ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচির বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ অসত্য: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে: আইনমন্ত্রী মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী কানাডার ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে রেলপথ অবরোধ, ট্রেন চলাচল বন্ধ ভাটারায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার:জাতিসংঘে সড়কমন্ত্রী

আগ্নেয়গিরির চূড়ায় নেমে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন থাই স্কাইডাইভার

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের তানাবোওর্ন সিরিকুনাকর্নকুন, যিনি ‘সুপার টুম’ নামেও পরিচিত, এবার গড়লেন এক অনন্য ইতিহাস। ৪৮ বছর বয়সী এই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা এবং থাই সংসদের নির্বাহী প্যারাস্যুটে নেমে এলেন কোনো সাধারণ সমতল ভূমিতে নয়; বরং পৃথিবীর সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায়। তার এই দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমেই ভেঙে গেছে বিশ্বরেকর্ড, যা এখন নতুন এক সাহসিকতার নজির হয়ে রইলো।

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির ওহোস দেল সালাদো আগ্নেয়গিরির চূড়ায় প্যারাস্যুটে অবতরণ করেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এই স্থানটিই এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্কাইডাইভ বা প্যারাস্যুট অবতরণের নতুন বিশ্বরেকর্ড। আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত ওহোস দেল সালাদো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত।

‘সুপার টুম’ প্যারাস্যুট নিয়ে যে উচ্চতায় লাফিয়ে নেমেছেন, এর চেয়ে কম উচ্চতা দিয়ে অধিকাংশ বাণিজ্যিক টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ উড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত উঁচুতে লাফিয়ে নামার জন্য সিরিকুনাকর্নকুনকে অতি উচ্চতার পাশাপাশি হিম বাতাসের মোকাবিলা করতে হয়েছে। অত উঁচুতে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল।

এর আগে স্কাইডাইভ দিয়ে সবচেয়ে উঁচুতে নামার রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে।

লাফিয়ে পড়ার সময় আকাশ থেকে নিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সিরিকুনাকর্নকুন বলেন, ‘চারপাশের দৃশ্য ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর। আমি আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি সত্যি এক অসাধারণ জায়গা। বিভিন্ন খনিজের কারণে সেখানে অনেক রঙের সমারোহ ঘটেছে, এ কারণে আগ্নেয়গিরিটিকে দেখতে রংধনুর মতো লাগে।’

মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৪ সাল থেকে সিরিকুনাকর্নকুন স্কাইডাইভিং শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ১ হাজার ২৫০ বার আকাশ থেকে লাফ দিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি চান বিশ্বের মানুষ থাইল্যান্ডকে চিনুক ও দেশটির জন্য গর্ব অনুভব করুক।

রেকর্ড গড়া লাফের জন্য কেন ওহোস দেল সালাদোকে বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এই স্কাইডাইভার বলেন, ‘কারণ, এটি এমন এক স্থান, আমার দলের সবার কাছে যেটিকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। পরে লাফ দেওয়ার সময় আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ (সক্রিয়) আগ্নেয়গিরির অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করি।’ সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা

আগ্নেয়গিরির চূড়ায় নেমে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন থাই স্কাইডাইভার

আপডেট সময় ১০:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের তানাবোওর্ন সিরিকুনাকর্নকুন, যিনি ‘সুপার টুম’ নামেও পরিচিত, এবার গড়লেন এক অনন্য ইতিহাস। ৪৮ বছর বয়সী এই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা এবং থাই সংসদের নির্বাহী প্যারাস্যুটে নেমে এলেন কোনো সাধারণ সমতল ভূমিতে নয়; বরং পৃথিবীর সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায়। তার এই দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমেই ভেঙে গেছে বিশ্বরেকর্ড, যা এখন নতুন এক সাহসিকতার নজির হয়ে রইলো।

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির ওহোস দেল সালাদো আগ্নেয়গিরির চূড়ায় প্যারাস্যুটে অবতরণ করেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এই স্থানটিই এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্কাইডাইভ বা প্যারাস্যুট অবতরণের নতুন বিশ্বরেকর্ড। আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত ওহোস দেল সালাদো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত।

‘সুপার টুম’ প্যারাস্যুট নিয়ে যে উচ্চতায় লাফিয়ে নেমেছেন, এর চেয়ে কম উচ্চতা দিয়ে অধিকাংশ বাণিজ্যিক টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ উড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত উঁচুতে লাফিয়ে নামার জন্য সিরিকুনাকর্নকুনকে অতি উচ্চতার পাশাপাশি হিম বাতাসের মোকাবিলা করতে হয়েছে। অত উঁচুতে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল।

এর আগে স্কাইডাইভ দিয়ে সবচেয়ে উঁচুতে নামার রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে।

লাফিয়ে পড়ার সময় আকাশ থেকে নিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সিরিকুনাকর্নকুন বলেন, ‘চারপাশের দৃশ্য ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর। আমি আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি সত্যি এক অসাধারণ জায়গা। বিভিন্ন খনিজের কারণে সেখানে অনেক রঙের সমারোহ ঘটেছে, এ কারণে আগ্নেয়গিরিটিকে দেখতে রংধনুর মতো লাগে।’

মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৪ সাল থেকে সিরিকুনাকর্নকুন স্কাইডাইভিং শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ১ হাজার ২৫০ বার আকাশ থেকে লাফ দিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি চান বিশ্বের মানুষ থাইল্যান্ডকে চিনুক ও দেশটির জন্য গর্ব অনুভব করুক।

রেকর্ড গড়া লাফের জন্য কেন ওহোস দেল সালাদোকে বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এই স্কাইডাইভার বলেন, ‘কারণ, এটি এমন এক স্থান, আমার দলের সবার কাছে যেটিকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। পরে লাফ দেওয়ার সময় আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ (সক্রিয়) আগ্নেয়গিরির অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করি।’ সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস