ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই আগারগাঁওয়ে সরছে সচিবালয়, দ্রুতই মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব

রাজধানীর বর্তমান সচিবালয় থেকে আগারগাঁওয়ে প্রশাসনিক দপ্তর স্থানান্তরের পরিকল্পনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই সচিবালয় স্থানান্তরের সমস্ত প্রাথমিক ও মূল কাজ সম্পন্ন করা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানান্তরের প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা

  • বর্তমান সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত, যা বর্তমানে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
  • যানবাহন পার্কিং এবং স্থানসংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রমে নিয়মিত জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
  • অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় প্রশাসনিক সমন্বয় রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
  • ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদ্যমান অবকাঠামোর স্থায়ী বিকল্প ব্যবস্থা করা এখন জরুরি।

মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন আরও জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে পূর্বে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি ছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে নীতিগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা ও সদিচ্ছার কারণেই এই বড় আকারের অবকাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ভূমি উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সমস্ত কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের সুফল নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সচিবালয় নির্মাণই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। তাছাড়া বর্তমানে সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হওয়ায় সেগুলো বেশ পুরোনো হয়ে গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই আগারগাঁওয়ে সরছে সচিবালয়, দ্রুতই মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব

আপডেট সময় ০২:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বর্তমান সচিবালয় থেকে আগারগাঁওয়ে প্রশাসনিক দপ্তর স্থানান্তরের পরিকল্পনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই সচিবালয় স্থানান্তরের সমস্ত প্রাথমিক ও মূল কাজ সম্পন্ন করা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানান্তরের প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা

  • বর্তমান সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত, যা বর্তমানে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
  • যানবাহন পার্কিং এবং স্থানসংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রমে নিয়মিত জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
  • অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় প্রশাসনিক সমন্বয় রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
  • ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদ্যমান অবকাঠামোর স্থায়ী বিকল্প ব্যবস্থা করা এখন জরুরি।

মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন আরও জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে পূর্বে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি ছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে নীতিগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা ও সদিচ্ছার কারণেই এই বড় আকারের অবকাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ভূমি উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সমস্ত কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের সুফল নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সচিবালয় নির্মাণই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। তাছাড়া বর্তমানে সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হওয়ায় সেগুলো বেশ পুরোনো হয়ে গেছে।