অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নে রাখাইন রাজ্য ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া হাজার হাজার রোহিঙ্গা সীমান্তে অপেক্ষায় রয়েছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবারই আরও ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারসেক্টর কো-অপারেশন গ্রুপ (আইএসজি)। খবর এএফপি ও বিবিসির
এদিকে, এদিন অ্যারিয়াল ফুটেজ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। এতে দেখা গেছে, কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালীর কাছে নাফ নদ পার হয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করছে। মাঝে রোহিঙ্গাদের আসার পরিমাণ অনেক কমে গেলেও গত দু’দিন ধরে নতুন করে সীমান্তে আবারও রোহিঙ্গাঢল দেখা যাচ্ছে।
স্রোতের মতো রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে প্রবেশে উদ্বেগ জানিয়ে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র আন্দ্রেজ মাহেকিক জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত রোববার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তারা এতদিন প্রাণ হাতে নিয়ে মিয়ানমারে থাকার চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারানোর ভয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যতই দিন যাচ্ছে, ততই অবস্থার অবনতি ঘটছে।’
আমাদের কক্সবাজার অফিস জানিয়েছে, কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থার (আইওএম) কর্মকর্তা সৈকত বিশ্বাস জানান, মঙ্গলবার উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমানপাড়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে। এদের অনেকে ধানক্ষেতের মাঠে অবস্থান নিয়েছে। অভুক্ত এই রোহিঙ্গাদের কাছে খাদ্য ও পানি সরবরাহ করছে আইওএম। অন্যান্য মানবিক সহযোগিতা দিয়ে এই রোহিঙ্গাদের কুতুপালং ও বালুখালী ক্যাম্পে স্থান দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, ২৫ আগস্টের আগে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ২৫ আগস্টের পরে যারা বাংলাদেশে এসেছে, তাদের নিয়ে এখন শরণার্থী রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখের কাছাকাছি। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা হিমশিম খাচ্ছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















