ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

মারণাস্ত্র নয়, কূটনীতিই হোক সংঘাতের পথ: জাতিসংঘে তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন যে, মারণাস্ত্র কোনো সংঘাতের সমাধান হতে পারে না। তার পরিবর্তে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতাই হোক পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা এবং একে অপরের প্রতি সম্মানবোধই হওয়া উচিত যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের প্রধান ভিত্তি।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত সবার প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানান। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমান জানান, চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

স্মৃতিকাতর প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমার বাবা, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া অতীতে দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলেছিলেন। আজ আমিও সেই একই লক্ষ্য নিয়ে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি। বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নেতিবাচক প্রভাব প্রতিটি দেশে পড়ে। যুদ্ধ ও সংঘাতের ফলে বিশ্ব অর্থনীতি আজ প্রচণ্ড চাপের মুখে এবং অসংখ্য মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক সংকটে ভুগছে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ নয় বছর ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। এতে আমাদের নিরাপত্তা ও পরিবেশের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে, যেহেতু এই সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই নিহিত। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় সরকার দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং বন্যা ও খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি শুরু করেছে।

প্রযুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে রূপ না নেয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও সোশ্যাল মিডিয়ার সুফল যেন প্রতিটি দেশ ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে পারে, সেজন্য জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। এছাড়া দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি দেশব্যাপী মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণকে তিনি উন্নয়নের অংশ হিসেবে তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই উত্তরণকে টেকসই করতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, অর্থায়ন এবং বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তার কোনো বিকল্প নেই। সরকার ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কাজ শুরু করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচির সাথে জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি’র ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ দর্শনের ব্যাপক মিল রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সুশাসন, মানবাধিকার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগ পরিবেশ স্থিতিশীল করতে সরকার কাজ করছে। নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান। অভিবাসন প্রক্রিয়াকে মানবসভ্যতার প্রাচীন রীতি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নিয়মিত ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর এবং অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি আরও জোরালো হওয়া প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মানব সৃষ্ট বিরাজমান সংঘাতের ফলে বর্তমানে অনেক দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেয়ার প্রবণতা বিশ্বশান্তির অন্তরায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানাই।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার

মারণাস্ত্র নয়, কূটনীতিই হোক সংঘাতের পথ: জাতিসংঘে তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৮:০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন যে, মারণাস্ত্র কোনো সংঘাতের সমাধান হতে পারে না। তার পরিবর্তে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতাই হোক পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা এবং একে অপরের প্রতি সম্মানবোধই হওয়া উচিত যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের প্রধান ভিত্তি।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত সবার প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানান। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমান জানান, চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

স্মৃতিকাতর প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমার বাবা, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া অতীতে দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলেছিলেন। আজ আমিও সেই একই লক্ষ্য নিয়ে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি। বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নেতিবাচক প্রভাব প্রতিটি দেশে পড়ে। যুদ্ধ ও সংঘাতের ফলে বিশ্ব অর্থনীতি আজ প্রচণ্ড চাপের মুখে এবং অসংখ্য মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক সংকটে ভুগছে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ নয় বছর ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। এতে আমাদের নিরাপত্তা ও পরিবেশের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে, যেহেতু এই সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই নিহিত। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় সরকার দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং বন্যা ও খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি শুরু করেছে।

প্রযুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে রূপ না নেয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও সোশ্যাল মিডিয়ার সুফল যেন প্রতিটি দেশ ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে পারে, সেজন্য জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। এছাড়া দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি দেশব্যাপী মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণকে তিনি উন্নয়নের অংশ হিসেবে তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই উত্তরণকে টেকসই করতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, অর্থায়ন এবং বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তার কোনো বিকল্প নেই। সরকার ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কাজ শুরু করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচির সাথে জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি’র ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ দর্শনের ব্যাপক মিল রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সুশাসন, মানবাধিকার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগ পরিবেশ স্থিতিশীল করতে সরকার কাজ করছে। নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান। অভিবাসন প্রক্রিয়াকে মানবসভ্যতার প্রাচীন রীতি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নিয়মিত ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর এবং অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি আরও জোরালো হওয়া প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মানব সৃষ্ট বিরাজমান সংঘাতের ফলে বর্তমানে অনেক দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেয়ার প্রবণতা বিশ্বশান্তির অন্তরায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানাই।