনা ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থা দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলুর ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু সরকারের একার পক্ষে দেশ পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়, এজন্য সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে উদ্বুদ্ধ করার ওপর জোর দেন।

পরিবেশদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ শহরে ঢাকার বায়ুদূষণ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। জাপানকে উদাহরণ হিসেবে টেনে তিনি বলেন, রাস্তাঘাটে ময়লা না ফেলার অভ্যাস একটি উন্নত জাতি গঠনের অন্যতম শর্ত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকলে রোগব্যাধির ঝুঁকি কমে এবং চিকিৎসার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয় না। তিনি বলেন, “ঢাকার বায়ুদূষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন—বিশ্বের সবচেয়ে বায়ুদূষিত শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান প্রায়ই ওপরের দিকে থাকে, যা অত্যন্ত বিব্রতকর। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “তোমরা যখন কোনো কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাঠে নেমে পরিচ্ছন্নতার কাজ করো, তখন খুব দ্রুত একটি জায়গা পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু শুধু নির্দিষ্ট কর্মসূচির মধ্যে এই কাজ সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না।

গাছ লাগানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, অতীতে একটি সংগঠনের মাধ্যমে তিনি নিজে ২০০৪-০৫ সালে শুধু ঢাকা শহরেই প্রায় ৮০ হাজার নিমগাছ রোপণ করেছিলেন। এখনকার শিক্ষার্থীদের তিনি সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। মিরপুর বাংলা কলেজ পরিদর্শনের সময় বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

পরিদর্শনের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় হকারমুক্ত ফুটপাত ঘুরে দেখেন। সড়ক হকারমুক্ত হওয়ায় পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি সম্মিলিতভাবে উদ্যোগী হয়, তবেই একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যৎ তোমরাই গড়বে এবং একদিন এ দেশের দায়িত্ব তোমাদের কাঁধেই থাকবে। প্রধানমন্ত্রী এই আকস্মিক পরিদর্শনকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের মতামত শোনেন। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—এত বিপুলসংখ্যক মানুষ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাহলে সবাইকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা করা কঠিন।

আপলোডকারীর তথ্য

আগামী ১৫ বছরে চাকরির বড় সংকটের পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের

দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৬:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশ পুনর্গঠন এবং একটি বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীতে এক আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি তরুণদের এই দায়িত্ব নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে নিজের বাসভবন থেকে বেরিয়ে তিনি চার ঘণ্টায় মোট ১৩টি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। তবে শুধু আন্দোলন করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রাজধানীর বাতাস ক্রমেই দূষিত হয়ে পড়ছে। এর ফলে বিশেষ করে শিশুরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম, যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

তবে আন্দোলনের চেয়েও বড় দায়িত্ব হলো দেশ পুনর্গঠনের কাজে অংশ নেওয়া। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি দুটি প্রধান অনুরোধ রাখেন—আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগানো। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এটা তোমাদেরই দেশ, এর দায়ভার তোমাদেরই নিতে হবে।” শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি বলেন, “তোমাদের কাছে আমার দুটি আবেদন—দেশকে পরিষ্কার রাখবে এবং বেশি বেশি গাছ লাগাবে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।”। তাই আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে মানুষকে সুস্থ রাখা। “এখন তোমাদের আমাকে ছাড়িয়ে যেতে হবে।

শনিবারের এই পরিদর্শনের তালিকায় ছিল উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, সরকারি বাংলা কলেজ, শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, কলাবাগান এবং আজিমপুরের সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন এলাকা।

পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন স্থানের অব্যবস্থাপনা ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থা দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলুর ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু সরকারের একার পক্ষে দেশ পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়, এজন্য সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে উদ্বুদ্ধ করার ওপর জোর দেন।

পরিবেশদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ শহরে ঢাকার বায়ুদূষণ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। জাপানকে উদাহরণ হিসেবে টেনে তিনি বলেন, রাস্তাঘাটে ময়লা না ফেলার অভ্যাস একটি উন্নত জাতি গঠনের অন্যতম শর্ত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকলে রোগব্যাধির ঝুঁকি কমে এবং চিকিৎসার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয় না। তিনি বলেন, “ঢাকার বায়ুদূষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন—বিশ্বের সবচেয়ে বায়ুদূষিত শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান প্রায়ই ওপরের দিকে থাকে, যা অত্যন্ত বিব্রতকর। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “তোমরা যখন কোনো কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাঠে নেমে পরিচ্ছন্নতার কাজ করো, তখন খুব দ্রুত একটি জায়গা পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু শুধু নির্দিষ্ট কর্মসূচির মধ্যে এই কাজ সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না।

গাছ লাগানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, অতীতে একটি সংগঠনের মাধ্যমে তিনি নিজে ২০০৪-০৫ সালে শুধু ঢাকা শহরেই প্রায় ৮০ হাজার নিমগাছ রোপণ করেছিলেন। এখনকার শিক্ষার্থীদের তিনি সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। মিরপুর বাংলা কলেজ পরিদর্শনের সময় বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

পরিদর্শনের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় হকারমুক্ত ফুটপাত ঘুরে দেখেন। সড়ক হকারমুক্ত হওয়ায় পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি সম্মিলিতভাবে উদ্যোগী হয়, তবেই একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যৎ তোমরাই গড়বে এবং একদিন এ দেশের দায়িত্ব তোমাদের কাঁধেই থাকবে। প্রধানমন্ত্রী এই আকস্মিক পরিদর্শনকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের মতামত শোনেন। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—এত বিপুলসংখ্যক মানুষ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাহলে সবাইকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা করা কঠিন।