ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

অসুস্থ ছেলেকে হারানোর কষ্ট নাসিমাকে ভেতরে-ভেতরে তাড়িয়ে বেড়াত

ঢাকাই চলচ্চিত্রে সমসাময়িক সময়েই অভিনয় শুরু করেছিলেন নাসিমা খান ও তার এক সহকর্মী। দুজনের বাড়িই ছিল পুরান ঢাকায়। বেবী ইসলাম পরিচালিত ‘তানহা’ সিনেমায় তারা দুজনেই অভিনয় করেছেন, যদিও পর্দায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। তবে শুটিংয়ের ফাঁকে নিয়মিত আড্ডা ও দেখাসাক্ষাৎ হতো। তাদের সম্পর্কটি ছিল খুবই ঘরোয়া, একে অপরের বাসায় যাতায়াত ছিল এবং তুই-তোকারি সম্পর্কের বন্ধুত্বপূর্ণ ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে।

অভিনয় ও ক্যারিয়ার নিয়ে আক্ষেপ

সহকর্মীর মতে, নাসিমা খানের যে মানের অভিনয় দক্ষতা ছিল, ক্যারিয়ারে তার চেয়েও ভালো অবস্থানে থাকার কথা ছিল তার। কেন তিনি প্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা বুঝে উঠতে পারেননি বা ক্যারিয়ারের মোড়গুলো সেভাবে কাজে লাগাতে পারেননি, তা এক রহস্য। একজন শিল্পীর কেবল প্রতিভা থাকলেই হয় না, তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করার মতো গাইড প্রয়োজন হয়। সেই জায়গাটিতেই নাসিমা খান খানিকটা পিছিয়ে ছিলেন বলে মনে করেন তার সহকর্মী।

ছেলেকে হারানোর শোক

আশির দশকের শেষ দিকে দেশে ফিরে আবার নাসিমার খোঁজ নেওয়া শুরু করেন তার সহকর্মী। কয়েক মাস আগেও আমেরিকায় থাকাকালে এবং দেশে ফেরার পর তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। কথোপকথনের বড় একটি অংশ জুড়ে ছিল নাসিমার ছোট ছেলেকে হারিয়ে ফেলার ঘটনাটি। অসুস্থ ছেলেকে হারানোর সেই গভীর কষ্ট ও বেদনা যে তাকে ভেতরে-ভেতরে প্রতিনিয়ত তাড়িয়ে বেড়াত, তা বুঝতে পারতেন তার সহকর্মী। তবে নিজের ব্যক্তিগত দুঃখ বা আক্ষেপ নিয়ে নাসিমা খুব একটা কথা বলতেন না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গাপূজায় সারাদেশে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন

অসুস্থ ছেলেকে হারানোর কষ্ট নাসিমাকে ভেতরে-ভেতরে তাড়িয়ে বেড়াত

আপডেট সময় ০৮:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকাই চলচ্চিত্রে সমসাময়িক সময়েই অভিনয় শুরু করেছিলেন নাসিমা খান ও তার এক সহকর্মী। দুজনের বাড়িই ছিল পুরান ঢাকায়। বেবী ইসলাম পরিচালিত ‘তানহা’ সিনেমায় তারা দুজনেই অভিনয় করেছেন, যদিও পর্দায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। তবে শুটিংয়ের ফাঁকে নিয়মিত আড্ডা ও দেখাসাক্ষাৎ হতো। তাদের সম্পর্কটি ছিল খুবই ঘরোয়া, একে অপরের বাসায় যাতায়াত ছিল এবং তুই-তোকারি সম্পর্কের বন্ধুত্বপূর্ণ ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে।

অভিনয় ও ক্যারিয়ার নিয়ে আক্ষেপ

সহকর্মীর মতে, নাসিমা খানের যে মানের অভিনয় দক্ষতা ছিল, ক্যারিয়ারে তার চেয়েও ভালো অবস্থানে থাকার কথা ছিল তার। কেন তিনি প্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা বুঝে উঠতে পারেননি বা ক্যারিয়ারের মোড়গুলো সেভাবে কাজে লাগাতে পারেননি, তা এক রহস্য। একজন শিল্পীর কেবল প্রতিভা থাকলেই হয় না, তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করার মতো গাইড প্রয়োজন হয়। সেই জায়গাটিতেই নাসিমা খান খানিকটা পিছিয়ে ছিলেন বলে মনে করেন তার সহকর্মী।

ছেলেকে হারানোর শোক

আশির দশকের শেষ দিকে দেশে ফিরে আবার নাসিমার খোঁজ নেওয়া শুরু করেন তার সহকর্মী। কয়েক মাস আগেও আমেরিকায় থাকাকালে এবং দেশে ফেরার পর তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। কথোপকথনের বড় একটি অংশ জুড়ে ছিল নাসিমার ছোট ছেলেকে হারিয়ে ফেলার ঘটনাটি। অসুস্থ ছেলেকে হারানোর সেই গভীর কষ্ট ও বেদনা যে তাকে ভেতরে-ভেতরে প্রতিনিয়ত তাড়িয়ে বেড়াত, তা বুঝতে পারতেন তার সহকর্মী। তবে নিজের ব্যক্তিগত দুঃখ বা আক্ষেপ নিয়ে নাসিমা খুব একটা কথা বলতেন না।