ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দুর্গাপূজার দর্শন অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই: রাষ্ট্রপতি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রোববার (১৮ অক্টোবর) রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এই উৎসবের মূল দর্শন।

দেবী দুর্গার আবির্ভাবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পৃথিবীতে যখনই অশুভ শক্তি ও নির্যাতন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, তখনই দেবী দুর্গার শক্তির প্রকাশ ঘটেছে।

এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটলেও সাধারণ মানুষ সবসময়ই তা পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি জানান, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হয়েছিল এবং ১৯৭৩ সালে এটিকে পুরোপুরি গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে মন্দিরটি পুনর্স্থাপিত হয়। তিনি পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার এই প্রক্রিয়ার কথা স্মরণ করে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, দেশের সাম্প্রদায়িক ঐক্যের যে নজির রয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। যদিও এ নিয়ে প্রায়ই অপপ্রচার ও অপব্যাখ্যা করা হয়, তবে তিনি সবাইকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।

পূজার সফলতা কামনা করে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক) বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

কুড়িগ্রামে ট্রাকচাপায় মা ও দুই শিশুসন্তানসহ নিহত ৫

দুর্গাপূজার দর্শন অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৫:০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রোববার (১৮ অক্টোবর) রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এই উৎসবের মূল দর্শন।

দেবী দুর্গার আবির্ভাবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পৃথিবীতে যখনই অশুভ শক্তি ও নির্যাতন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, তখনই দেবী দুর্গার শক্তির প্রকাশ ঘটেছে।

এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটলেও সাধারণ মানুষ সবসময়ই তা পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি জানান, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হয়েছিল এবং ১৯৭৩ সালে এটিকে পুরোপুরি গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে মন্দিরটি পুনর্স্থাপিত হয়। তিনি পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার এই প্রক্রিয়ার কথা স্মরণ করে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, দেশের সাম্প্রদায়িক ঐক্যের যে নজির রয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। যদিও এ নিয়ে প্রায়ই অপপ্রচার ও অপব্যাখ্যা করা হয়, তবে তিনি সবাইকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।

পূজার সফলতা কামনা করে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক) বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন।