ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বসুন্ধরায় শিক্ষিত-সচ্ছল মানুষের বসবাস: মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর অভিজাত ও নতুন গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকাগুলোতে দেশের অত্যন্ত শিক্ষিত ও সচ্ছল শ্রেণির নাগরিকরা বসবাস করেন বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, বনানী, গুলশান, বারিধারা, বসুন্ধরাসহ নতুন যেসব আবাসিক এলাকা গড়ে উঠছে, সেখানে মূলত শিক্ষিত ও সচ্ছল মানুষেরই বসবাস। এই নাগরিকদের একটু সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগই পারে ঢাকাকে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) আয়োজিত ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: আমার আপনার সকলের দায়িত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‌‘আমাদের শহরের অভিজাত এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত সচেতন ও সচ্ছল। তাদের জন্য পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস বজায় রাখা এবং নিজ নিজ জায়গা সুন্দর রাখা অনেক সহজ। আমরা যদি সবাই মিলে মানুষের মধ্যে সেই সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করি, একটি সামাজিক আন্দোলন বা ‘মুভমেন্ট’ গড়ে তুলি তবে সেই মুভমেন্টকে কিন্তু এই এলাকার সুধী সমাজই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।’

তিনি শিশুদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের প্রাইমারি স্কুল ও কিন্ডার গার্টেনগুলোতে শিশুদের মধ্যে এই ধারণা তৈরি করতে হবে যে, আমাকে আমার চারপাশ, আমার স্কুল, আমার শহর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাচ্চাদের মধ্যে এই বোধ সৃষ্টি করতে পারলে আমরা শহরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’

সেমিনারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন মানার প্রবণতা বৃদ্ধির উদাহরণ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি যখন ঢাকা শহরে চলি, আমার ড্রাইভার সুযোগ পেলেই ফাঁকফোকর দিয়ে নিয়ম ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ক্যান্টনমেন্টে ঢুকলেই সে সোজা, একদম নিয়ম মেনে চলে। তবে ইদানীংকালে একটি বড় উন্নতি লক্ষ্য করছি, সিগন্যালে ক্যামেরা বা প্রযুক্তির ব্যবহারের পর থেকে মানুষ আইন মানতে শুরু করেছে। কারণ সে জানে, নিয়ম ভাঙলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) মাধ্যমে সে ধরা পড়বে এবং অটোমেটিক জরিমানা (ফাইন) হয়ে যাবে। এই যে একটা ভয় ও সচেতনতা, এই প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমেই কিন্তু মানুষের নাগরিক চিন্তা ও বোধ গড়ে ওঠে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বসুন্ধরায় শিক্ষিত-সচ্ছল মানুষের বসবাস: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৪:০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর অভিজাত ও নতুন গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকাগুলোতে দেশের অত্যন্ত শিক্ষিত ও সচ্ছল শ্রেণির নাগরিকরা বসবাস করেন বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, বনানী, গুলশান, বারিধারা, বসুন্ধরাসহ নতুন যেসব আবাসিক এলাকা গড়ে উঠছে, সেখানে মূলত শিক্ষিত ও সচ্ছল মানুষেরই বসবাস। এই নাগরিকদের একটু সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগই পারে ঢাকাকে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) আয়োজিত ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: আমার আপনার সকলের দায়িত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‌‘আমাদের শহরের অভিজাত এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত সচেতন ও সচ্ছল। তাদের জন্য পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস বজায় রাখা এবং নিজ নিজ জায়গা সুন্দর রাখা অনেক সহজ। আমরা যদি সবাই মিলে মানুষের মধ্যে সেই সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করি, একটি সামাজিক আন্দোলন বা ‘মুভমেন্ট’ গড়ে তুলি তবে সেই মুভমেন্টকে কিন্তু এই এলাকার সুধী সমাজই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।’

তিনি শিশুদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের প্রাইমারি স্কুল ও কিন্ডার গার্টেনগুলোতে শিশুদের মধ্যে এই ধারণা তৈরি করতে হবে যে, আমাকে আমার চারপাশ, আমার স্কুল, আমার শহর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাচ্চাদের মধ্যে এই বোধ সৃষ্টি করতে পারলে আমরা শহরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’

সেমিনারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন মানার প্রবণতা বৃদ্ধির উদাহরণ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি যখন ঢাকা শহরে চলি, আমার ড্রাইভার সুযোগ পেলেই ফাঁকফোকর দিয়ে নিয়ম ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ক্যান্টনমেন্টে ঢুকলেই সে সোজা, একদম নিয়ম মেনে চলে। তবে ইদানীংকালে একটি বড় উন্নতি লক্ষ্য করছি, সিগন্যালে ক্যামেরা বা প্রযুক্তির ব্যবহারের পর থেকে মানুষ আইন মানতে শুরু করেছে। কারণ সে জানে, নিয়ম ভাঙলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) মাধ্যমে সে ধরা পড়বে এবং অটোমেটিক জরিমানা (ফাইন) হয়ে যাবে। এই যে একটা ভয় ও সচেতনতা, এই প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমেই কিন্তু মানুষের নাগরিক চিন্তা ও বোধ গড়ে ওঠে।’