ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী উদ্যোগ ও গবেষণাভিত্তিক প্রযুক্তি অপরিহার্য আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন, তবে সময় লাগবে: সংসদে অর্থমন্ত্রী নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠনের নির্দেশ ‘২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’:সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও স্বল্পসুদে ঋণ সম্প্রসারণে সরকারের নানা উদ্যোগ: শিল্পমন্ত্রী সেদিন ‘রিভোল্ট’ করলে বিশৃঙ্খলার শেষ কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, কেউ জানে না: শফিকুর রহমান অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা ফিফার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

‘২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’:সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নিরবচ্ছিন্ন ও টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. মোক্তার আলী (যশোর-৬)-এর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনেরও লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ওঠানামা করে। বিপরীতে প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ এক নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। ওইদিন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে।’

সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় সরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সেবার মান ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে সরকার একই সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের অপচয় ও অবৈধ ব্যবহার রোধে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্রের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি নতুন বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় সিস্টেম লস কমানোর জন্যও বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনের কেশবপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কেশবপুর জোনাল অফিসের আওতাধীন এ এলাকায় মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ২২ মেগাওয়াট। বর্তমানে সেখানে ১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, নওয়াপাড়া গ্রিড এবং যশোর গ্রিড থেকে কেশবপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেফারির প্রতিটি সিদ্ধান্তই নিখুঁত ছিল, আমরা সন্তুষ্ট: মেসি

‘২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’:সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নিরবচ্ছিন্ন ও টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. মোক্তার আলী (যশোর-৬)-এর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনেরও লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ওঠানামা করে। বিপরীতে প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ এক নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। ওইদিন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে।’

সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় সরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সেবার মান ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে সরকার একই সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের অপচয় ও অবৈধ ব্যবহার রোধে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্রের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি নতুন বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় সিস্টেম লস কমানোর জন্যও বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনের কেশবপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কেশবপুর জোনাল অফিসের আওতাধীন এ এলাকায় মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ২২ মেগাওয়াট। বর্তমানে সেখানে ১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, নওয়াপাড়া গ্রিড এবং যশোর গ্রিড থেকে কেশবপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।