ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তুরাগে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

তুরাগ নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে সাভারের আশুলিয়া বাজার এলাকার তুরাগ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

নিহত সুমন (১৭) ঢাকা জেলার তুরাগ থানার রানাবোলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি শাহ আলম ও অমলা বেগমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করতে ট্রলারে করে তুরাগ নদীতে যান সুমন। একপর্যায়ে ট্রলার থেকে নামার সময় হুড়োহুড়ির মধ্যে নদীতে পড়ে তলিয়ে যান তিনি। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

শুক্রবার রাতে আশুলিয়া বাজারের গরুর হাটসংলগ্ন তুরাগ নদীতে জেলেরা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

উদ্ধারের সময় মরদেহের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। ফোনটি পানিতে নষ্ট হয়ে গেলেও সিমকার্ডের তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আশুলিয়া থানার কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মমিনুল জানান, নিহতের বড় ভাই সালাউদ্দিন বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইশায়াত অপ্রতিম মৃত্যুর ঘটনা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল

তুরাগে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:১০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

তুরাগ নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে সাভারের আশুলিয়া বাজার এলাকার তুরাগ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

নিহত সুমন (১৭) ঢাকা জেলার তুরাগ থানার রানাবোলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি শাহ আলম ও অমলা বেগমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করতে ট্রলারে করে তুরাগ নদীতে যান সুমন। একপর্যায়ে ট্রলার থেকে নামার সময় হুড়োহুড়ির মধ্যে নদীতে পড়ে তলিয়ে যান তিনি। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

শুক্রবার রাতে আশুলিয়া বাজারের গরুর হাটসংলগ্ন তুরাগ নদীতে জেলেরা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

উদ্ধারের সময় মরদেহের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। ফোনটি পানিতে নষ্ট হয়ে গেলেও সিমকার্ডের তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

আশুলিয়া থানার কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মমিনুল জানান, নিহতের বড় ভাই সালাউদ্দিন বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।