ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কখন মহিলাদের কন্ঠ ‘সেক্সি’ হয়ে ওঠে জানেন?

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহিলারা তাদের কণ্ঠস্বর চাইলে ‘সেক্সি’ করে তুলতেই পারেন। কিন্তু এই একই কাজ পুরুষরা মোটেও পারেন না। কারণ, পুরুষের কণ্ঠস্বরের সঙ্গে ‘সেক্সি’ বিষয়টার কোনো সম্পর্ক নেই। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

গবেষকরা বলছেছেন, মহিলারা ইচ্ছে করলেই কণ্ঠস্বর নিচু স্কেলে নিয়ে গিয়ে ‘সেক্সি’ কণ্ঠে কথা বলতে পারেন। কিন্তু পুরুষরা এই ভঙ্গিতে কথা বলতে পারেন না। আর এ ধরনের চেষ্টা করলে তা বিপরীত অবস্থাই ডেকে আনে।

অ্যালব্রাইট কলেজ ইন রিডিং-এর সাইকোলজির প্রফেসর সুসান হাগেস বলেন, মহিলারা এটা পারেন তাদের ভোকাল কর্ডের গঠনের জন্য। নারী ও পুরুষ উভয়েই তাদের কথার গতি কমিয়ে দিয়ে তা আকর্ষণীয় করে তুলতে ও অধিক বুদ্ধিমান হিসেবে ফুটিয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

নারী ও পুরুষরা চেষ্টা করে নিজেদের কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে তাতে ‘সেক্সি’ ভাব ফুটিয়ে তুলতে, বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করতে এবং আত্মবিশ্বাস তুলে ধরতে পারে কি না এই নিয়েই গবেষণাটি করা হয়েছিল। এ গবেষণায় দেখা যায়, নারীরা ইচ্ছা করলে তাদের কণ্ঠস্বর আকর্ষণীয় ‘সেক্সি’ ও ‘হাস্কি’ করে তুলতে পারলেও পুরুষ এ ক্ষেত্রে অক্ষম। হাগেস লিখেছেন, পুরুষরা কণ্ঠস্বরে আবেদন আনার চেষ্টা করলে তা আরও খারাপ হয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

কখন মহিলাদের কন্ঠ ‘সেক্সি’ হয়ে ওঠে জানেন?

আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহিলারা তাদের কণ্ঠস্বর চাইলে ‘সেক্সি’ করে তুলতেই পারেন। কিন্তু এই একই কাজ পুরুষরা মোটেও পারেন না। কারণ, পুরুষের কণ্ঠস্বরের সঙ্গে ‘সেক্সি’ বিষয়টার কোনো সম্পর্ক নেই। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

গবেষকরা বলছেছেন, মহিলারা ইচ্ছে করলেই কণ্ঠস্বর নিচু স্কেলে নিয়ে গিয়ে ‘সেক্সি’ কণ্ঠে কথা বলতে পারেন। কিন্তু পুরুষরা এই ভঙ্গিতে কথা বলতে পারেন না। আর এ ধরনের চেষ্টা করলে তা বিপরীত অবস্থাই ডেকে আনে।

অ্যালব্রাইট কলেজ ইন রিডিং-এর সাইকোলজির প্রফেসর সুসান হাগেস বলেন, মহিলারা এটা পারেন তাদের ভোকাল কর্ডের গঠনের জন্য। নারী ও পুরুষ উভয়েই তাদের কথার গতি কমিয়ে দিয়ে তা আকর্ষণীয় করে তুলতে ও অধিক বুদ্ধিমান হিসেবে ফুটিয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

নারী ও পুরুষরা চেষ্টা করে নিজেদের কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে তাতে ‘সেক্সি’ ভাব ফুটিয়ে তুলতে, বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করতে এবং আত্মবিশ্বাস তুলে ধরতে পারে কি না এই নিয়েই গবেষণাটি করা হয়েছিল। এ গবেষণায় দেখা যায়, নারীরা ইচ্ছা করলে তাদের কণ্ঠস্বর আকর্ষণীয় ‘সেক্সি’ ও ‘হাস্কি’ করে তুলতে পারলেও পুরুষ এ ক্ষেত্রে অক্ষম। হাগেস লিখেছেন, পুরুষরা কণ্ঠস্বরে আবেদন আনার চেষ্টা করলে তা আরও খারাপ হয়ে যায়।