ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সৌদি আরবে ফ্লাইট বাতিল: ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা থেকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত মোট ১০০টি ফ্লাইট বাতিল অথবা স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে করে ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে যেসব প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে, তাদের জন্য এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বুধবার এক বার্তায় জানিয়েছে, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪১টি সরাসরি এবং ৫৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে। সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের সাতটি অন্তর্ভুক্ত।

বর্তমানে পরিস্থিতির কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সব ফ্লাইট স্থগিত ঘোষণা করেছে। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তবে মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও এখন উড়োজাহাজ ওঠা-নামা করছে, যদিও সপ্তাহের শুরুতে সেখানেও বিঘ্ন ঘটেছিল।

সরকারি নির্দেশনায় এ সংকট নিরসনে এয়ারলাইন্সগুলোকে বিকল্প পথে যাত্রীদের গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। টিকিট পরিবর্তনের জন্য কোনো ফি নেওয়া হচ্ছে না। তবে নতুন রুটে আসনসংকট থাকায় যাত্রীদের তাৎক্ষণিক যাত্রা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। আগে থেকে বুকিং থাকা আসনগুলোর বাইরে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক সময় ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরও যাত্রীদের ফিরিয়ে আনার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে, তবে পরবর্তী ফ্লাইটে তাদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাদের ভিসার মেয়াদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, তাদের টিকিট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এয়ারলাইন্সগুলো নিয়মিত রুট ও আসন খালি থাকা সাপেক্ষে যাত্রীদের মদিনা বা জেদ্দা দিয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। বর্তমানে টিকিট পরিবর্তনের পুরো বিষয়টি বিকল্প ফ্লাইটের আসনসংখ্যার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ভোগান্তি কাটতে কিছুটা সময় লাগছে বলে এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে ফ্লাইট বাতিল: ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

আপডেট সময় ০৭:১৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা থেকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত মোট ১০০টি ফ্লাইট বাতিল অথবা স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে করে ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে যেসব প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে, তাদের জন্য এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বুধবার এক বার্তায় জানিয়েছে, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪১টি সরাসরি এবং ৫৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে। সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের সাতটি অন্তর্ভুক্ত।

বর্তমানে পরিস্থিতির কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সব ফ্লাইট স্থগিত ঘোষণা করেছে। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তবে মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও এখন উড়োজাহাজ ওঠা-নামা করছে, যদিও সপ্তাহের শুরুতে সেখানেও বিঘ্ন ঘটেছিল।

সরকারি নির্দেশনায় এ সংকট নিরসনে এয়ারলাইন্সগুলোকে বিকল্প পথে যাত্রীদের গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। টিকিট পরিবর্তনের জন্য কোনো ফি নেওয়া হচ্ছে না। তবে নতুন রুটে আসনসংকট থাকায় যাত্রীদের তাৎক্ষণিক যাত্রা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। আগে থেকে বুকিং থাকা আসনগুলোর বাইরে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক সময় ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরও যাত্রীদের ফিরিয়ে আনার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে, তবে পরবর্তী ফ্লাইটে তাদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাদের ভিসার মেয়াদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, তাদের টিকিট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এয়ারলাইন্সগুলো নিয়মিত রুট ও আসন খালি থাকা সাপেক্ষে যাত্রীদের মদিনা বা জেদ্দা দিয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। বর্তমানে টিকিট পরিবর্তনের পুরো বিষয়টি বিকল্প ফ্লাইটের আসনসংখ্যার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ভোগান্তি কাটতে কিছুটা সময় লাগছে বলে এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।