ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি’:রেজাউল করীম সীমান্তে ৪৮ ঘণ্টা থাকার পর সেই ১১ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ ৭ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন আবুল বারকাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪ নেশার টাকা না পেয়ে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৫ ইরান-ইসরাইলের নতুন উত্তেজনা শান্তি আলোচনায় প্রভাব ফেলবে না: ট্রাম্প এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সীমান্তে ৪৮ ঘণ্টা থাকার পর সেই ১১ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টানটান উত্তেজনা আর দুইদিন চরম অনিশ্চয়তার পর অবশেষে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকে ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ফেরত নিয়ে যাওয়াদের মধ্যে তিন পুরুষ, চার নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। এদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও ছিলেন।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মশালগাঁও সীমান্ত এলাকা দিয়ে ওই ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার) চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির কড়া পাহারার কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। এর পর থেকেই সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটছিল তাদের। বিশেষ করে দলটিতে শিশু এবং একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। তৈরি হয় এক ধরনের সীমান্ত উত্তেজনা।

এ ঘটনার পর থেকেই বিজিবি জিরো লাইনে তাদের অবস্থান কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে এবং বিএসএফের যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখে দিতে টহল জোরদার করে।

বিজিবি জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিজিবির জোরালো অবস্থান ও প্রতিবাদের মুখে রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার পর বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত ওই ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখায় কেউ অবস্থান করছে না।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, বিএসএফ ওই ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে জিরো লাইনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সীমান্তে যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা মোকাবিলায় বিজিবির টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে ৪৮ ঘণ্টা থাকার পর সেই ১১ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

আপডেট সময় ০২:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টানটান উত্তেজনা আর দুইদিন চরম অনিশ্চয়তার পর অবশেষে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকে ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ফেরত নিয়ে যাওয়াদের মধ্যে তিন পুরুষ, চার নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। এদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও ছিলেন।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মশালগাঁও সীমান্ত এলাকা দিয়ে ওই ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার) চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির কড়া পাহারার কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। এর পর থেকেই সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটছিল তাদের। বিশেষ করে দলটিতে শিশু এবং একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। তৈরি হয় এক ধরনের সীমান্ত উত্তেজনা।

এ ঘটনার পর থেকেই বিজিবি জিরো লাইনে তাদের অবস্থান কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে এবং বিএসএফের যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখে দিতে টহল জোরদার করে।

বিজিবি জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিজিবির জোরালো অবস্থান ও প্রতিবাদের মুখে রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার পর বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত ওই ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখায় কেউ অবস্থান করছে না।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, বিএসএফ ওই ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে জিরো লাইনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সীমান্তে যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা মোকাবিলায় বিজিবির টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।