ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাদারীপুরের রাজৈরে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় নাফিজ মোল্লা নামে এক যুবককে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মাদারীপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আ.স.ম শহীদুল্লাহ কায়সার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নাফিজ মোল্লা রাজৈর উপজেলার পূর্বকান্দি শাখারপাড় গ্রামের মতিয়ার মোল্লার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় ওই কিশোরীকে অপহরণ করে নাফিজ ও তার সহযোগীরা। পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও নাফিজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ঘটনার দুদিন পর ২৩ মার্চ রাজৈর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় নাফিজ ও তার মা শাহানা বেগমকে আসামি করা হয়।

এরপর রাজৈর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক এখতিয়ার আহম্মেদ ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ নাফিজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন।

যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি নাফিজকে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি নাফিজের মা শাহানা বেগমকে মুক্তি দেন বিচারক।

মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর বলেন, এই রায়ে মামলার বাদী ন্যায় বিচার পেয়েছেন। তারা এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষও সন্তুষ্ট হয়েছি। দ্রুত এই রায় সম্পন্ন করতে তদারকি চালানো হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাদারীপুরের রাজৈরে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় নাফিজ মোল্লা নামে এক যুবককে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মাদারীপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আ.স.ম শহীদুল্লাহ কায়সার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নাফিজ মোল্লা রাজৈর উপজেলার পূর্বকান্দি শাখারপাড় গ্রামের মতিয়ার মোল্লার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় ওই কিশোরীকে অপহরণ করে নাফিজ ও তার সহযোগীরা। পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও নাফিজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ঘটনার দুদিন পর ২৩ মার্চ রাজৈর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় নাফিজ ও তার মা শাহানা বেগমকে আসামি করা হয়।

এরপর রাজৈর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক এখতিয়ার আহম্মেদ ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ নাফিজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন।

যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি নাফিজকে সাড়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি নাফিজের মা শাহানা বেগমকে মুক্তি দেন বিচারক।

মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মো. সাইফুল কবীর বলেন, এই রায়ে মামলার বাদী ন্যায় বিচার পেয়েছেন। তারা এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষও সন্তুষ্ট হয়েছি। দ্রুত এই রায় সম্পন্ন করতে তদারকি চালানো হবে।