ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আইসিসি মাসসেরা হওয়ার দৌড়ে মুশফিক-তাইজুল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

আইসিসির মে মাসের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলাম। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নেপালের অলরাউন্ডার দীপেন্দ্র সিং আইরি।

বুধবার পুরুষ ও নারী বিভাগের মাসসেরা ক্রিকেটারদের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি। নারী বিভাগের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ইংল্যান্ডের লরেন বেল, পাকিস্তানের গুল ফিরোজা এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাডি গ্রিন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্সে বাংলাদেশকে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মুশফিকুর রহিম।

দুই টেস্টে তিনি ৬৩.২৫ গড়ে মোট ২৫৯ রান সংগ্রহ করেন এবং সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন। ২১ বছরের দীর্ঘ টেস্ট ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম আইসিসির মাসসেরা তালিকায় জায়গা পেলেন তিনি।

মিরপুর টেস্টে ৭১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলার পর সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে করেন দুর্দান্ত ১৩৭ রান। এই ইনিংসেই তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের করে নেন, ছাড়িয়ে যান মুমিনুল হককে।

বাংলাদেশের বামহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ছিলেন পাকিস্তান সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। দুই টেস্টে তিনি নেন মোট ১৩ উইকেট, গড় ছিল ১৯.৬১।

মিরপুর টেস্টে দুই ইনিংসে দুটি করে উইকেট নিলেও সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে একাই শিকার করেন ৬ উইকেট, ম্যাচে মোট ৯ উইকেট নিয়ে পাকিস্তান ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি।

নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরি গত মাসে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ লিগ-২ এ দারুণ পারফরম্যান্স দেখান।

ছয় ওয়ানডেতে তিনি ২৪৯ রান করেন ৪৯.৮০ গড়ে এবং স্ট্রাইক রেট ছিল ১১০.৬৬। এই সময়ে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিও করেন তিনি।

বল হাতেও কার্যকর ছিলেন এই অলরাউন্ডার, ৮ উইকেট শিকার করেন মাত্র ৪.৫২ ইকোনমিতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আইসিসি মাসসেরা হওয়ার দৌড়ে মুশফিক-তাইজুল

আপডেট সময় ০৮:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক : 

আইসিসির মে মাসের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলাম। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নেপালের অলরাউন্ডার দীপেন্দ্র সিং আইরি।

বুধবার পুরুষ ও নারী বিভাগের মাসসেরা ক্রিকেটারদের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি। নারী বিভাগের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ইংল্যান্ডের লরেন বেল, পাকিস্তানের গুল ফিরোজা এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাডি গ্রিন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্সে বাংলাদেশকে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মুশফিকুর রহিম।

দুই টেস্টে তিনি ৬৩.২৫ গড়ে মোট ২৫৯ রান সংগ্রহ করেন এবং সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন। ২১ বছরের দীর্ঘ টেস্ট ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম আইসিসির মাসসেরা তালিকায় জায়গা পেলেন তিনি।

মিরপুর টেস্টে ৭১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলার পর সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে করেন দুর্দান্ত ১৩৭ রান। এই ইনিংসেই তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের করে নেন, ছাড়িয়ে যান মুমিনুল হককে।

বাংলাদেশের বামহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ছিলেন পাকিস্তান সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। দুই টেস্টে তিনি নেন মোট ১৩ উইকেট, গড় ছিল ১৯.৬১।

মিরপুর টেস্টে দুই ইনিংসে দুটি করে উইকেট নিলেও সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে একাই শিকার করেন ৬ উইকেট, ম্যাচে মোট ৯ উইকেট নিয়ে পাকিস্তান ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি।

নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরি গত মাসে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ লিগ-২ এ দারুণ পারফরম্যান্স দেখান।

ছয় ওয়ানডেতে তিনি ২৪৯ রান করেন ৪৯.৮০ গড়ে এবং স্ট্রাইক রেট ছিল ১১০.৬৬। এই সময়ে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিও করেন তিনি।

বল হাতেও কার্যকর ছিলেন এই অলরাউন্ডার, ৮ উইকেট শিকার করেন মাত্র ৪.৫২ ইকোনমিতে।